ইংল্যান্ড ও শ্রীলংকায় একই সঙ্গে ভারতীয় দু’টি আলাদা দল খেলবে

আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের পর ভারতীয় দল শ্রীলঙ্কা সফরে উড়ে যাবে ৩টি ওয়ান ডে ও ৩টি টি-২০ ম্যাচের দু’টি সীমিত ওভারের সিরিজ খেলতে। বিসিসিআইয়ের তরফে নিশ্চিত করা হয় সফরসূচি। বোর্ড সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় অবশ্য প্রাথমিকভাবে ৩টি ওয়ান ডে ও ৫টি টি-২০’র কথা জানিয়েছিলেন।

ওয়ান ডে ম্যাচগুলি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ১৩, ১৬ ও ১৯ জুলাই। টি-২০ ম্যাচগুলি খেলা হবে ২২, ২৪ ও ২৭ জুলাই। যদিও এখনও ম্যাচকেন্দ্র চূড়ান্ত করা হয়নি। সৌরভ এটা স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, শ্রীলঙ্কা সফরের জন্য সীমিত ওভারের বিশেষজ্ঞ ক্রিকেটারদের নিয়ে আলাদা দল গড়া হবে। কেননা, সেই সময় বিরাট কোহলির নেতৃত্বাধীন টেস্ট দল থাকবে ইংল্যান্ডে। দু’টি সফরে দু’টি আলাদা দলের প্রসঙ্গ উত্থাপিত হতেই পুনরায় মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে দীর্ঘদিনের এক বিতর্ক।

যেহেতু আয়োজক দেশের কাছে আন্তর্জাতিক সিরিজ বাণিজ্যিক দিক দিয়েও গুরুত্বপূর্ণ, সেক্ষেত্রে দ্বিতীয় সারির দল পাঠানো কতটা যুক্তিযুক্ত বলে গুঞ্জন উঠতে শুরু করেছে। যদিও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে একই দেশের একই সঙ্গে দু’টি আলাদা সিরিজের জন্য দু’টি আলাদা দল নির্বাচন করার নজির আগেও রয়েছে। এমনকি ভারতও এর আগে একই সঙ্গে দু’টি দলকে দু’টি টুর্নামেন্ট খেলতে পাঠিয়েছে। ১৯৯৮ সালে কুয়ালালামপুরে কমনওয়েলথ গেমসের জন্য একটি দল নির্বাচন করে ভারত।

class="tie-appear" src="https://i.imgur.com/Hjjwsnc.jpg" />

সেই সঙ্গে কানাডায় সাহারা কাপের জন্য অন্য একটি দল গড়ে নেওয়া হয়। এর আগে একদিনের ব্যবধানে অস্ট্রেলিয়ার একটি দল ভারতে টেস্ট খেলতে নামে, অন্য একটি দল ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে মুখোমুখি হয়। এমনকি কিছুদিন আগেই ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের জন্য একটি দল গড়ে এবং সেই সঙ্গে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সীমিত ওভারের সিরিজের জন্য আরেকটি। যদিও অজিদের দক্ষিণ আফ্রিকা সফর শেষমেশ বাতিল হয়।

তবে টেস্ট দলের কোনও তারকাকে সীমিত ওভারের দলে ফিরিয়ে নেওয়া হয়নি। গত বছর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে দু’টি টেস্টের মাঝে ইংল্যান্ডের সম্পূর্ণ আলাদা দল আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওয়ান ডে সিরিজ খেলে। এক্ষেত্রে অনেকেই মেনে নিচ্ছেন যে, ভারত, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ডের মতো দলগুলির রিজার্ভ বেঞ্চ যতটা শক্তিশালী, তাতে অনায়াসে লাল বল ও সাদা বলের ক্রিকেটের জন্য আলাদা দল গড়ে নেওয়া যায়। বড় দলগুলি সারা বছর এতটাই ব্যস্ত থাকে যে,

সহযোগী দেশগুলির সঙ্গে ক্রিকেট খেলার ফুরসত হয় না তাদের। যদি টেস্ট খেলিয়ে বড় দেশগুলির দ্বিতীয় সারির দলও সহযোগী দেশগুলির সঙ্গে সীমিত ওভারের সিরিজ খেলে, তবে সেটা ক্রিকেটের উন্নতিতে সাহায্য করবে বলেই বিশ্বাস বিশেষজ্ঞদের

Related Post