InCollage 20230114 165421467 537o1HKI69

সাকিবের বর ইনিংস; বরিশালের জয় দেখেনিন সর্বশেষ স্কোর

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স হ্যাটট্রিক হারের তিক্ততা পেয়েছে। ফরচুন বরিশালের বিপক্ষে চট্টগ্রাম পর্বের প্রথম ম্যাচে ১২ রানে হেরেছে তারা। এটা আবার বরিশালের টানা তৃতীয় জয়। হার দিয়ে যাত্রা শুরু হলেও সবশেষ দুই ম্যাচে রংপুর ও চট্টগ্রামের বিপক্ষে জিতেছিল তারা।

শনিবার (১৪ জানুয়ারি) শুরুতে ব্যাট করে ১৭৭ রান করেছিল বরিশাল। রান ডিফেন্ড করতে নেমে কুমিল্লাকে ১৬৫ রানে আটকে ফেলে তারা। শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করেও কুমিল্লাকে জয় উপহার দিতে পারেননি খুশদিল শাহ। ২৭ বলে ৪৩ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি।

রান তাড়া করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে ৪২ রান তুলে কুমিল্লা। এ সময় ১১ বলে ১৮ রান করে কামরুল ইসলামের শিকার হন মোহাম্মদ রিজওয়ান। লিটন রানআউট হন স্কোর বোর্ডে আরও ১৫ রান যোগ হওয়ার পর। ওয়ানডাউনে নামা ইমরুল অনেকটা মারমুখী ছিলেন বরিশালের বোলারদের ওপর। কিন্তু ১৫ বলে ২৮ রান যোগ করে তাকেও ফিরতে হয়।

চাদউইক ওয়াল্টন করেন ১৪ রান। জাকের আলি ৩ বল খেলেও কোনো রান করতে পারেননি। পাঁচ উইকেট হারিয়ে এরপর চাপে পড়ে কুমিল্লা। তবুও দলকে আশা দেখাচ্ছিলেন খুশদিল ও মোসাদ্দেক হোসেন মিলে। মোসাদ্দেক আউট হন ১৯ বলে গুরুত্বপূর্ণ ২৭ রানের ইনিংস খেলে।

এর আগে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে শনিবার (১৪ জানুয়ারি) নির্ধারিত ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৭৭ রান করে বরিশাল। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে চতুর্থ ওভারে প্রথম উইকেট হারায় বরিশাল। তানভির ইসলামকে খেলতে গিয়ে লিটন দাসকে ক্যাচ তুলে দেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ৯ বলে মিরাজ করেন মাত্র ৬ রান। ওয়ানডাউনে নামা চতুরঙ্গ ডি সিলভা ছোটখাট একটা ঝড় তুলে বিদায় নেন নাঈম হাসানের ওভারে। লঙ্কান ব্যাটার ১২ বলে করেন ২১ রান। ততক্ষণে পাওয়ার-প্লে শেষে অর্ধশত রান করে ফেলে বরিশাল।

ওয়ানডে মেজাজে খেলে এনামুল করেন ২০ রান। তাকে প্যাভিলিয়নে পাঠান খুশদিল শাহ। এরপর ইব্রাহিম জাদরানের সঙ্গে ৫০ রানের জুটি গড়েন সাকিব আল হাসান। ২০ বলে ২৭ রান করে জাদরান তানভির ইসলামের বলে আউট হন। জাদরান চলে যাওয়ার পর সাকিব অর্ধশতক পূর্ণ করেন। হাফসেঞ্চুরি করতে তার লাগে ৩১ বল। অর্ধশতক পূর্ণ করার পর ঝড়ো ব্যাটিং শুরু করেন সাকিব। হাসান আলি-মোসাদ্দেক হোসেনদের বেধড়ক পেটাতে থাকেন তিনি। এরমধ্যে বিদায় নেন ইফতিখার আহমেদ। ৮ বলে ৫ রান করে তানভিরের শিকার হন তিনি।

মাহমুদউল্লাহ ক্রিজে এসে এক বলও টিকতে পারেননি। ইফতিখারকে শিকারের পরের বলেই তাকে উঠিয়ে নেন তানভির। তানভিরের সামনে এরপর হ্যাটট্রিকের সুযোগ আসে। কিন্তু ওভারের চতুর্থ বলটি আফগানিস্তানের করিম জানাতকে কোনো বিপদেই ফেলতে পারেনি। জানাত ৫ বলে করেন ১০ রান। শেষ পর্যন্ত সাকিব ৪৫ বলে ৮১ রান করে অপরাজিত ছিলেন। তানভির ছাড়া কুমিল্লার হয়ে একটি করে উইকেট পান খুশদিল ও নাঈম।