ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে পাকিস্তান

২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে ভারতে। এরপর ২০২৩ বিশ্বকাপের ভেন্যু হিসেবেও দেশটিকে নির্ধারণ করা হয়েছে। এদিকে রাজনৈতিক বৈরিতায় অনেক বছর ধরেই ভারতে দ্বীপাক্ষিক কোনও সিরিজ খেলতে যায় না পাকিস্তান। এই দুই বিশ্বকাপে খেলার জন্য ভারতে যাওয়ার ভিসা পাবে কিনা পাকিস্তানী ক্রিকেটাররা তাও এখনো নিশ্চিত নয়।

যদিও ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল থেকে ইতিবাচক সাড়াই পেয়েছে পাকিস্তান। ভারত সরকারের কাছ থেকে মিলেছে মৌখিক অনুমতি। এখন শুধু অপেক্ষা লিখিত অনুমতির। তবুও বসে নেই পাকিস্তান। ভারতের মাটিতে ভালো খেলার কৌশল রপ্ত করতে ব্যস্ত বাবর আজমের দল। এমনটাই জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধান কোচ মিসবাহ উল হক। ভারতের উইকেট বরাবরই স্পিন সহায়ক। এখানে যে দল ভালো স্পিন বোলিং অ্যাটাক নিয়ে খেলতে পারবে বা স্পিন বল মোকাবেলা করবে তাদের জয়ের সম্ভাবনাই থাকে বেশি।

এটা অজানা নয় মিসবাহরও। তাইতো ভারতে আসন্ন দুই বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে সেভাবেই প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা। এ প্রসঙ্গে মিসবাহ বলেন, ‘স্পিনের বিপক্ষে আমাদের ব্যাটিংয়ের উন্নতি করতে হবে এবং আমরা এটি নিয়ে কাজ করছি। যদি ভারতে আমাদের পরের কয়েকটা বিশ্বকাপ খেলতে হয়, তাহলে সেখানে হার-জিত নির্ভর করবে আপনি কীভাবে স্পিন বল করবেন এবং কীভাবে আপনি স্পিন বলকে মোকাবেলা করবেন।’

দীর্ঘ ৮ বছর পর দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে ওয়ানডে সিরিজ জিতেছে পাকিস্তান। ২০১৩-১৪ সালের পর এখানে চার দফায় এবারই প্রথম তাদের ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জয়। এই জয়ের পিছনে দলের টপ অর্ডার ও তরুণ পেসারদের কৃতিত্ব দিচ্ছেন মিসবাহ। এ ছাড়া অদিনায়ক বাবরেরও প্রশংসা করেছেন তিনি। মিসবাহ বলেন, ‘পাকিস্তান ক্রিকেটের পক্ষে এটি একটি ভালো জিনিস। পেস এবং বাউন্সের ক্ষেত্রে সেঞ্চুরিয়ান এবং ওয়ান্ডারার দক্ষিণ আফ্রিকার আসল পরিস্থিতি। তরুণ অধিনায়কের পারফরম্যান্সে এটি একটি বড় উত্সাহ।

টপ অর্ডার অসাধারণ ছিল এবং তরুণ বোলারা যেভাবে খেলেছে এটা পাকিস্তানের জন্য বড় ইতিবাচক বিষয় এই সফর থেকে।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের ফাস্ট বোলাররা দুর্দান্ত। ফাহিম আশরাফ ভালো বোলিং করে যাচ্ছে এবং বিদেশে যে দলের ভারসাম্যের বিষয়টি আমাদের সমস্যা ছিল তার সমাধান করেছি। এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যই হলো ইংল্যান্ডে ভালো করা। এই জয় আমাদের সেখানে সহায়তা করবে।

Related Post

x