টেস্টে ভালো করতে সময় লাগবে ২ বছর : মমিনুল

ঢাকা লিগ বা বিপিএলের মতো জাতীয় লিগে ক্রিকেটার বা টিম ম্যানেজমেন্টকে জবাবদিহিতা করতে হয় না। খারাপ খেলে হারলেও কেউ প্রশ্ন করে না।

ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের মূল্যায়ন হয় বেশি। স্বাভাবিকভাবেই ক্রিকেটারদের পরিকল্পনাও থাকে আত্মকেন্দ্রিক। টেস্ট ক্রিকেটে যেটা নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। মুমিনুলের প্রত্যাশা, এই মানসিকতা থেকে বেরিয়ে দলের জন্য খেলবে সবাই। সিনিয়র ক্রিকেটারদের কাছ থেকে দেড়শ-দুইশ রানের ইনিংস আশা করছেন তিনি।

সম্প্রতি দেশের সনামধন্য এক গনমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাতকারে প্রশ্ন করা হয় : ভারতে বলেছিলেন, টেস্ট দলকে ঢেলে সাজাবেন। তার কী হলো? জবাবে মুমিনুল বলেন, আমি যখন বলেছিলাম তখন থেকে খুব বেশি টেস্ট ম্যাচ খেলা হয়নি। আমার নেতৃত্বে ছয়টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছে দল। তাও ভিন্ন ভিন্ন সময়ে।

এক বছর বিরতি দিয়ে খেলা হলো দুটি টেস্ট। এত কম টেস্টে দল গোছানো খুবই কঠিন। হ্যাঁ, কন্ডিশনের পরিবর্তন করা হলে এবং সঠিক পরিকল্পনা নিলে দুই থেকে তিন বছর পর রেজাল্ট পাবেন। ওয়ানডেতে দ্রুত ফল পাওয়া যায়, টেস্টে না। টেস্টের জন্য প্রয়োজন লম্বা পরিকল্পনা এবং দেশ ও বিদেশে খেলার মতো ঘরোয়া ক্রিকেটের কন্ডিশন দেওয়া। আমি পাঁচ বছর সময় চাই না, সবকিছু গুছিয়ে দুই বছর দেন, রেজাল্ট দেব।

বিকল্প খুঁজে রেখেছেন? এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হ্যাঁ, সেটা করা হচ্ছে। পেস বোলিং ইউনিটের দিকে তাকালে দেখবেন সংখ্যাটা বেড়েছে। ছয়-সাতজন পেস বোলার রেখেছি। জাতীয় লিগে যারা ভালো খেলবে তারা ‘এ’ দলে খেলবে।

এভাবে পরিকল্পনা করা হচ্ছে কোচ এবং নির্বাচকদের সঙ্গে বসে। লক্ষ্য করলে দেখবেন, শেষ তিন-চারটি সিরিজে বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার দলের সঙ্গে ছিল। তারা খেলেনি; কিন্তু দলের সঙ্গে ছিল। যার অর্থ হলো, তারা প্রক্রিয়ার ভেতরে আছে এবং খেলবে। সুযোগ এলে খেলোয়াড়কেও সেটা কাজে লাগাতে হবে। রেজাল্ট পেলেই প্রক্রিয়াটাও দেখতে পাবেন।

সংশ্লিষ্ট খবর

Leave a Comment