বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিশ্বকাপ বাতিল করল আইসিসি

আগের সূচি অনুযায়ী চলতি বছরের গেলো জানুয়ারিতে মাঠে গড়ানোর কথা ছিল নারীদের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ। প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নারীদের এই বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্টের আয়োজক ছিল বাংলাদেশ। যদিও করোনা মহামারীর কারণে তা স্থগিত করে দেয় বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি। পরবর্তীতে ১১ মাস পিছিয়ে এ বছরের ডিসেম্বরেই আয়োজন করার কথা জানায় আইসিসি।

তবে বাংলাদেশের করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ নারী বিশ্বকাপ আবারো স্থগিত ঘোষণা করেছে। নতুন সূচি অনুসারে ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে হবে প্রথম অনূর্ধ্ব-১৯ নারী বিশ্বকাপ। এছাড়া জুন-জুলাইয়ে শ্রীলংকায় যে ২০২২ বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব হওয়ার কথা ছিল, সেটি পিছিয়ে গেছে ডিসেম্বর পর্যন্ত। সদ্য সমাপ্ত আইসিসি ভার্চুয়াল বোর্ড মিটিংয়ে এসব সিদ্ধান্ত হয়।

বৃহস্পতিবার বোর্ড মিটিংয়ের সিদ্ধান্ত জানিয়ে পাঠানো আইসিসির বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, কোভিড-১৯’র তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাবের কারণে অনেক দেশই যথাযথভাবে প্রস্তুতি নিতে পারছে না। যে কারণে বছরের শেষদিকে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া আইসিসি উইমেন্স অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।

মেয়েদের ক্রিকেটের জাতীয় দল পর্যায়ে ইতিমধ্যে ১১টি আসর হয়ে গেলেও অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ে বিশ্বকাপ এখন পর্যন্ত একবারও হয়নি। ২০১৯ সালের অক্টোবরে হওয়া সিদ্ধান্ত অনুসারে চলতি বছরের জানুয়ারিতে হওয়ার কথা ছিল প্রথম আসরটি।

কিন্তু গত বছর করোনা হানা দিলে ১১ মাস পিছিয়ে বছরের শেষে পুনঃসূচি করা হয়। যা করোনার আরেক ধাক্কায় এখন আবার পিছিয়ে গেল। একই কারণে ৫০ ওভার ক্রিকেটের ২০২২ বিশ্বকাপ বাছাইও পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।

চলতি বছরের অক্টোবরে ভারতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ছেলেদের টি২০ বিশ্বকাপের প্রক্রিয়া অবশ্য যথাযথভাবেই এগোচ্ছে বলে জানানো হয়।

করোনা বাস্তবতায় বায়ো-সিকিউর বাবলে খেলা আয়োজিত হয় বিধায় আইসিসির টুর্নামেন্টগুলোতে ২৩ জনের স্কোয়াডের সঙ্গে ৭ জনকে বাড়তি নেওয়া যাবে বলেও সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইসিসি বোর্ড। এছাড়া কারও কারও অসন্তুষ্টি থাকলেও ডিআরএসে ‘আম্পায়ার্স কল’ বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেয় ক্রিকেট কমিটি।

Related Post