উত্তাপ ছড়ানো বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলেছেন একে অপরের বিপক্ষে। বয়সের ফারাকটা বিস্তর হলেও কেউ কাউকে ছাড় দেননি বিন্দু পরিমাণ। টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় এবং সর্বোচ্চ গোলদাতার প্রতিযোগিতায়ও ছিলেন একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী। বলা হচ্ছিল আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি এবং ফ্রেঞ্চ তারকা কিলিয়ান এমবাপের দ্বৈরথের কথা। কাতারের বিশ্বমঞ্চে এবার এই দুই তারকার দ্বৈরথ ছিল বেশ উপভোগ্য।

জাতীয় দলের বাইরে দুই তারকাই খেলেন একই ক্লাবের হয়ে, ফ্রান্সের প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ে। বিশ্বমঞ্চের লড়াই শেষে দুজনেই যোগ দিয়েছেন সেই ঠিকানায়। প্রতিপক্ষের বিপক্ষে লড়ছেন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে। প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক, বিশ্বকাপের এই দ্বৈরথ, লড়াই এবং উত্তেজনা সেগুলো কি প্রভাব ফেলেনি তাদের সম্পর্কে? কিংবা ক্লাবে তাদের সম্পর্কটা কেমন। উত্তর দিলেন লিওনেল মেসি নিজেই।

সম্প্রতি আর্জেন্টিনার দৈনিক ওলেকে দেয়া সদ্য এক সাক্ষাৎকারে মেসি কথা বলেছেন বেশকিছু বিষয়ে। সেখানে বিশ্বকাপ ফাইনাল পরবর্তী তার এবং এমবাপের সম্পর্কের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে আর্জেন্টাইন তারকা বলেন, ‘বিশ্বকাপ ফাইনাল নিয়ে আমরা দুজন কথা বলেছি। আর্জেন্টিনায় বিশ্বকাপ জেতার পর যে উৎসব হয়েছে, এমবাপ্পে সেটি নিয়ে আমার কাছে জানতে চেয়েছে। এর বাইরে আর কিছু হয়নি। ভালো, খুবই ভালো আমাদের দুজনের সম্পর্ক।’

Suggested Post :  রেকর্ড গড়ার পথে ব্রাজিল কোচ

ফাইনালের বিষয়ে দুজনের কী আলাপ হয়েছে সে ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘দেখুন, আমিও ফাইনালে খেলেছি। আমিও হেরে যেতে পারতাম। আমি তাঁর কাছে এ নিয়ে কিছু জানতে চাইনি। আসল কথা হচ্ছে, এমবাপ্পের সঙ্গে আমার কোনো সমস্যা নেই। বরং মানুষ যেটা ভাবে আমাদের সম্পর্ক তার ঠিক উল্টো।’

সাক্ষাৎকারে মেসি কথা বলেছেন আরও অনেক বিষয়ে। জানিয়েছেন পরবর্তী বিশ্বকাপ নিয়ে নিজের ভাবনার কথা। তিনি বলেন, ‘আমি সবসময় বলে আসছি বয়সের কারণে এটা কঠিন। আমি ফুটবল খেলতে ভালোবাসি, আমি যা করি তা ভালোবাসি। যতক্ষণ আমি ভালো আছি এবং আমার শরীর সায় দিচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত আমি খেলাটা উপভোগ করতে থাকব। তবে পরবর্তী বিশ্বকাপ পর্যন্ত এটি আমার কাছে অনেক বেশি বলে মনে হচ্ছে। বয়স ও সময়ের কারণে এটা কঠিন। এটা নির্ভর করছে আমার ক্যারিয়ার কেমন যাচ্ছে তার ওপর। আমি ৩৬ বছর বয়সী হতে যাচ্ছি। আমি দেখতে চাই আমার ক্যারিয়ার কোথায় গিয়ে থামে। পরবর্তী বিশ্বকাপে খেলা আসলে অনেক কিছুর ওপর নির্ভর করে।’