এইমাত্র পাওয়া : আইপিলের বাকি অংশ না খেলেই চ্যাম্পিয়ান হলো কোহলির ব্যাঙ্গালুর!

কয়েক সপ্তাহ ধরে ভারতে ক’রো’নার ঢেউ ভ’য়া’বহ চে’হারা ধারণ করেছে। প্রতিদিন গড়ে তিন হাজার মানুষ মা’রা যাচ্ছেন, আ’ক্রা’ন্ত হচ্ছেন তিন লাখের বেশি। মুম্বাই, দিল্লি, কলকাতা, বেঙ্গালুরুসহ ভারতের বড় শহরগুলোই ক’রো’নায় জেরবার।

আইপিএলের ভেন্যুও এই শহরগুলোতেই। এমন একটা পরিস্থিতিতে আইপিএল চালিয়ে যাওয়া নিয়ে ভারতজুড়ে ব্যাপক সমালোচনা ছিল। গত ২৯ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবার পর আইপিএলের জৈব সুরক্ষা বলয়ে ঢুকে পড়ে করোনাভাইরাস।

তাতেই আর খেলা চালিয়ে নেয়া সম্ভব হয়নি। তাই একপ্রকার বাধ্য হয়েই আইপিএল স্থগিত ঘোষনা করা হয়। অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য আসর বন্ধ করা হলেও থেমে নেই এবারের আসরে কোন দল চ্যাম্পিয়ন হত এই গবেষণা। তবে কারা হত?

এতদিন পর তাঁর স্বস্তি। শেষ পর্যন্ত তাঁর দল আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হল! ভারতীয় দলের জার্সি গায়ে তাঁর একের পর পর এক রেকর্ড। জাতীয় দলের অধিনায়ক হিসাবে তাঁকে সফল বলাই যায়। কিন্তু আইপিএল খেলতে এলে কোহলির যে কী হয়!

প্রতিবার শক্তিশালী দল গড়ে আরসিবি। কিন্তু কোনওবারই ট্রফি ছুঁয়ে দেখা হয় না তাঁর। প্রতিবার আইপিএল থেকে গোমরা মুখেই বাড়ি ফিরতে হয় কোহলিকে। এবার আইপিএল মাঝপথে বন্ধ। তবুও হিসেব বলছে, আইপিএল ২০২১ চ্যাম্পিয়ন আরসিবি। এবার আইপিএলের খেতাব ঘরে তুলত, যদি টুর্নামেন্ট শেষ হত! টুর্নামেন্ট এবার শেষ করা যায়নি।

যদি টুর্নামেন্ট শেষ হত তা হলে এবার চ্যাম্পিয়ন আরসিবি! আসলে একজন রেডিট ইউজার পাইথন প্রোগ্রামিংয়ের মাধ্যমে আইপিএলের সিমুলেশন তৈরি করেছেন। সেখানেই হিসাবে অনুযায়ী এবারের আইপিএল চ্যাম্পিয়ন আরসিবি। আসলে তথ্য ও পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে কোনও কিছুর ভবিষ্যত কী হতে পারে তা নির্ধারণ করা হয় এই প্রোগ্রামিংয়ের মাধ্যমে।

এবার আইপিএল ফাইনালে দিল্লি ক্যাপিটালসকে হারিয়ে আরসিবি চ্যাম্পিয়ন হত বলে জানিয়েছে সেই হিসেব। আদিশ জৈন নামে একজন আরসিবির সমর্থক এই হিসাবে কষেছেন। তিনি রেডিটে সেই হিসেব জানিয়েছেন। এবার আইপিএলে দুরন্ত শুরু করেছিল আরসিবি।

ফলে এবার আইপিএলের শেষে আরসিবি চ্যাম্পিয়ন হলেও কিন্তু অবাক হওয়ার মতো কিছু থাকত না। এদিকে, এবার দিল্লি ক্যাপিটালসও ভাল পারফর্ম করছিল শুরু থেকেই। দিল্লির দুই ওপেনার শিখর ধাওয়ান ও পৃথ্বী শ দুরন্ত ফর্মেও ছিলেন। ফলে তাদেরও ফাইনাল খেলার যথেষ্ট সম্ভাবনা ছিল।

আদিশ জৈন নামের সেই আরসিবি সমর্থক বলেছেন, আইপিএলের পুরো মরশুম খেলা হলে কী হতে পারত তার আন্দাজ করেছিল পাইথন প্রোগ্রামিংয়ের মাধ্যমে। পুরনো তথ্য, পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে সেই হিসেব করেছি।

বেশ কয়েকটি ম্যাচের স্কোরকার্ড, বোলিং পরিসংখ্যানও আমাকে সাহায্য করেছে। আরসিবি ভক্তদের এটা দারুন পছন্দ হবে বলেই আশা করি। ব্যাটসম্যানদের গত পাঁচ বছরের রানের পরিসংখ্যান বিচার করেছি।

কোন উইকেটে কে ভাল খেলে তারও তথ্য দেখেছি। সব হিসাব করে দেখেছি টুর্নামেন্ট শেষে ২২ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থাকবে আরসিবি। দিল্লি হত রানার্স। তিন নম্বরে থাকত চেন্নাই সুপার কিংস। তা ছাড়া আরসিবি এবার দুর্দান্ত ফর্মেও ছিল।

সংশ্লিষ্ট খবর

Leave a Comment