বাংলাদেশের জন্য বড় হুমকি ব্র্যান্ডন টেইলর

তিন ফরম্যাটের পুর্নাঙ্গ সিরিজ খেলতে বাংলাদেশ এখন জিম্বাবুয়েতে। তিন ফরম্যাটেই সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে রোডেশিয়ানদের দেশে গেছে বাংলাদেশ, তবে মাঠের পরার্ফম্যান্সে জিম্বাবুয়েতে খুব সহজেই টাইগাররা পার পাবে না, সেটাও নিশ্চিত। নিশ্চয়তা দিচ্ছে জিম্বাবুয়ের অভিজ্ঞরা, যার অন্যতম ব্যান্ডন টেইলর।

জিম্বাবুয়ে বর্তমান দলের সবেচেয়ে বেশি রান করা ক্রিকেটার ব্র্যান্ডন টেইলর। হরহামেশাই টেস্ট খেলার সুযোগ না পাওয়ায় টেস্ট ক্যারিয়ারটা দেখতে খুব বেশি সমৃদ্ধ নয়। তেত্রিশ ম্যাচের টেস্ট ক্যারিয়ারে টেইলর ছয় সেঞ্চুরি সহ ২১৪৭ রান করেছেন, গড়টাও মন্দ নয়, প্রায় পঁইয়ত্রিশ। বাংলাদেশের সাথে একমাত্র টেস্টে জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং ইউনিটের সবচেয়ে বড় ভরসা নিঃসন্দেহে টেইলর।

টেইলরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের পরিসংখ্যান সাদামাটা হলেও ফার্স্টক্লাস ক্যারিয়ারে তার আছে বিস্তর অভিজ্ঞতা। ১৩৪ ম্যাচে টেইলরের সেঞ্চুরি ৩২টা আর হাফসেঞ্চুরি ৩৪। ফার্স্টক্লাস ক্যারিয়ারে বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদার লিগ কাউন্টিতেও খেলেছেন নটিংহ্যামশায়ারের হয়ে। পরবর্তীতে দেশের টানে আবার ফিরে এসেছিলেন জিম্বাবুয়েতে।

৭ তারিখ থেকে শুরু হওয়া টেস্টে বাংলাদেশের বোলারদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ অবশ্যই ব্র্যান্ডন টেইলর। টেস্টে বাংলাদেশের বোলারদের ইউনিস-সাঙ্গারা যেখাবে ভুগিয়েছেন, প্রায একই পাল্লায় টেইলরকেও মাপা যায়। ইউনিস খান সাঙ্গাকারাদের মতৈ অন্য সব দলের চেয়ে বাংলাদেশের সাথে টেইলরের গড় ঢের বেশি। টেস্ট পরিসংখ্যান বলছে, টাইগারদের বিপক্ষে হোম বা আ্যওয়ে সমান কার্যকরী ব্যান্ডন টেইলর। ছয়টা টেস্ট সেঞ্চুরির পাঁচটাই বাংলাদেশের বিপক্ষে। যার শেষটা ২০১৮তে বাংলাদেশের ঘরের মাঠেই।

জিম্বাবুয়ের মাঠে টেইলর হয়ে ওঠেন আরও বেশি ভয়ানক। ৭ তারিখ থেকে শুরু হওয়া টেস্টে যা বাংলাদেশের বোলারদের জন্য ভীতিকর তথ্যই বটে! টেইলর হারারাতে বাংলাদেশের সাথে তিন ম্যাচে রান করেছেন ৪৯৫ করেছেন তিন সেঞ্চুরি; একশোরও বেশি গড়ে। টেইলরের টেস্ট রানের প্রায় অর্ধেকই বাংলাদেশের সাথে খেলা এগারো ম্যাচে, সর্বোচ্চ টেস্ট ইনিংসটাও বাংলাদেশেরই বিপক্ষে,

বাংলাদেশের সাথে খেলা বাইশ ইনিংসে টেইলর আউট হয়েছেন আঠারো বার। তিন বার পেসারদের বলে আর বাকি ইনিংসে টেইলরকে ফিরিয়েছেন স্পিনাররাই। পরিসংখ্যানে ভরসা রাখলে একমাত্র টেস্টেও টেইলরকে আউট করার দায়িত্বটাও হয়তো টাইগার স্পিনারদেরই নিতে হবে। তবে বাংলাদেশের পেস ইউনিট সাম্প্রতিক সময়ে ভাল করায় আশাটা করাই যায়।

You May Also Like

About the Author: