এশিয়াকাপের মূল একাদশ থেকে বাদ পড়তে পারেন এই তারকা ক্রিকেটার

অনেক নাটকীয়তার পর গতকাল আনুষ্ঠানিক ভাবে এশিয়াকাপের জন্য দল ঘোষনা করা হয়। তবে এবারের দল ঘোষনায় ব্যপক জটিলতা ছিলো বাংলাদেশের।

হুট করে তামিমের অবসর ঘোষনা, নুরুল, লিটনের ইনজুরি, সাকিবের বিতর্কিত ইস্যু, সব মিলিয়ে বেশ বিপাকে পরেছিলো বিসিবি। অবশেষে সকল বিপদ কাটিয়ে এশিয়াকাপের জন্য দল ঘোষোনা করে বিসিবি।

এবারের এশিয়া দেলে ফিরেছেন বেশ কিছু পুরোন প্লেয়ার। তবে এত সকল প্লেয়ারদের মাঝে হতাশা থেকে যাচ্ছে বাংলাদেশ ট-২০ দলের সাবেক অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের। সাইলেন্ট কিলার খ্যাত এই প্লেয়ার এবারের এশিয়াকাপে শোয়াডে থাকলেও মূল একদশে সুযোগ পাওয়া নিয়ে রয়েছে অনিশ্চায়তা।

হয়তো এটাই নিয়তির খেলা, এভাবেই হয়তো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ধীরে ধীরে রিয়াদ অধ্যায়ের সমাপ্তি হবে। বিগত জিম্বাবুয়ে সিরিজে হারিয়েছিলেন টি-টোয়েন্টির অধিনায়কত্ব, দল থেকেও বাদ পড়তে হয়েছিল দু ম্যাচের জন্য। প্রত্যাবর্তনের ম্যাচেও করে দেখাতে পারেনি বিশেষ কিছু।

তারপরও এক হালি ক্রিকেটারের ইনজুরির সুবাদে শেষ পর্যন্ত এশিয়া কাপের দলে টিকে গেলেন রিয়াদ। এখন প্রশ্ন হলো মূল একাদশে রিয়াদের খেলার সম্ভাবনা কতটুকু? সম্ভাবনা ফিফটি-ফিফটি বলা যায়। ইয়াসির আলী রাব্বি, লিটন কুমার দাস ইনজুরিতে না পড়লে হয়তো স্কোয়াডে জায়গাই হতো না রিয়াদের। রিয়াদের জায়গাটি চলে যেত রাব্বির কাছে। তবে রাব্বি চোটে পড়ায় একাদশে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে রিয়াদের। অপরদিকে স্কোয়াডে ডাক পাওয়া সোহানও পুরোপুরি ফিট নয়। তিনি যদি পুরোপুরি ফিট থাকেন তাহলে হয়তো তাকে দিয়েই রিয়াদের জায়গা পূরণের চেষ্টা করতে পারেন টিম ম্যানেজমেন্ট।

এছাড়াও রিয়াদের জায়গায় খেলতে পারেন তিন বছর পর জাতীয় দলে প্রত্যাবর্তন করা সাব্বির রহমান। হয়তো রিয়াদের চেয়ে সাব্বিরকে একটু বেশি সুযোগ দিয়ে দেখতে চাবেন নির্বাচকেরা।

অধিনায়ক যেহেতু সাকিব আল হাসান, তাই একটি ব্যাপার পুরোপুরি নিশ্চিত, দলের জন্য যেটি ভালো হবে সেটাই করবেন এই ক্রিকেটার। সেক্ষেত্রে সিনিয়র জুনিয়র এসব হিসেব দেখবেন না বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। ফলে কম্বিনেশন এর কারণে রিয়াদের বাদ পড়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। হয়তো সাইড বেঞ্চে বসেই কাটতে হতে পারে এশিয়া কাপ।

You May Also Like