Ggff

ওয়ানডেতে বাংলাদেশের পাঁচ দ্রুততম সেঞ্চুরিয়ানের তালিকা প্রকাশ

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে চলমান সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে সাড়ে ১৩ বছরের রেকর্ড ভেঙে বাংলাদেশের দ্রুততম সেঞ্চুরির মালিক বনে গেছেন মুশফিকুর রহিম। রেকর্ডটি এর আগে দখলে ছিল সাকিব আল হাসানের। ৫০ ওভারের ম্যাচে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের পাঁচ দ্রুততম সেঞ্চুরির গল্প থাকছে এ প্রতিবেদনে।

বাংলাদেশের হয়ে ওয়ানডে ক্রিকেটে দ্রুততম সেঞ্চুরির মালিক এখন মুশফিকুর রহিম। সিলেটে সোমবার (২০ মার্চ) আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে চলমান সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ইনিংসের শেষ বলে এক রান তুলে নিয়ে তিনি ৬০ বলে তার শতক পূরণ করেন। তাতে বাংলাদেশও নিজেদের ৫০ ওভারের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহের রেকর্ড গড়ে। তবে বৃষ্টির কারণে আইরিশরা ব্যাট করতে না পারায় পরিত্যক্ত হয় ম্যাচটি।

মুশফিকের আগে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের হয়ে দ্রুততম সেঞ্চুরির মালিক ছিলেন টাইগার অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। বুলাওয়েতে ২০০৯ সালে আগস্টে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মাত্র ৬৩ বলে শতক তুলে নিয়েছিলেন সাকিব। শেষ পর্যন্ত ৬৪ বলে ১০৪ রান তুলে তার ওই ইনিংস থামে রান আউট হওয়ার মাধ্যমে। জিম্বাবুয়েকে ৩২১ রানের টার্গেট দিয়ে বাংলাদেশ ম্যাচটি জিতে যায় ৪৯ রানের ব্যবধানে।

বাংলাদেশের হয়ে ওয়ানডেতে দ্রুততম সেঞ্চুরির তালিকায় তিনেও আছেন সাকিব। ২০০৯ সালের অক্টোবরে মিরপুরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এবার ৬৮ বলে সেঞ্চুরি তুলে নেন টাইগার অলরাউন্ডার। ওই ম্যাচে ৬৯ বল মোকাবিলায় ১০৫ রানে অপরাজিত থাকেন সাকিব। ম্যাচটি ৭ উইকেটে জিতে যায় টাইগাররা।

তালিকার চার নম্বরে আবার জায়গা করে নিয়েছেন মুশফিকুর রহিম। মিরপুরে ২০১৫ সালের এপ্রিলে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৬৯ বল মোকাবিলায় শতক তুলে নিয়েছিলেন টাইগার উইকেটরক্ষক ব্যাটার। তার ইনিংস থামে ৭৭ বল মোকাবিলায় ১০৬ রানে।

তালিকার পাঁচ নম্বর সেঞ্চুরিটা দীর্ঘদিন দলের বাইরে থাকা সৌম্য সরকারের। চট্টগ্রামে ২০১৮ সালের অক্টোবরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৮১ বলে শতক হাঁকিয়েছিলেন সৌম্য। শেষ পর্যন্ত তার ইনিংস থামে ৯২ বল মোকাবিলায় ১১৭ রানে। ম্যাচটি ৭ উইকেটের ব্যবধানে জিতে যায় বাংলাদেশ।

সৌম্যের চেয়ে মাত্র ২ বল বেশি খেলে গত বছরের ডিসেম্বরে ভারতের বিপক্ষে নিজের ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ৮৩ বলে তার অনবদ্য ১০০ রানের অপরাজিত ইনিংসে ভর করে সাড়ে ছয় বছর ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জিতে নিয়েছিল টাইগাররা।