জাতীয় দলের হয়ে ১ ম্যাচও খেলনি, হলেন ডিপিএলের সেরা ব্যাটসম্যান

আবাহনী লিমিটেডের টানা তৃতীয় ও রেকর্ড ২১তম লিগ শিরোপা জয়ের মধ্য দিয়ে গতকাল শেষ হয়েছে আলোচিত এবারের ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট।

ডিপিএল মুলত লিস্ট এ টুর্নামেন্ট হলেও সময় সল্পতা, বর্তমান প্রেক্ষাপট ও আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে টি-টোয়েন্টি ফর্মেটে আয়োজন করা হয়।

জৈব সুরক্ষা বলয়ে আরও একটি টুর্নামেন্ট সফল ভাবে আয়োজন করলো বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। করোনা পরিস্থিতি, জৈব সুরক্ষা বলয়, টিভিতে ম্যাচ সম্প্রচার, ফেসবুক লাইভ, আম্পায়ারিং বিতর্কসহ মাঠে ও মাঠের বাহিরের বেশকিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা তৈরি হয়েছিল।

আম্পায়ারিং বিতর্ক, সাকিব আল হাসানের অখেলোয়াড় সুলভ আচরণ, মাহমুদুল হাসান জয়, মুনিম শাহরিয়ার, নুরুল হাসান সোহান, তানভির ইসলাম, মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনদের দুর্দান্ত মাঠের পারফর্মেন্স, সর্বোপরি দলগুলোর হাড্ডাহাড্ডি লড়াই আলাদা মাত্রা দিয়েছে এবারের ডিপিএলকে।

এবারের ডিপিএলের সেরা ব্যাটার ব্রাদার্স ইউনিয়নের মিজানুর রহমান, দল সুপার লিগে জায়গা করে নিতে না পারলেও মাত্র ১১ ম্যাচ খেলেই টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হয়েছেন তিনিই।

টুর্নামেন্টে একমাত্র ৪ শ রান এসেছে মিজানুরের ব্যাট থেকেই, ডিপিএলের প্রথম সেঞ্চুরি ও একমাত্র ব্যাটার হিসেবে ৪ বা তার বেশি ৫০+ রানের ইনিংস খেলেছেন ব্রাদার্স ইউনিয়নের এই অধিনায়ক।

ডিপিএলে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকঃ

১৷ মিজানুর রহমান – ৪১৮

২৷ মাহমুদুল হাসান জয় – ৩৯২

৩৷ নুরুল হাসান সোহান – ৩৮৯

৪৷ মুমিনুল হক – ৩৮৫

৫৷ নাঈম শেখ – ৩৭৫

৬৷ নাজমুল হোসেন শান্ত – ৩৬৮

৭৷ রনি তালুকদার – ৩৬৭

৮৷ সাইফ হাসান – ৩৬৫

Advertisements

৯৷ মোহাম্মদ মিথুন – ৩৬১

Advertisements

১০৷ আনিসুল ইসলাম ইমন – ৩৫৮

ডিপিএলের অলিখিত ফাইনালে প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবকে হারিয়ে ট্রফি ধরে রাখে আবাহনী, গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন।

পুরো টুর্নামেন্টেই বল হাতে ধারাবাহিক ছিলেন আবাহনীর এই পেস বোলিং অলরাউন্ডার, ১৬ ম্যাচে ১৫.৮০ গড়ে ২৬ উইকেট নিয়ে টুর্নামেন্টের সেরা বোলার সাইফুদ্দিনই। টুর্নামেন্টের সেরা ১০ বোলারের ৭ জনই পেসার, সেরা ৩ বোলারের তালিকায় নেই কোন স্পিনার।

ডিপিএলে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারীঃ

১৷ মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন – ২৬

২৷ কামরুল ইসলাম রাব্বি – ২৫

৩৷ শরিফুল ইসলাম – ২২

৪৷ তানভির ইসলাম – ২০

৫৷ মাহেদি হাসান – ১৮

৬৷ মেহেদি হাসান রানা – ১৮

৭৷ জিয়াউর রহমান – ১৮

৮৷ মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ – ১৭

৯৷ রুবেল হোসেন – ১৭

১০৷ মুস্তাফিজুর রহমান – ১৭

Related Post