আইসিসি র‌্যাঙ্কিংয়ে মিরাজের চেয়ে বড় লাফ দিলেন মোস্তাফিজ

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দারুণ বোলিংয়ের পুরস্কার পেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। আইসিসি ওয়ানডে বোলার র‌্যাংকিংয়ে তিনি এখন দুই নম্বরে। সতীর্থ মোস্তাফিজুর রহমানও পেয়েছেন স্বীকৃতি। তিন ধাপ এগিয়ে ক্যারিয়ার সেরা র‌্যাংকিংয়ে মিরাজ।

তৃতীয় বাংলাদেশি বোলার হিসেবে মিরাজ শীর্ষ দুইয়ে জায়গা করে নিলেন। ২০০৯ সালে সাকিব আইসিসি বোলিং র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষস্থানে ছিলেন। পরের বছর আব্দুর রাজ্জাক দ্বিতীয় স্থানে উঠেন। মিরাজ দুই ম্যাচেই দারুণ বোলিং করেছেন। প্রথম ম্যাচে ছিলেন সেরা উইকেট সংগ্রাহক। এ দিন মিরাজ ১০ ওভারে মাত্র ৩০ রান দিয়ে নেন ৪ উইকেট। বাংলাদেশ জেতে ৩৩ রানে। দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও ধারবাহিক এই স্পিনার। ২৮ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট।

সিরিজ শুরুর আগেই তামিম ইকবাল আস্থা প্রকাশ করেছিলেন মিরাজের সামর্থ্যের প্রতি। প্রথম ম্যাচ থেকেই তার প্রতিদান দিচ্ছেন ঘূর্ণিতে। প্রথম ম্যাচের চার উইকেটের মধ্যে তিনটি উইকেটই নিয়েছেন বোল্ড করে। শুরু থেকেই তার বোলিংয়ে তটস্থ ছিল শ্রীলঙ্কা। দ্বিতীয় ম্যাচেও একই ভানে নাজেহাল করেছেন সফরকারীদের। বোলারদের এই র‌্যাঙ্কিংয়ে মিরাজের চেয়ে বড় লাফ দিয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান।

৮ ধাপ উন্নতি ঘটিয়ে শীর্ষ দশে উঠে এসেছেন বাঁহাতি এ পেসার। সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৩৪ রানে ৩ উইকেট নেওয়ার পর দ্বিতীয় ম্যাচে ১৬ রানে ৩ উইকেট নেন তিনি। র‌্যাঙ্কিংয়ের নয়ে উঠে এসেছেন মোস্তাফিজ। র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ দশে বাংলাদেশের আর কেউ নেই। নতুন এই র‌্যাঙ্কিংয়ে মোস্তাফিজের রেটিং পয়েন্ট ৬৫২। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে র‌্যাঙ্কিংয়ের পাঁচে উঠে এসেছিলেন তিনি—র‌্যাঙ্কিংয়ে এটাই তাঁর সেরা সাফল্য।

৭৩৭ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে ওয়ানডে বোলারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে নিউজিল্যান্ডের পেসার ট্রেন্ট বোল্ট। মিরাজের চেয়ে ১৭ রেটিং পয়েন্ট পিছিয়ে তৃতীয় আফগানিস্তানের স্পিনার মুজিব উর রহমান। এরপর যথাক্রমে নিউজিল্যান্ডের পেসার ম্যাট হেনরি (৬৯১ রেটিং পয়েন্ট), ভারতের পেসার যশপ্রীত বুমরা (৬৯০ রেটিং পয়েন্ট) ও দক্ষিণ আফ্রিকার পেসার কাগিসো রাবাদা (৬৬৬ রেটিং পয়েন্ট)।

সংশ্লিষ্ট খবর

Leave a Comment