ব্রাজিলের সাথে ড্র করা ইকুয়েডরকেই ৩ গোল দিল মেসির আর্জেন্টিনা

ইকুয়েডরের বিপক্ষে চেনা রূপে আবির্ভুত হলেন লিওনেল মেসি। দুই সতীর্থকে দিয়ে করালেন দুইটি গোল, শেষ দিকে নিজেও একবার জালে জড়ালেন বল। সবমিলিয়ে স্বস্তির জয়ে শেষ চারে পৌঁছে গেলো আর্জেন্টিনা।

ম্যাচের স্কোরলাইন দেখলে বোঝার উপায় নেই মাঠের খেলার সামগ্রিক অবস্থা। গোলের কথা বিবেচনা করলে আপনি ভাবতেই পারেন প্রভাব বিস্তার করে খেলেছে আর্জেন্টিনা; কিন্ত বাস্তবতা হলো ইকুয়েডরও সমান তালে লড়ে গেছে পুরো ম্যাচ জুড়ে। এই ইকুয়েডরই গ্রুপ পর্বে ব্রাজিলের সাথে ড্র করেছিল।

এদিন দলীয় নৈপুণ্যে আর্জেন্টিনাকে টক্কর দিলেও এক জায়গায় মার খেয়েছে ইকুয়েডর। লিওনেল মেসির ব্যাক্তিগত নৈপুণ্যের কাছে হতাশ হয়েছে লাতিন দলটি। তার তিনটি সুনিপুন মুহূর্তই গড়ে দিয়েছে ম্যাচের ভাগ্য।

যদিও শুরুর দিকে একটি সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেছিলেন লিওনেল মেসি। ইকুয়েডরের ফুটবলারদের ভুলে ফাঁকায় পেয়েছিলেন বল। একটু এগিয়ে তার নেওয়া শট গোলরক্ষককে বোকা বানালেও বাধা পায় গোল পোস্টে। যে কারনে এগিয়ে যাওয়া হয়নি আর্জেন্টিনার।

প্রথমার্ধের শেষ দিকে এসে নিজের ভুল শুধরে নেন মেসি। বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত বুদ্ধিমত্তায় বল বাড়িয়ে দেন ডি পলের উদ্দেশ্যে। ঠান্ডা মাথায় লক্ষ্যভেদ করেন উদিনেসের এই তারকা।
পরে কী দারুণভাবেই না সেটা পুষিয়ে দিয়েছেন তিনি। গোল করেছেন, করিয়েছেন। অধিনায়কের নৈপুণ্যে ইকুয়েডরকে হারিয়ে কোপা আমেরিকার সেমি-ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা

৮৪তম মিনিটে লাউটারো মার্টিনেজকে দিয়েও আরও একটি গোল করান মেসি। এরপর ব্রাজিলের মাটিতে শুরু হয় মেসি ম্যাজিক। রেফারি শুরুতে পেনাল্টির বাঁশি বাজালেও পরে সিদ্ধান্ত বদল করে দেন ফ্রি কিক। খেলার অতিরিক্ত সময়ে (৯২ মিনিট) ক্ষুদে জাদুকর ফ্রি কিককেই পেনাল্টি মনে করলেন কি না কে জানে! তার বুলেট গতির শট জালে জড়ানো আটকাতে পারেননি ইকুয়েডরের গোলরক্ষক।

সেই সাথে বড় জয় নিশ্চিত হয় আর্জেন্টিনার। মোট কথা এক মেসির কাছেই হেরেছে ইকুয়েডরে। যারা কিনা শক্তিশালী ব্রাজিলকেও রুখে দিয়েছিল! তাদের ভক্তরাও হয়তো আফসোসের সুরে বলবে, ইশ! আমাদেরও যদি একটি মেসি থাকতো।

You May Also Like

About the Author: