পরিসংখ্যানে আফগানিস্তানেরও নিচে বাংলাদেশ

20230705 185334

ওয়ানডে ক্রিকেট বাংলাদেশ জাতীয় দলের সবচেয়ে পছন্দের ফরম্যাট। যেখানে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সফলতা সাকিব-তামিমদের। তবে ৫০ ওভারের ম্যাচেও দলটি এক জায়গায় সবার পেছনে পড়ে আছে। বর্তমানে ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ে টাইগারদের অবস্থান ছয় নম্বরে। আফগানিস্তানের বিপক্ষে চলমান সিরিজের সবকটি ম্যাচ জিতলে তাদের সামনে পাঁচে ওঠে আসার সুবর্ণ সুযোগ। তবে পাওয়ার প্লেতে রান তোলার দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান চরম শোচনীয়!

আইসিসির পূর্ণ সদস্য ১০ দেশের মধ্যে ওয়ানডের প্রথম দশ ওভারে রান তোলায় তালিকার তলানিতে অবস্থান তামিম ইকবালের দলটির। ২০২১ সালের পর থেকে অনুষ্ঠিত ম্যাচসমূহে তারা ৪.৫১ গড়ে রান তুলেছে। তবে তাদের ওপরে থাকা আফগানিস্তানের রান-রেটও বাংলাদেশের সমান ৪.৫১।

ওয়ানডে ম্যাচের প্রথম ১০ ওভারে রান তোলার দিক থেকে সবার ওপরে ইংল্যান্ড। জস বাটলারের দলটি পাওয়ার প্লেতে সর্বোচ্চ ৫.৭৪ গড়ে রান তুলেছে। বদলে যাওয়া ইংলিশরা অবশ্য কেবল ওয়ানডেতেই নয়, টেস্ট ফরম্যাটেও তারা আক্রমণাত্মক ‌‘বাজবল’ তত্ত্বে বিশ্বাসী। তাদের পরই দুইয়ে অবস্থান ভারতের, রোহিত শর্মাদের দলের গড় ৫.৩৪।

এরপর পর্যায়ক্রমে রান তোলার দিক থেকে অবস্থান করছে দক্ষিণ আফ্রিকা (৫.২২), অস্ট্রেলিয়া (৫.০৬), শ্রীলঙ্কা (৪.৯৫) ও নিউজিল্যান্ড (৪.৮৬)। সাত ও আট নম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ (৪.৭০) ও পাকিস্তান (৪.৮৬) অবস্থান করছে।

২০১৯ বিশ্বকাপের পর থেকে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের বিপ্লব শুরু হয় বললে ভুল হবে না! ঘরের মাঠে এর পর থেকে তারা দক্ষিণ আফ্রিকা, পাকিস্তানসহ সব বড় ক্রিকেট পরাশক্তি দলসমূহকে হারিয়েছে। সেই ধারা বিদেশের মাটিতে পুরোপুরি ধরে রাখতে না পারলেও, আগের চেয়ে সাদা বলের ক্রিকেটে বাংলাদেশের সামর্থ্য যে বেড়েছে তার প্রমাণ মেলেছে অনেকবার।

ঘরের মাঠে সর্বশেষ ইংল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডের পর আফগানিস্তানের সঙ্গে ওয়ানডে সিরিজ খেলছে টাইগাররা। ইংল্যান্ডের সঙ্গে ওয়ানডেতে হারলেও, সেই সামর্থ্য তারা দেখিয়েছে টি-টোয়েন্টিতে। ফলে সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা সাকিবদের কাছে সেই সিরিজে পরাজিত হয়। এরপর ঘরে ও বাইরে আয়ারল্যান্ডকে ওয়ানডে সিরিজে হারায় বাংলাদেশ। এই সময়ে বাংলাদেশের রানের গড়ও তুলনামূলক বেড়েছে। ওপেনিং থেকে পরবর্তী টপ-অর্ডার ব্যাটররাও দেখাচ্ছেন আক্রমণাত্মক মনোভাব।

You May Also Like