ব্রেকিং নিউজঃ তামিম করলেন ১৮৮, গড়লেন নতুন রেকর্ড

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে ব্যাট হাতে দারুণ শুরু পেয়েছেন প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবের ওপেনার তামিম ইকবাল, বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের বিপক্ষে ২২ বলে ২ চার ও ৫ ছক্কায় ৪৬ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন তিনি।

গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের বিপক্ষে মারা ৫ ছক্কা দিয়েই বর্তমান আইসিসি টি-টোয়েন্টি র‍্যাংকিংয়ের ১ নম্বর ব্যাটার ইংলিশ ওপেনার ডেভিড মালানকে স্পর্শ করেছেন তামিম ইকবাল

স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে এখন দুজনেরই ছক্কার সংখ্যা ১৮৮, ম্যাচের সংখ্যার দিকে দিয়ে এগিয়েও তামিম ইকবালই।

টি-টোয়েন্টিতে দ্রুত রান তুলতে ব্যাটারদের সব চেয়ে বড় অস্ত্র হচ্ছে ছক্কা, এই কাজে যে তামিম বেশ পটু সেটা পরিসংখ্যানই বলে দিচ্ছে। ১৮৮ ছক্কা মারতে তামিমের লেগেছে ২১৯ ম্যাচ, একই সংখ্যক ছক্কা মারতে তামিমের চেয়ে ১০ টি ম্যাচ বেশি খেলতে হয়েছে ডেভিড মালানের, তার ম্যাচ সংখ্যা ২২৯।

ছক্কা মার‍তে যে পিঞ্চ হিটার বা ফিনিশার হতে হয় না সেটাও প্রমাণ করে চলেছেন তামিম। বর্তমানে বিধ্বংসী ব্যাটার খ্যাতি পাওয়া হার্দিক পান্ডিয়া, রিশাভ পান্ত, রাইলি রুশো, শ্রেয়াস আয়াররাও ছক্কার সংখ্যার দিক থেকে পিছিয়ে আছে। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে রুশোর ছক্কা ১৭৩, শ্রেয়াস আয়ারের ১৬৬, হার্দিক পান্ডিয়ার ১৬০ ও রিশাভ পান্তের ১৫৮ টি।

বিকেএসপিতে তামিম খেললেন ৫ ছক্কায় ২২ বলে ৪৬ রানের ইনিংস। গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সকে ৭ উইকেটে হারিয়ে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ টি-টোয়েন্টি অভিযান শুরু করল প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব।

১২ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে মাহমুদউল্লাহর গাজী গ্রুপ করতে পারে ৫ উইকেটে ৯১ রান। তামিমের সৌজন্যে প্রাইম ব্যাংক অনায়াসেই জিতে যায় ১৬ বল বাকি রেখে।
গত বছর এক রাউন্ড হয়েই স্থগিত হওয়া লিগে প্রাইম ব্যাংককে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তামিম। এবার নতুন করে শুরু হওয়া পুরনো লিগে দলটি খেলছে নতুন অধিনায়ক এনামুল হকের নেতৃত্বে।

এনামুলকে নিয়েই রান তাড়া শুরু করেন তামিম। প্রথম ওভারে বাঁহাতি স্পিনার নাসুমকে বাউন্ডারি মারেন এনামুল, ওই ওভারেই তামিম শুরু করেন ছক্কায়। তবে মেহেদি হাসানের অফ স্পিনে সুইপ করার চেষ্টায় এলবিডব্লিউ হয়ে এনামুল বিদায় নেন দ্বিতীয় ওভারেই।

দলকে অবশ্য সেই চাপ অনুভব করতে দেননি তামিম। নাসুমকে সুইপ করে ছক্কায় ওড়ান তিনি। তিনে নামা রনি তালুকদার টানা দুই বলে ছক্কা মারেন বাঁহাতি পেসার নাহিদ হাসানকে। প্রথমটি পুল করে, পরেরটি এক্সট্রা কাভার দিয়ে ইনসাইড আউটে। অফ স্পিনার সঞ্জিত সাহাকে মাথার ওপর দিয়ে ছক্কায় পাঠান তামিম। ৬ ওভারেই ৫০ হয়ে যায় দলের।
পরে মুকিদুল ইসলামের এক ওভারে ছক্কা ও চারে দলকে জয়ের দিকে এগিয়ে নেন তামিম। নিজের পঞ্চম ছক্কাটি পান তিনি মেহেদির বলে লং অন দিয়ে।

তামিমকে ফিফটি পেতে দেননি এই মেহেদিই। ছক্কার পরের বলেই আবার ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে ওড়ানোর চেষ্টায় স্টাম্পড হয়ে যান বাঁহাতি ওপেনার।
জয়ের কাছে গিয়ে রনি তালুকদার আউট হয়ে যান ১৯ বলে ২৫ করে। পরে মোহাম্মদ মিঠুনের ছক্কা ও রকিবুল হাসানের বাউন্ডারিতে প্রাইম ব্যাংক জেতে হেসেখেলেই।

সংশ্লিষ্ট খবর

Leave a Comment