৩য় ম্যাচ বাজে ভাবে হারের পর রেগে গিয়ে সরাসরি যাদের দোষ দিলেন তামিম ইকবাল

বরবারের মতোই সিনিয়র ক্রিকেটারদের কাঁধে চেপে সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ। শেষ ম্যাচে যখনই সিনিয়রদের ব্যাট থেকে বড় ইনিংস আসেনি, দলও পড়েছে মুখ থুবড়ে তবুও তরুণ ক্রিকেটাররা পাশেই পাচ্ছেন অধিনায়ককে। তামিম ইকবালের মতে তরুণরা পারফর্ম করা শুরু করলেই দল আরও ভালো হবে।

সিরিজের প্রথম ম্যাচে তামিম ৫২, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ৫৪ ও মুশফিকুর রহিম ৮৪ রান করেছিলেন। বাংলাদেশ ম্যাচটি জিতেছিল ৩৩ রানের ব্যবধানে।

দ্বিতীয় ম্যাচে সেঞ্চুরি আসে মুশফিকুর রহিমের ব্যাট থেকে। তিনি করেন ১২৫ রান। আর কোনো ফিফটি না আসলেও রিয়াদের ব্যাট থেকে আসে ৪১ রান। এই ম্যাচটি বাংলাদেশ জিতেছিল ১০৩ রানের বড় ব্যবধানে।

সিরিজের শেষ ম্যাচটিতে ব্যর্থ হয়েছেন তামিম, মুশফিক ও সাকিব আল হাসান। রিয়াদের ব্যাট থেকে এসেছে ৬৩ বলে ৫৩ রান। সিনিয়রদের বাইরে কেবল মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের ব্যাট থেকে এসেছে ফিফটি।

থিতু হয়ে ৭২ বলে ৫১ রান করে আর ইনিংস বড় করতে পারেননি। তবে মোসাদ্দেককে একেবারে তরুণ বললে ভুলই হয়, কারণ ২৫ বছর বয়সী এই ক্রিকেটারও ৫ বছর ধরে জাতীয় দলের সাথে আছেন।

Advertisements
Advertisements

প্রথম দুই ম্যাচেই রান পেয়ে বাদ পড়েছেন লিটন দাস। তিনিও জাতীয় দলের সাথে আছেন প্রায় ৭ বছর ধরে। এই ম্যাচে একেবারে নতুনদের ভেতর ছিলেন কেবল মোহাম্মদ নাঈম শেখ ও আফিফ হোসেন ধ্রুব।

আফিফ সিরিজের প্রথম ম্যাচে ভালো করলেও পরের দুই ম্যাচে সামর্থ্যের প্রমাণ দিতে পারেননি। নাঈম এক ম্যাচে সুযোগ পেয়ে কাজে লাগাতে ব্যর্থ হলেন।

এসবের ফলস্বরূপ বড় ব্যবধানে তৃতীয় ম্যাচটিতে বড় ব্যবধানে হারতে হলো বাংলাদেশকে। তরুণ ব্যাটসম্যানদের ধারাবাহিকতা ও ম্যাচ জেতানো পারফরম্যান্স করতে না পারা নিয়ে বাংলাদেশের আক্ষেপ নতুন নয়। তারপরও তাদেরকেই সমর্থন দিলেন তামিম।

ম্যাচ শেষে তামিম বলেন, ‘ সিনিয়রদের ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করতে হওয়া অবশ্যই দুশ্চিন্তার বিষয়। কিন্তু আমি সবসময়ই তরুণ ক্রিকেটারদের পাশে দাঁড়াই, কারণ আমি মনে করি না যে তারা চেষ্টা করছে না। শুধু এটাই যে, তারা রান করা শুরু করলেই দলের জন্য ভালো হবে।’

Related Post