ব্রেকিং নিউজঃ আশফুলের সর্বোচ্চ রানের ব্যাটিংয়ে হেসে খেলেই দলের জয়

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের সুপার লিগ রাউন্ডে শেখ জামাল ডানমন্ডি ক্লাব মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে। আশরাফুল, সোহান ও তানভির হায়দারের দূর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ১ ওভার হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় শেখ জামাল।

শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের বিপক্ষে আগে ব্যাটিং করে ১৩৩ রান সংগ্রহ করে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। পারভেজ হোসেন ইমন ও শামসুর হোসেন শুভ অর্ধশতকের আশা দেখালেও হতাশ করেছেন। অপরদিকে দুর্দান্ত বোলিং করেছেন মিনহাজুল আবেদীন আফ্রিদি ও এবাদত হোসেন।

শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে মোহামেডানকে আগে ব্যাটিং করার আমন্ত্রণ জানায় শেখ জামাল। প্রথম ওভারেই আব্দুল মজিদকে শিকার করে শেখ জামালকে উইকেট এনে দেন এবাদত।
ইরফান শুক্কুরও সুবিধা করতে পারেননি। ১৮ বলে ১৭ রান করে ফেরেন তিনি। ৩১ রানে ২ উইকেট হারায় মোহামেডান।

তৃতীয় উইকেটে ৬১ রানের জুটি গড়েন পারভেজ হোসেন ইমন ও শামসুর রহমান শুভ। ৩৫ বলে ৪৬ রান করে আফ্রিদির শিকার হন ইমন। ৩ চার ও ৩ ছক্কা ছিল তার ইনিংসটিতে।
ইমন ফিরলেও শামসুর সচল রাখেন মোহামেডানের রানের চাকা। তবে মাহমুদুল হাসান লিমন ১২ বলে ৩ রানের দৃষ্টিকটু ইনিংসে চাপে পড়ে যায় মোহামেডান। লিমনকে বোল্ড করেন এবাদত।

class="tie-appear" src="https://i.imgur.com/Hjjwsnc.jpg" />

ভালো ব্যাটিং করতে থাকা শামসুরকেও শিকার করেন এবাদত। উইকেটটির পরেই শামসুর ও এবাদতের মধ্যে কিছু উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। শামসুরকে দেখা যায় মেজাজ হারাতে। তবে এবাদত নিজেকে সামলে নেন। ৪ ওভারে ১৭ রান দিয়ে ৩টি উইকেট নেন ডানহাতি পেসার।

নির্ধারিত ২০ ওভারে মোহামেডান ৮ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ১৩৩ রান। শেখ জামালের পক্ষে এই টুর্নামেন্ট প্রথম ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েই কাজে লাগিয়েছেন লেগ স্পিনার আফ্রিদি। ৪ ওভারে ২০ রান খরচায় ১টি উইকেট শিকার করেন তিনি। জিয়াউর রহমান ৪ ওভারে ২৯ রান দিয়ে নেন ৩টি উইকেট। নাসির হোসেন ৪ ওভারে ২৪ রান খরচ করলেও কোনো উইকেট পাননি।

১৩৪ রানের টার্গেটে ব্যাটিং নেমে প্রথমেই বড় ধরনের চাপে পরে শেখ জামাল। শূন্য রানে অপেনার সৈকত আলি ফিরলে দলের হাল ধরেন মোহাম্মদ আশরাফুল ও ইমরুল কায়েস।
দুই জন মিলে করেন ৫৫ রানের জুটি। ২৫ রান করে আউট হন ইমরুল কায়েস। তবে অন্য প্রান্ত শক্ত করে আগলে রাখেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক আশরাফুল।

সোহান ও আশরাফুল মিলে ২৯ রানের জুটি করলে শেখ জামাল জয়ের দার প্রান্তে পৌছে যায়। আশরাফুল দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৮ রান করেন। অন্যদিকে সোহান ৩৬ ও তানভির হায়দার ৩২ রান করে অপরাজিত থাকেন।

Related Post