নাইম কিংবা সৌম্য নয় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তামিমের ওপেনিং পার্টনার হচ্ছেন যিনি

আর মাত্র হাতে গোনা কয়েকদিন পরই টাইগাররা পাড়ি জমাচ্ছে জিম্বাবুয়েতে। রোডিশিয়দের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট ম্যাচ ছাড়াও খেলবে তিন ম্যাচের একটি ওয়ানডে সিরিজ ছাড়াও খেলবে তিন ম্যাচের একটি টি-২০ সিরিজও।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে লম্বা সময়ের এই সফরকে ঘিরে টাইগারদের বহর কিছুটা বড় হবে এমনটা ভাবা অমূলক হবে না। তবে বহর যত বড়ই হোক না কেন পারফর্মার যাচ্ছেন কারা সেটা একবার দেখে নেয়া যাক।

ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে তামিম ইকবালের সাথ ইনিংস উদ্বোধন করতে নেমেছিলেন লিটন দাস। প্রথম ম্যাচে খালি হাতে ফেরা লিটন দ্বিতীয় ম্যাচে করেন মাত্র ২৫ রান, যা তার নামের সাথে বড্ড বেমানান! ডানহাতি এই ব্যাটসম্যানকে তাই শেষ পর্যন্ত ছাটাই করা হয়েছিল একাদশ থেকে।

লিটনের বিকল্প হিসেবে তরুণ ব্যাটসম্যান নাইম শেখের উপর আস্থার সবটুকু ঢেলে একাদশে রাখে টিম ম্যানেজমেন্ট, তবে সেই আসার গুড়ে বালি করে শূন্য রানেই থামে তার পারফম্যান্স।

জিম্বাবুয়ে সিরিজে তাই ওপেনিং পজিশনে কে হচ্ছেন তামিমের যোগ্য সঙ্গী সেই কল্পনা যখন তুঙ্গে, তখন আশার বাণী শোনাচ্ছে লিটন দাসের সর্বোচ্চ রানের ইনিংস যা ছিল গত বছরে। ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে লিটন দাসের ১৭৬ রানের ব্যক্তিগত ইনিংসের রেকর্ড এখনও ঝলমলে। বর্তমানে লিটনের ব্যাট মলিন হলেও দ্রুতই এতে শাণ দিবেন তিনি এমনটা আশা টিম ম্যানেজমেন্টের।

টাইগারদের আরেক হতাশার নাম ৫ নম্বর পজিশন। মিডল অর্ডারে যেখানে দরকার একজন পাকা ব্যাটসম্যান তখন কাঁচা পারফরম্যান্স করা মিথুনকে বরাবরই নামানো হয়েছে এই পজিশনে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এক ম্যাচে মোসাদ্দেকের ব্যাট থেকে এসেছে অর্ধশতক, পজিশনটাও ছিল সেই পাঁচ। তাই জিম্বাবুয়ে যাওয়ার বিমানে সিটটা যে খালিই থাকছে মোসাদ্দেকের জন্য তা একপ্রকার নিশ্চিত।

প্রসঙ্গত, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট ম্যাচটি শুরু হবে আগামী ৭ জুলাই। এরপর ১৬, ১৮ এবং ২০ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে ওয়ানডে সিরিজের তিনটি ম্যাচ। সর্বশেষ তিনটি টি-২০ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ২৩, ২৫ ও ২৭ জুলাই।

সংশ্লিষ্ট খবর

Leave a Comment