রিয়ালের বিদায়ঘন্টা বাজিয়ে নয় বছর পর ফাইনালে চেলসি

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে উঠেছে চেলসি। সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে রিয়াল মাদ্রিদকে ২-০ গোলে পরাজিত কড়েচেতমাস টুসেলের দল। এই জয়ে দুই লেগ মিলিয়ে ৩-১ গোলের অগ্রগামীতায় ইস্তানবুলের ফাইনালে ম্যান সিটির মুখোমুখি হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করলো স্ট্যামফোর্ড ব্রীজের দলটি।

আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি অথবা ক্লান্তি যায় হোক আর না হোক চেলসির মাঠে হওয়া এই ম্যাচে কাবু করে ফেলল রিয়াল মাদ্রিদকে। প্রতিপক্ষের দুর্বলতার সুযোগে দারুণ এক জয় তুলে নিল ব্লুজরা। ফলস্বরূপ আট মৌসুম আর নয় বছর পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে উঠল থমাস টুসেলের ছোঁয়ায় বদলে যাওয়া দলটি।

কিছুটা ধীর গতির ফুটবলে শুরু ম্যাচের দশম মিনিটে লক্ষ্যে প্রথম শট নেয় রিয়াল। টনি ক্রুসের দূর থেকে নেওয়া শটটি অবশ্য অনায়াসে নিয়ন্ত্রণে নেন গোলরক্ষক এডুয়ার্ড মেন্ডি।

পাল্টা আক্রমণে পরের মিনিটে আক্রমণ শানায় চেলসি। দুই মিনিট পর আন্টোনিও রুডিগারের জোরালো শট পাঞ্চ করার পর ম্যাসন মাউন্টের গোলমুখে বাড়ানো বল পা দিয়ে রুখে দেন থিবো কোর্তোয়া।

class="tie-appear" src="https://i.imgur.com/Hjjwsnc.jpg" />

খানিক পর জালে বল পাঠান ভেরনার। তবে অল্প ব্যবধানে অফসাইডে ছিলেন এই জার্মান ফরোয়ার্ড। ২৬তম মিনিটে করিম বেনজেমার জোরালো শট ঝাঁপিয়ে কর্নারের বিনিময়ে ফেরান মেন্ডি।

পাল্টা আক্রমণে পরের মিনিটে এগিয়ে যায় চেলসি। টিমো ওয়ার্নারের সঙ্গে একবার বল দেওয়া নেওয়া করে ডি-বক্সে কাই হাভার্টজকে খুঁজে নেন এনগোলো কঁতে। এগিয়ে আসা কোর্তোয়ার ওপর দিয়ে নেওয়া হাভার্টজের চিপ ক্রসবারে বাধা পায়, তবে সঠিক সময়ে গোলমুখে ছুটে গিয়ে হেডে ফাঁকা জালে বল পাঠান ওয়ার্নার।

৩৫তম মিনিটে আরেকটি দারুণ সেভে ব্যবধান ধরে রাখেন মেন্ডি। মদ্রিচের ক্রসে বেনজেমার হেডে লাফিয়ে বল ক্রসবারের ওপর দিয়ে পাঠান সেনেগালের এই গোলরক্ষক।

দ্বিতীয়ার্ধের দ্বিতীয় মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ হতে পারতো। তবে হাভার্টজের হেড ক্রসবারে বাধা পায়। পরের ১২ মিনিটে আরও দুটি ভালো সুযোগ পায় তারা; কিন্তু বাড়েনি ব্যবধান। ওয়ান-অন-ওয়ানে উড়িয়ে মারেন মাউন্ট। গোলরক্ষককে একা পেয়েছিলেন হাভার্টজও; তবে তার শট এগিয়ে গিয়ে রুখে দেন কোর্তোয়া।

দিকহারা সতীর্থদের মাঝে একমাত্র কোর্তোয়াই ছিলেন স্বরূপে। ৬৬তম মিনিটে কান্তের শটও পা রুখে দেন তিনি। সুযোগ নষ্টের মিছিলে ১০ মিনিট পর ম্যাচ শেষ করে দিতে পারতো চেলসি; কিন্তু পুলিসিকের গোলমুখে বাড়ানো বলে পা ছোঁয়াতে পারেনি কেউ।

অবশেষে ৮৫তম মিনিটে জয়টা প্রায় নিশ্চিত করে ফেলেন ইংলিশ মিডফিল্ডার মাউন্ট। নাচো ফের্নান্দেসের থেকে বল কেড়ে কঁতে ডি-বক্সে খুঁজে নেন ক্রিস্টিয়ান পুলিসিককে। যুক্তরাষ্ট্রের এই তরুণ উইঙ্গারের কাটব্যাক গোলমুখে পেয়ে দলকে উৎসবের উপলক্ষ এনে দেন মাউন্ট।

Related Post