ভরপুর উত্তেজনার মাঝে এক স্মরণীয় জয় তুলে নিলো মুশফিকরা

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে আজ গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের বিপক্ষে ১ উইকেটে জয় লাভ করেছে আবহনী লিমিটেড। টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে আবহনী লিমিটেডের বিপক্ষে সবকয়টি উইকেট হারিয়ে ১৩০ রান সংগ্রহ করে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স। জবাবে ব্যাট করতে নেমে এক বল হাতে রেখে এক উইকেটে জয় লাভ করে আবহনী লিমিটেড।

টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই মেহেদী হাসানের উইকেট তুলে নেন মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন। ৩ রান করে মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনের বলে প্যাভিলিয়নে ফেরেন তিনি। যদিও এরপর জাকির হাসানকে সাথে নিয়ে ঘুরে দাঁড়ায় সৌম্য সরকার। দলীয় ৫৩ রানের মাথায় সৌম্য সরকারকে প্যাভিলিয়নে ফেরেন মোসাদ্দেক হোসেন। ২৪ বলে দুইটি চার এবং দুটি ছক্কার সাহায্যে ৩০ রান করেন সৌম্য সরকার। ইনিংসে বড় করতে পারেননি জাকির হাসান।

তানজিদ হাসান সাকিবের প্রথম শিকার হয়ে ২৭ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন তিনি। তবে দলীয় ৯৪ রানের মাথায় জোড়া উইকেট তুলে নেন মেহেদি হাসান রানা। ১৬ রান করা অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ এবং ০ রানে প্যাভিলিয়নে ফেরান আরিফুল হককে।

class="tie-appear" src="https://i.imgur.com/Hjjwsnc.jpg" />

এরপর জোড়া উইকেট তুলে নেন মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন। ১২ রান করা ইয়াসির আলীর দুর্দান্ত একটি ক্যাচ ধরেন লিটন দাস একই ওভারে ০ রানে প্যাভিলিয়নের ফেরান আকবর আলীকে। শেষের দিকে পাঁচটি চার মেরে ১২ বলে ২৫ রান করে মেহেদি হাসান রানার বলে আউট হন মমিনুল হক।

দলীয় ১৩০ রানের মাথায় নাসুম আহমেদ উইকেট তুলে নেন মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন। শেষ ওভারে মাহিদুল ইসলাম মুগ্ধ উইকেট তুলে নেন শাকিব। ১৮ রানের বিনিময় চারটি উইকেট লাভ করেন মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন। ৩২ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন মেহেদি হাসান রানা।

১৩১ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ২৯ রানের মাথায় দুই ওপেনারকে হারায় আবাহনী লিমিটেড। ০ রানেই মুনিম শাহরিয়ারকে প্যাভিলিয়নে ফেরেন নাসুম আহমেদ। ১৭ বলে ২২ রান করে মেহেদী হাসানের বলে প্যাভিলিয়নে ফেরেন লিটন দাস। নাজমুল হাসান শান্তকে সাথে নিয়ে চাপ সামাল দিচ্ছিলেন মুশফিকুর রহিম।

তবে দলীয় ৬০ রানের মাথায় মাকিদুল ইসলাম মুগ্ধ জোড়া উইকেট তুলে নিলে চাপে পড়ে আবাহনী লিমিটেড। ১২ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন মুশফিকুর রহিম এবং ০ রানে প্যাভিলিয়নে ফেরেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। তবে ৪ রান পরে মহাম্মদ নাইম শেখ আউট হলে আরো বড় ধরনের চাপে পড়ে আবাহনী লিমিটেড।

২ রান করা মোহাম্মদ নাঈমের উইকেট তুলে নেন মেহেদী হাসান। তবে মাকিদুল ইসলাম মুগ্ধর করা ১৭তম ওভারে ২১ রান তুলে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন আফিফ হোসেন এবং নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে পরের ওভারেই জোড়া উইকেট তুলে নিয়ে আবারও ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। তুলে নেন দুই গুরুত্বপূর্ণ আফিফ হোসেন এবং সাইফুদ্দিনের উইকেট।

দলীয় ১১৩ রানের মাথায় ১৪ রান করা আফিফ হোসেন এবং ০ রানে মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনকে প্যাভিলিয়নে ফেরেন মাহমুদুল্লাহ। পরের ওভারেই হাফ সেঞ্চুরি করা নাজমুল হোসেন শান্ত উইকেট তুলে নেন মাকিদুল ইসলাম মুগ্ধ। ৪৯ বলে চারটি চার এবং দুটি ছক্কা সাহায্যে ৫৮ রান করে আউট হন নাজমুল হোসেন শান্ত।

শেষ ওভারে জয়ের জন্য আবাহনী লিমিটেডের প্রয়োজন ছিল ৯ রানে। প্রথম বলেই চার মেরে খেলা জমিয়ে দেন মেহেদি হাসান রানা। পরের বলে দুই রান নিতে গিয়ে রান আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন মেহেদি হাসান রানা। চতুর্থ বলে এক এবং ওভারের পঞ্চম বলে দুই রান নিয়ে ম্যাচ নিশ্চিত করেন তানজিদ হাসান সাকিব। ৪ ওভারে ১৯ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ।

Related Post