আজকে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্ব রেকর্ড গড়লেন সৌম্য

তিন ম্যাচ টি-২০ সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বৃষ্টি আইনে বড় লক্ষ্য টপকাতে পারেনি টাইগাররা। সৌম্য সরকার ও নাইম শেখের লড়াইয়ের পরও শেষ পর্যন্ত হার দেখতে হয়েছে বাংলাদেশের।

কিইউইদের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ দলের সামনে বৃষ্টি আইনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৬ ওভারে ১৭১ রান। বিশাল লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুতেই ওপেনার লিটন দাসকে হারায় বাংলাদেশ। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে হামিশ ব্যানেটের বলে লিটন সাজঘরে ফিরেন ব্যক্তিগত ৬ রানে।

তবে আরেক ওপেনার নাইম শেখকে নিয়ে দলের রানের গতি বাড়াতে থাকেন সৌম্য সরকার। কিউই বোলারদের উপর তাণ্ডব চালিয়ে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন সৌম্য। ২৫ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করে ২৭ বলে ৫১ রানে সৌম্য সাজঘরে ফিরেন টিম সাউদির বলে।নিউজিল্যান্ডের মাটিতে এইটি ছিল বাংলাদেশী ব্যাটসম্যান হিসেবে দ্রুতমম ফিফটির রেকর্ড।

দেখেশুনে খেলতে থাকা নাইম ইসলাম অবশ্য স্ট্রাইকরেট খুব বেশি বাড়াতে না পারলেও ৩৫ বলে ৩৮ রান করে সাজঘরে ফিরেন দলীয় ১১০ রানে। এরপর বাকি ব্যাটসম্যানরা আসা-যাওয়ার মিছিলে যোগ দিলে নির্ধারিত ১৬ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ দল থামে ১৪২ রানে। ফলে টাইগাররা ম্যাচ হারে ২৮ রানে।

এর আগে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে শুরু থেকেই দুর্দান্ত ব্যাটিং করতে থাকেন নিউজিল্যান্ডের দুই ওপেনার মার্টিন গাপটিল এবং ফিন এলেন। অবশ্য এই ঝড় স্থায়ী হয়নি বেশি সময়। শুরুর দিকে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ এলেনের ক্যাচ মিস করলেও তাসকিন আহমেদের বলে সহজ ক্যাচ লুফে নেন নাইম শেখ।

দলীয় ৩৬ রানে কিউইদের প্রথম উইকেটের পতন ঘটলে খানিক পর আবারও ব্রেক থ্রু এনে দেন মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন। ১৮ বলে ২১ রান করা মার্টিন গাপটিলের দুর্দান্ত ক্যাচ নেন তাসকিন আহমেদ। পরের ওভারে এসে ডেভন কনওয়েকে সাজঘরের পথ ধরান পেসার শরিফুল ইসলাম। ৯ বল মোকাবেলায় কনওয়ের ব্যাট থেকে আসে ১৫ রান।

এরপর দেখেশুনে ব্যাট চালিয়ে যাচ্ছিলেন আরেক তরুণ কিউই ব্যাটসম্যান উইল ইয়াং। তবে ক্রিজে থিতু হওয়া ইয়াংকে সাজঘরে ফেরত পাঠান শেখ মেহেদি হাসান। ১৭ বলে ১৪ রানের ধীরগতির ইনিংস আসে ইয়াংয়ের ব্যাট থেকে। মার্ক চ্যাপম্যানকে নিয়ে অবশ্য দলের রানের চাকা সচল রাখেন গ্লেন ফিলিপস। ইনিংসের ১২.২ ওভার খেলা হলে হানা দেয় বৃষ্টি।

বৃষ্টির পর আবারও ঘুরে দাঁড়ায় কিউইরা। চ্যাপম্যানকে শেখ মেহেদি হাসান প্যাভিলিয়নে পাঠালেও ২৭ বলে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় অর্ধশতক হাঁকান ফিলিপস। শেষের দিকে আরও ঝড়ো ব্যাটিং করেন ফিলিপস। ড্যারেল মিচেলকে সাথে নিয়ে বড় জুটি গড়ে দলের সংগ্রহ বাড়াতে থাকেন এই ব্যাটসম্যান।

ইনিংসের ১৭ ওভার ৫ বলে এসে ব্ল্যাক ক্যাপসদের সংগ্রহ যখন ৫ উইকেটে ১৭৩ রান তখন আবারও ম্যাচে বৃষ্টি হানা দেয়। শেষ পর্যন্ত মিচেল অপরাজিত ছিলেন ১৬ বলে ৩৪ রানে ও ফিলিপস অপরাজিত ছিলেন ৩১ বলে ৫৮ রানে। তবে এরপর এই ইনিংসে আর কোনো বল মাঠে না গড়াতে পারলে বাংলাদেশের সামনে ১৬ ওভারে লক্ষ্য বেধে দেয়া হয় ১৭০ রান।

সংশ্লিষ্ট খবর

Leave a Comment