দেখেনিন কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালিস্টরা কে কত টাকা পাবে

২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত রাশিয়া বিশ্বকাপের তুলনায় কাতার বিশ্বকাপের প্রাইজমানি প্রায় ৪০০ কোটি টাকা বেশি বিশ্বকাপ ফুটবলের পরবর্তী আসর শুরু হতে আর বাকি নেই মাস দুয়েকও। প্রথমবারের মতো কাতারে অনু্ষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ খ্যাত প্রতিযোগিতাটি। এর মাধ্যমে প্রায় দুই দশক পর আবারও এশিয়া মহাদেশে বসছে ফিফা বিশ্বকাপ।

মুসলিম প্রধান মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে মাসখানেক ধরে অনুষ্ঠিতব্য টুর্নামেন্টে ১৮ ক্যারেট স্বর্ণ দিয়ে তৈরি ৩৬.৮ সেন্টিমিটার উচ্চতার ট্রফি জয়ের জন্য লড়বে ৩২টি দেশ। জাতীয় দলের হয়ে সোনালী ট্রফিতে চুমু এঁকে দেওয়া যে বিশ্বের সব দেশের ফুটবলারদেরই আজন্ম আরাধ্য স্বপ্ন, তা বলাই বাহুল্য। তবে শুধু ট্রফিই না, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে টাকা-কড়ির সংযোগও।

বিশ্বকাপ ফুটবলের প্রতিটি আসরেই আকাশচুম্বী অঙ্কের অর্থ পুরস্কার বরাদ্দ রাখে ফিফা। ব্যতিক্রম হতে যাচ্ছে না আসন্ন কাতার বিশ্বকাপের ক্ষেত্রেও। বিশ্বকাপ ফুটবলের ২২তম আসরের জন্য ৪৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় চার হাজার কোটি টাকা) প্রাইজমানি বন্দোবস্ত করে রাখা হয়েছে, যা ২০১৮ সালে আয়োজিত রাশিয়া বিশ্বকাপের চেয়ে ৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা প্রায় ৪০০ কোটি টাকা বেশি।

মোট ৭টি ধাপে এই বিশাল অঙ্কের প্রাইজমানি বণ্টন করা হবে। কাতার বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলই প্রস্তুতির জন্য পাবে দেড় মিলিয়ন মার্কিন ডলার। পরবর্তীতে গ্রুপপর্ব থেকে ফাইনাল পর্যন্ত বিভিন্ন রাউন্ডে দলগুলো পাবে বিভিন্ন অঙ্কের প্রাইজমানি।

সবচেয়ে বড় অঙ্কের প্রাইজমানি যে চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য বরাদ্দ, সেটি না বলে দিলেও চলছে। তবে অঙ্কটা শুনলে হয়ত চমকেও যেতে পারেন অনেকে। মরুর বুকে ফুল ফুটিয়ে এবারের বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন হতে পারলে সোনালী ট্রফিটির সঙ্গে ৪২ মিলিয়ন ডলারও পাবে শিরোপাজয়ী দলটি।

তবে ফাইনালে হেরে রানার্সআপ দলটি বিশ্বজয়ের খেতাব না পেলেও তাদের জন্যও থাকছে বড় অঙ্কের অর্থ পুরস্কার। কারণ রানার্সআপ দলটি ৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রাইজমানি পকেটে পুরতে পারবে। তাছাড়া, আগামী বিশ্বকাপে তৃতীয় এবং চতুর্থ স্থান অধিকারী দল দুটি যথাক্রমে পাবে ২৭ মিলিয়ন এবং ২৫ মিলিয়ন ডলার পাবে।

কাতার বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনাল অর্থাৎ শেষ আটে পা রাখা দলগুলো পাবে ১৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর যেসব দল প্রথম রাউন্ডের বৈতরণী পেরিয়ে নকআউট পর্বে পা রাখবে, তারা প্রত্যেকের ঝুলিতে যাবে ১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

তবে যেসব দল গ্রুপপর্বের বৈতরণী পেরিয়ে শেষ ষোলোতে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হবে, তারাও খালি হাতে ফিরবে না। কারণ প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় নিয়ে বাড়ির পথ ধরার সময়ে প্রতিটি দলই ৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সঙ্গে করে নিয়ে যাবে।

আগামী ২০ নভেম্বর স্বাগতিক কাতার এবং ইকুয়েডরের মধ্যকার ম্যাচের মাধ্যমে বিশ্বকাপ ফুটবলের ২২তম আসরের বাঁশি বেজে উঠবে। পরবর্তীতে ১৮ ডিসেম্বরের অনুষ্ঠিতব্য ফাইনালের মাধ্যমে কাতার বিশ্বকাপের পর্দা নামবে।

x

You May Also Like