বল হাতে জ্বলে উঠেছে মিরাজ, ৫ উইকেট হারিয়ে ধুকছে শ্রীলঙ্কা

তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে আগে ব্যাট করে লঙ্কান লয়ানদের ২৫৮ রানের লক্ষ্য ছুঁড়ে দেয় বাংলার টাইগাররা। অধিনায়ক তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহর ফিফটিতে ৬ উইকেটে এই রান সংগ্রহ করে স্বাগতিকরা।

জবাবে মিরাজের দারুণ নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে শুরু থেকেই উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কানরা। মিরাজ ৭ ওভারে মাত্র ১৪ রান দিয়ে নিয়েছেন ৩ উইকেট। এছাড়া সাকিব ও মোস্তাফিজ একটা করে উইকেট নিয়েছেন।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ ২৩.১ ওভারে ৫ উইকেটে ৯৭ রান।

মিরপুরে টস জিতে ব্যাটিং করতে নেমে ইনিংসের শুরুতেই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। রানের খাতা খোলা আগে বিদায় নেন ওপেনার লিটন দাস। ‍দুষ্মন্ত চামিরার করা ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে স্লিপে দাঁড়ানো ধনাঞ্জয়ার হাতে বন্দী হন তিনি।

দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলে ফেরাটা ব্যাটিংয়ে স্মরণীয় করে রাখতে পারেননি সাকিব আল হাসানও। ইনিংসের ১২.১ ওভারে নিশানকার করা বল মাথার ওপর দিয়ে মারতে গিয়ে লং-অনে দাঁড়ানো গুনাতিলাকার হাতে বন্দী হন তিনি। ৩৪ বলে ২ চারে মাত্র ১৫ রান করেন টাইগার অলরাউন্ডার।

তবে একদিক আগলে রেখে দারুণ ব্যাটিং করে ওয়ানডেতে ৫১তম ফিফটি তুলেন নেন অধিনায়ক তামিম ইকবাল। যদিও ফিফটি উদ্‌যাপনের পর বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পারেননি তিনি। ধনাঞ্জয়া ডি সিলভার বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়ে ৫২ রান করে সাজঘরে ফেরেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক-ওপেনার।

তার বিদায়ের পরের বলেই মোহাম্মদ মিঠুনকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে ডাক উপহার দেন ধনাঞ্জয়া। ৯৯ রানে ৪ উইকেট হারানো বাংলাদেশকে টেনে তুলেন মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। দুজনের শতরানের জুটিতে বড় ভিত্তি পায় বাংলাদেশ। ৫২ বলে অসাধারণ ফিফটি তুলে নিয়ে শতকের দিকে এগুচ্ছিলেন মুশফিকুর রহিম। কিন্তু ৮৭ বলে ৮৪ রানেই থামতে হয় তাকে।

এরপর ইনিংসে বাংলাদেশের হয়ে তৃতীয় ফিফটি তুলে নেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তামিমের মতো উদযাপনের আগেই ফিরতে হয় তাকেও। ৭৬ বলে ৫৪ রান করে ফেরেন তিনি। শেষদিকে আফিফের অপরাজিত ২২ বলে ২৭ ও সাইফুদ্দীনের অপরাজিত ৯ বলে ১৩ রানে ৬ উইকেটে ২৫৭ রানে থামে বাংলাদেশ।

সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ
বাংলাদেশ: ৫০ ওভারে ২৫৭/৬(মুশফিকুর রহিম ৮৪, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ৫৪, তামিম ইকবাল ৫২; ডি সিলভা ৩/৪৫, চামিরা ১/৩৯)

সংশ্লিষ্ট খবর

Leave a Comment