অধিনায়কত্ব থেকে বাদ পড়ছেন কোহলি! যা জানালেন সৌরভ

২০১৩ সালে ধোনির নেতৃত্বে ভারত আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত। সেটাই ভারতের শেষ আইসিসি খেতাব। তারপরে টানা ব্যর্থ। কোনো দোষারোপ কিংবা অভিযোগ নয়। বোর্ড সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় টিম ইন্ডিয়ার পাশেই দাঁড়ালেন।

আট বছর আইসিসির ট্রফি খরা কাটানোর সুযোগ এসেছিল বিরাট কোহলির নেতৃত্বাধীন টিম ইন্ডিয়ার কাছে। তবে সেই সুযোগ হেলায় হারিয়েছেন তারকা ক্রিকেটাররা। ফেভারিট হিসাবে খেলতে নেমেও ব্ল্যাক ক্যাপস বাহিনীর কাছে শোচনীয়ভাবে পর্যুদস্ত হয়েছে ইন্ডিয়ান দল। হারের ফলে টানা আট বছর ভারতের ট্রফি ক্যাবিনেট শূন্যই থাকল। ২০১৩ সালে শেষবার আইসিসি টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত।

ধোনির নেতৃত্বে সেবার আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জেতে ভারত। হারের পরেই ক্যাপ্টেন কোহলির মুণ্ডুপাত শুরু হয়ে যায়। অনেকেই অধিনায়ক কোহলিকে সরিয়ে দেওয়ার পক্ষে। তবে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় এখনই নেতৃত্বে বদল আনতে চান না। দ্য উইক- ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সৌরভ বলে দিয়েছেন, “টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওঠার জন্য সকলের অবদান রয়েছে।

ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের হায়েস্ট স্কোরার অজিঙ্কা রাহানে। মহম্মদ শামি এবং ইশান্ত শর্মার অবদানও ভুলে গেলে চলবে না। ইশান্তের মত একশো টেস্ট খেলা মোটেই ছোটখাটো বিষয় নয়। কপিল দেবের পর একমাত্র বোলার হিসাবে ও এই কৃতিত্ব গড়েছে। রোহিত শর্মা, অজিঙ্কা রাহানে, অধিনায়ক বিরাট কোহলির অবদান অনেক। রবিচন্দ্রন অশ্বিন গোটা সফরেই দারুণ ব্যাট করে গিয়েছে।”

সৌরভ জানালেন, ভারত এবং নিউজিল্যান্ড-দুই দলই ফাইনালে খেলার যোগ্য। দ্বিতীয় সংস্করণে কিছু সংযোজন করার পরামর্শও দিয়েছেন মহারাজ। তিনি বলেছেন, “নিউজিল্যান্ড এবং ভারত দুই দলই দুরন্ত ক্রিকেট উপহার দিয়েছে, সেই কারণেই দুই দল ফাইনালে উঠেছে। যোগ্যতা নির্ণয়ের ক্ষেত্রে জয়ের শতকরা হারকে বিচার করা হয়েছে। আশা করছি, পরের বার বেশ কিছু পরিবর্তন হবে।

গত বছর কোভিড পরিস্থিতির জন্য অনেক সিরিজ বাতিল হয়ে গিয়েছিল। পরের বার নির্ঘাত এই বিষয়গুলো খেয়াল রাখা হবে।” সাউদাম্পটনের মেঘলা আবহাওয়ায় ভারত কার্যত নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করেছে নিউজিল্যান্ডের কাছে। টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ভারত ১৪৬/৩ থেকে ২১৭ রানে অলআউট হয়ে যায়। জবাবে ব্যাট করতে নেমে নিউজিল্যান্ড ৩২ রানের কার্যকরী লিড নেয়।

তারপরে দ্বিতীয় ইনিংসেও একইভাবে ভারত মাত্র ১৭০ রানে গুটিয়ে যায়। ১৩৯ রানের টার্গেট অবলীলায় তুলে দেয় কিউয়িরা। আর শোচনীয় হারের পরেই চেতেশ্বর পূজারা, শুভমান গিল, জসপ্রীত বুমরা, অজিঙ্কা রাহানেকে নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। তাঁদের জায়গায় মায়াঙ্ক আগারওয়াল, শার্দুল ঠাকুর, মহম্মদ সিরাজকে খেলানোর দাবি উঠে গিয়েছে।

আপাতত টিম ইন্ডিয়া বেশ কিছুদিন ছুটি কাটিয়ে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ টেস্টের সিরিজ খেলতে নামবে অগাস্ট-সেপ্টেম্বরে।

Related Post

x