Untitled design 2023 03 11T194458.946

বাংলাদেশকে চরম অপমান করলো পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার

চলছে ভারত বনাম অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার চার ম্যাচের টেস্ট সিরিজের ৪র্থ টেস্ট ম্যাচ। ৩য় টেস্ট ম্যাচ জয়ে পর ৪র্থ টেস্ট ম্যাচেও দারুনভাবে ঘুরে দাড়িয়েছে অস্ট্রেলিয়া। এই ম্যাচে প্রথম দিন থেকেই বেশ চাপে থাকে ভারত। ব্যাটিং সহায়ক উইকেটকে কাজে লাগিয়ে বড় রান করে অজি ব্রিগেড। বড় রানকে মাথায় নিয়ে এগিয়ে যেতে থাকে ভারতীয় ব্যাটাররা। অবশ্য রোহিত শর্মা দলকে তেমন ভাবে সাহায্য করতে না পারলেও শুভমন গিল নিজের কাজটা করে যান। অজি বোলারদের দাপট থামিয়ে শতরান করেন গিল।

গিল শতরান করলেও এখনও পর্যন্ত এগিয়ে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া। অজি দলকে এগিয়ে রাখতে অনবদ্য ভূমিকা পালন করেন ওপেনার উসমান খোয়াজা। তিনি ৪২২ বলে ১৮০ রান করেন। স্বাভাবিক ভাবেই তাঁর বড় রানে ভর করে এগিয়ে যায় টিম অস্ট্রেলিয়া। ১০ উইকেটের বিনিময়ে ৪৮০ রান তোলে অজিরা। খোয়াজার সঙ্গে পার্টনারশিপ করেন ক্যামেরন গ্রিন। তিনি ১১৪ রান করেন। এটি তাঁর প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি।

পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার বাসিৎ আলী মনে করেন, ‘অস্ট্রেলিয়া উভয় দিনই খুব ভলো ভাবে খেলেছে। ভালো খেলা সত্ত্বেও খোয়াজাকে খুব স্বার্থপরের মতো লেগেছে আমার।’ অস্ট্রেলিয়া টসে জিতে প্রথম দিন এবং দ্বিতীয় দিনে এক অধিপত্য বজায় রেখে ৪৮০ রান করে। যা দেখে মনে হয়নি অস্ট্রেলিয়া পিছিয়ে আছে।

বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের সঙ্গে খোয়াজাকে তুলনা করে এই প্রাক্তন পাক ক্রিকেটার বলেন, ‘উসমান খোয়াজাকে দেখে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। খোয়াজা এই পিচে ৪২২টি বল খেলে ১৮০ রান করে। শুধুমাত্র গ্রিনকে মনে হচ্ছিল অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটার।’

আলী অধিনায়ক স্টিভ স্মিথ এবং কোচ অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ডের দিকে আঙুল তুলেছেন। তিনি বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ান কোচ ছিল একজন সাধারণ ক্রিকেটার এবং ওর চিন্তাভাবনা ছিল খুবই সাধারণ। অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক প্যাট কামিন্সকে সরিয়ে স্মিথকে নতুন নেতা হিসেবে পুনর্বহাল করার জন্য আমি ওকে পয়েন্ট দিতে চাইব। স্মিথের নেতৃত্বেই তৃতীয় টেস্টে অস্ট্রেলিয়া জয়লাভ করে। স্মিথের অধিনায়কত্ব করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। ফলে এতে ভালো হবে।’

প্যাট কামিন্সের নেতৃত্বে বর্ডার-গাভাসকর ট্রফির শুরুর দুটি ম্যাচ অস্ট্রেলিয়া হারে। যদিও টুর্নামেন্টের মাঝপথে দেশে ফিরে যেতে হয়েছিল তাঁকে। কারণ তাঁর মা অসুস্থ হন। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। কামিন্সেরর চলে যাওয়ার পর থেকেই স্মিথ অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়কত্ব গ্রহণ করেন। অস্ট্রেলিয়াকে প্রত্যাবর্তন করতে তিনি সহায়তা করেন।