আইপিএলে দল পেয়েও শান্তিতে নেই সাকিব লিটন!

InCollage 20221227 130544311 udyU1Tfz7C

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) কোনো আসরে এবারই প্রথম একসঙ্গে খেলবেন বাংলাদেশের তিন ক্রিকেটার। যেখানে মুস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে নিলাম থেকে দল পাওয়া সাকিব আল হাসান এবং লিটন দাস। রিটেইন হওয়া মুস্তাফিজ দিল্লি ক্যাপিটালসে আর সাকিব-লিটন খেলবেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে। তবে দল পেলেও পুরো টুর্নামেন্ট খেলা হচ্ছে না তাদের।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) শেষ হতেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ব্যস্ত হয়ে পড়বেন সাকিবরা। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে সমান তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলতে বাংলাদেশে আসছে ইংল্যান্ড। জস বাটলারদের বিদায়ের পর ঘরের মাঠে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ।

যেখানে আইরিশদের সঙ্গে সমান তিনটি করে ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টির সঙ্গে খেলতে হবে এক টেস্ট। এপ্রিলের শেষ দিকে আবার আয়াল্যান্ডের মাটিতেই খেলতে যাবে বাংলাদেশ। এদিকে আইপিএলের এবারের আসর শুরু হচ্ছে মার্চের শেষ দিকে। বাংলাদেশের খেলা থাকায় পুরো টুর্নামেন্ট খেলা হচ্ছে না লিটনদের।

ধানমন্ডির ৪ নম্বর মাঠে বিজয় দিবস ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনালে পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শেষে এমনটা নিশ্চিত করেছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। আইপিএল কতৃপক্ষকে দেয়া মেইলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) জানিয়েছে, সাকিবরা খেলতে পারবেন কেবল ৮ এপ্রিল থেকে ১ মে পর্যন্ত। অর্থাৎ ২৪ দিনের অনাপত্তিপত্র পাচ্ছেন লিটনরা।

এ প্রসঙ্গে পাপন বলেন, ‘যতবেশি ক্রিকেটার আইপিএলে যাবে আমরা তত খুশি। তবে বাংলাদেশের খেলা যখন থাকবে তখন কাউকেই ছাড়া হবে না। জাতীয় দলের খেলা থাকলে তারা কেউ খেলতে পারবে না। আমরা এরমধ্যে আইপিএল কৃর্তপক্ষকে জানিয়ে দিয়েছি। তারা জেনেই এসব ক্রিকেটারকে নিয়েছে। না হলে আরও ক্রিকেটার যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল।’

চোটের কথা মাথায় রেখে বিশ্বের সব ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টেই যেতে ক্রিকেটারদের উৎসাহী করছেন না পাপন। বিসিবি সভাপতি মনে করেন, সব টুর্নামেন্টে যেতে হবে এমন না। তবে আইপিএল খেলতে নিষেধ করছেন না তিনি। আইপিএলে ক্রিকেটারদের সুযোগ পাওয়াকে ভালো দিক হিসেবে দেখছেন বোর্ড সভাপতি।

পাপন বলেন, ‘সুযোগ পাওয়া ভালো দিক। তবে আমি মনে করি, একটু বুঝেশুনে যাওয়া উচিত। যতগুলো ফ্র‍্যাঞ্চাইজি আছে সবগুলোতে যেতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। আইপিএল অবশ্যই সেরা, এখানে যাওয়াতে আমার কোনো সমস্যা নেই।’

You May Also Like