স্ত্রী’কে সঠিক ভাবে রাতে তৃ”প্তি দেওয়ার জন্যে যা আপনার জানা একান্ত জ’রুরী!..

বেশির ভাগ না’রী মি’লনপুর্ব সিঙারে সরাসরি মি’লনের ছেয়ে বেশি তৃ’প্তি পেয়ে থাকে। তাই ফোর-প্লে তে অধিক সময় নিন।১. সিঙার: বেশির ভাগ না’রী মি’লনপুর্ব সিঙারে সরাসরি মি’লনের ছেয়ে বেশি তৃ’প্তি পেয়ে থাকে।

তাই ফোর-প্লে তে অধিক সময় নিন।২. কল্পনা / ফ্যান্টাসী: শা’ররীক মি’লনকালে অথবা অন্য সময় নিয়ে কল্পনা করা মোটেও ভু’ল নয়। স”ঙ্গীর উ’ত্তে’জক কর্মকান্ডের সাথে আপনার কল্পনা মিশিয়ে এক সু’খকর আবেশে জ’ড়াতে পারেন। কল্পনার রাজ্যে সব পুরু’ষ রাজা আর তার স”ঙ্গী রাণীর আসনে থাকে!

৩. সরাসরি মি’লনে দেরী করা: না’রী, বিশেষ করে তরুনীরা সাধারনত বেশি বেশি চুমা, ছোয়া সহ অন্যান্য আ’নুষা’”ঙ্গিক উ’ত্তেজ’ক বি’ষয় একটু ব’য়স্কদের চেয়ে বেশি কামনা করে। ব’য়সবেধে চ’রম উ’ত্তেজ’নায় পৌছতে কম/বেশি সময় নিয়ে থাকে। আপনার স”ঙ্গীর আকাঙ্খার উপর ভিত্তি করে পেনিট্রেশানের আগে আরো কিছু সু’খ আ’দান প্রদান করুন।

৪. ভাইব্রেটর: আমা’দের দেশে এখনো টয় বিক্রি ও ব্যবহার নি’ষি’দ্ধ। তাই না’রীকে উ’ত্তে’জিত করার জন্য ভাইব্রেটর এর বিকল্প আপনার মধ্যমা আঙুলী দিয়ে তার ভিতর জি-স্পট ( কিছুটা ভিতরে অতি সংবেদনশীল অঞ্চল) এ কম্পন সৃষ্টি করতে পারেন।

তবে মনে রাখবেন কোন অভ্যাস যেন স্থায়ী না হয়ে যায়!মে’য়েদের ডি’ম্বা’শয়ে ক্যা’ন্সার হবার কয়েকটি মা’রাত্মক লক্ষন যা বেশিরভাগ মে’য়েরাই অ’বহে’লা করে থাকে

মে’য়েদের ডি’ম্বাশয়ে ক্যা’ন্সার সব থেকে সাং’ঘা’তিক রো’গ গু’লির মধ্যে একটি। এটা এমন এক কঠিন ব্যাধি যা ডি’ম্বাশয়ে শুরু হয় এবং আস্তে আস্তে শ’রীরের সমস্ত অ”ঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে।

ক্যা’ন্সার কোষগু’লি মে’য়েদের শ’রীরের প্রতিরোধ ক্ষ’মতাকে আস্তে আস্তে ভে’ঙে দেয়। খিদে নষ্ঠ হয়ে যাওয়া থেকে কোমর’ে য’ন্ত্রণা এই সব কিছুই ডি’ম্বাশয়ে ক্যান্সা’রের লক্ষণ ‘হতে পারে।

বুকজ্বা’লাআপনি অ্যাসিডিটিতে ভুগলে বুকের পিছন দিকে জ্বা’লা করে। এর ফলে আপনার অনেক সময় বমি ভাবও আসে, এর সাথে ডিম্বাশয়ে ক্যা’ন্সারের সম্প’র্ক খুবই বিরল, তবুও আপনি নিশ্চয়ই কোন সুযোগ নিতে চাইবেন না যদি এরকম বার বার ঘটতে থাকে।
শ্রোণী ব্য’থাযৌ’’নসংসর্গের সময় যন্ত্র’ণা হওয়া খুব সাধারণ ব্যাপার, এটা বিভিন্ন কারণে ‘হতে পারে যৌ’’নিতে নীরসতা, আঁটো ভাব, জ্বা’লা, স্বা’স্থ্যবিধি না মানা ইত্যাদি। কিন্তু তলপে’টে য’ন্ত্রণা হলে সেটা ডি’ম্বাশয়ে ক্যা’ন্সারের শেষ পর্যায় ‘হতে পারে।

অস্বাভাবিক পেট ফোলাডি’ম্বাশয়েতে ক্যা’ন্সারের ক্ষেত্রে এই লক্ষণটিকে নিঃশব্দ ঘা’তক বলা যেতে পারে। আমর’া যে উপসর্গটিকে খুব ছোট বলে এড়িয়ে যাই তা হল দে’হের মধ্যভাগ ফোলা। এরকম হলে কখনও অবহেলা করবেন না (বিশেষ করে মধ্য ব’য়স্ক না হলে) এবং শীঘ্রই ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।

ক্লান্তিঠিকমত না খেলে মানুষ ক্লান্তিতে ভোগে আবার ডিম্বাশয়ে ক্যা’ন্সারের ফলেও মানুষ ক্লান্তিতে ভোগে, তবে কারণ সম্পূর্ণ আলাদা। ক্লান্তিতে ভোগা মানেই ক্যা’ন্সার হওয়া নয়।

ক্যা’ন্সারের কোষগু’লি বৃ’দ্ধি পেয়ে সচল হয়ে ওঠার ফলে ক্লান্তি দেখা যায়।খিদে মর’ে যাওয়া।ক্যা’ন্সার কোষগু’লি দ্রু’ত বৃ’দ্ধি পেলে খুব অল্প খাবার পরই মনে হয় পেট খুব ভরে গেছে আর পেটে জায়গা নেই।

স্থূলতা অথবা ওজন হ্রাসখিদে পাওয়ার পরও খেতে ই’চ্ছা না করলে সেটা থেকে ওজন হ্রাস ‘হতে পারে বা স্থূলতা আস্তে পারে। যখন আপনি জীবনে এরকম সব স’মস্যার সম্মুখীন হন তখন বলা যেতে পারে ডিম্বাশয়ে ক্যা’ন্সারের সম্ভাবনা খুব বেশি থাকে।

অন্ত্রের স’মস্যাএইসব কিছুর সাথে ক্যা’ন্সার যেটাকে আ’ক্রমণ করে তা হল পাচনতন্ত্র। হ্যাঁ ঠিক এইভাবেই ডিম্বাশয়ে ক্যা’ন্সার ছড়িয়ে পড়ে, শ’রীরের একটার পর একটা অংশ আস্তে আস্তে নষ্ঠ করতে করতে। তাই এইধরনের কোন লক্ষণ দেখা দিলে তা কখনই হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়।

এরপরে যে স’মস্যাগু’লি তৈরি হয় তা হল ডাইয়োরিয়া, কনস্টি’পেশান, তলপেটে য’ন্ত্রণা, গ্যাস ইত্যাদি। আপনার প্রতিরোধ ক্ষ’মতা এইভাবে ব্যা’হত হলে বলা যেতে পারে এটা ডিম্বাশয়ে ক্যা’ন্সারের লক্ষণ। অনিয়মিত পিঠে ব্যাথাজিমে স্বাভাবিকের থেকে বেশি পরিশ্রম করে পিঠে ব্যাথা হওয়া এক জিনিস আর আচমকা অনিয়মিত পিঠে ব্যাথা হওয়া আর এক জিনিস। এইরকম লক্ষণ ডিম্বাশয়ে ক্যা’ন্সার এর ২ বা ৩ নম্বর ধাপে দেখা যায়।

নিঃশ্বা’স প্রশ্বা’সের স’মস্যা।ডাক্তারদের মত অনুসারে ক্যা’ন্সার যখন শ’রীরের অন্যান্য অংশেও ছড়িয়ে পরে তার মানে সেটা ৪ নম্বর স্টেজ। খুব তাড়াতাড়ি হাঁপিয়ে ওঠা, শ্বা’স ক’ষ্ট হওয়া এর লক্ষণ। অনিয়মিত পিরিয়ডআপনি নিশ্চয়ই এর মধ্যে কিছু কিছু লক্ষণ জেনেছেন, কিন্তু মূ’ল ব্যাপার হল এই লক্ষণগু’লিকে ভাল করে পর্যবেক্ষণ করা। যেমন অন্যান্য স’মস্যার সাথে অনিয়নিত পিরিয়ড ক্যা’ন্সারের একটা লক্ষণ ‘হতে পারে।

মেনোপজের পরে র’ক্তপাতআপনি মেনোপজ পর্যায়ে আছেন এবং আপনার পিরিয়ড বন্ধ হয়ে গেছে কিন্তু মাসখানেক বাদে আবার হঠাত করে পিরিয়ড চালু হয়ে যাওয়া। এটা ডিম্বাশয়ের সামান্য কোন স’মস্যা ‘হতে পারে আবার ডিম্বাশয়ে ক্যা’ন্সারও ‘হতে পারে। তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পরীক্ষা করিয়ে নিন।

ঘনঘন মূ’ত্রের চেষ্টাইদানীং আপনার বার বার প্র’স্রাব হচ্ছে, এটা খুব ভাল লক্ষণ নয়, এটা ডিম্বাশয়ে ক্যা’ন্সার এর ২ নম্বর ধাপ ‘হতে পারে। পি.এম.এসঃ পি.এম.এস এর লক্ষণের সাথে ডিম্বাশয়ে ক্যা’ন্সারের অনেক মিল আছে, কিন্তু যেহেতু আমা’দের চিকিৎসাবিদ্যা এখনও ক্যা’ন্সারের কোষ সম্প’র্কে খুব বেশি কিছু জানতে পারেনি, তাই এইধরনের ছোটখাটো ব্যাপারের ও’পর ভাল করে নজর রাখা উচিত।

অনেক রকমের উপসর্গশেষে বলা যেতে পারে এইধরনের উপসর্গগু’লি যে কোন ক্যা’ন্সার রুগী রোজকার জীবনে তাদের অ’ভিজ্ঞতা ‘হতেও পারে নাও পারে। ডিম্বাশয়ে ক্যা’ন্সার হোক বা না হোক আপনার শ’রীরে একটা তো কিছু স’মস্যা হচ্ছে এবং তার সঠিক চিকিৎসা দরকার।

এছাড়াও ব’য়স একটা ব্যাপার ‘হতে পারে, যে কোন পঞ্চাশ উরধ ম’হিলা যার বংশে কারুর স্ত’ন বা ডিম্বাশয়ে ক্যা’ন্সার ছিল বা আছে সে এধরনের রো’গের শি’কার ‘হতে পারে। আপনার ডিম্বাশয়ে ক্যা’ন্সার নাও থাকতে পারে কিন্তু এই উপসর্গগু’লি জেনে রাখা ভাল।

Share

You May Also Like