পরিসংখ্যান বলছে আর্জেন্টিনা ফাইনালে উঠলেও শিরোপা জিতবে ব্রাজিলই

পেরুর বিপক্ষে জয়ে আরও একটা কোপা আমেরিকার ফাইনালে ব্রাজিল। সেলেসাওরা খেলবে নিজেদের দশম কোপা আমেরিকার লক্ষ্যে, বেশ কিছু তথ্য আশা দেখাবে নেইমারের ব্রাজিলকে।

এখন পর্যন্ত নিজেদের মাঠে পাঁচটা কোপা আমেরিকার ফাইনাল খেলেছে সেলেসাওরা। ২০১৯ সালের স্মৃতিটা তো এখনো তরতাজা তিতের দলে। তবে সেলেসাও শিবিরে আশা জাগানিয়া হতে পারে যে তথ্যটা, সেটা হচ্ছে এই পাঁচ ফাইনালের একটাতেও হারের বিষাদে ডুবতে হয়নি স্বাগতিকদের।
আর পেরুর বিপক্ষে সেমিফাইনাল জয়ও একটা আশার, স্বস্তির সুবাতাস বয়ে নিয়ে আসতে পারে দলটিতে। ইতিহাসে তৃতীয় বারের মতো পেরুর বিপক্ষে সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল জেগো বনিতোর ধারক-বাহকরা। এর আগের দুইবারের একবার পেরুভিয়ানদের বিপক্ষে হারের বিস্বাদ নিতে হয়েছিল দলটিকে, ১৯৭৫ সালের সে আসরে এরপর পেরু হেসেছিল শেষ হাসি।

আর ব্রাজিল যেবার পেরুকে হারিয়েছিল, সেই ১৯৯৭ সালে শিরোপা উঠেছিল সেলেসাওদের ঘরেই। এর আগের দুইবারই কোপা আমেরিকার শিরোপা জিতেছিল পেরু-ব্রাজিলের ম্যাচে জেতা দল। এবার জেতা দলটার নাম নিশ্চয়ই আপনি জানেন?

তবে ওপরের দুটো তথ্যই নেহায়েত কাকতাল নির্ভর, কুতর্ক মনে হতে পারে আপনার। এর পরের পরিসংখ্যানটা নিশ্চয়ই মনে হবে না। ২০১৬ সালে কোচ তিতে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ব্রাজিল আছে দারুণ ফর্মে। ২০১৮ বিশ্বকাপের ব্যর্থতার হিসেব একপাশে রাখলে কোচ তিতের ব্রাজিলকে দশে আট দিয়ে দেওয়া চলে অনায়াসেই।

কোচ তিতের এই দারুণ ব্রাজিল কোপা আমেরিকাতে যেন আরও অপ্রতিরোধ্য। গেল আসরে জিতেছিল শিরোপা। অপরাজিত ছিল সেবার, অপরাজিত আছে চলতি মৌসুমেও। দুই আসর মিলিয়ে দলটা খেলেছে ১২ ম্যাচ, জয় তুলে নিয়েছে তার ৯টিতেই। তিনটে ড্রয়ের পিঠে হার নেই একটি ম্যাচেও। যার ফলে শতকরা জয়ের হারের দিক থেকে কোপা আমেরিকার সফলতম কোচেদের তালিকায় পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছেন তিতে। যে দল শেষ ১২টি কোপা আমেরিকা ম্যাচের একটিতেও হারেনি, সেই দলটাই ফাইনালে হারবে, এর পক্ষে বাজি ধরবেন আপনি?

পরিসংখ্যান বলুন কিংবা কাকতালীয়, সব তথ্যকেই প্রাসঙ্গিক মনে হবে ব্রাজিল চলতি কোপা আমেরিকার ফাইনালে কলম্বিয়া-আর্জেন্টিনার সেমিফাইনাল থেকে উঠে আসা দলটাকে হারিয়ে দিতে পারলে। ক্যারিয়ারে প্রথম ‘মেজর’ টুর্নামেন্টের ফাইনালে ওঠা নেইমারেরও যে প্রথম ‘মেজর’ শিরোপা জেতা হয়ে যায় তাহলে!

You May Also Like

About the Author: