khelaprotidin.com 2022 08 11T235756.362

নষ্ট হওয়া তেল দিয়ে মাছ ধরে ইন্টারনেটে ব্যাপক সাড়া যুবক!বর্তমানে অনলাইন কাঁপাচ্ছে ভিডিওটি..

jwppfOn
jwppfOn
jwppfOn
jwppfOn
jwppfOn

মাগুর বাংলাদেশের বহুল প্রচলিত মাছগুলোর মধ্যে একটি যার মূল প্রাপ্তিস্থান দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া।এর স্থানীয় নাম মজগুর, মচকুর বা মাগুর। আন্তর্জাতিকভাবে এটি ওয়াকিং ক্যাটফিস নামে পরিচিত। এই নামের কারণ হলো

jwppfOn
jwppfOn
jwppfOn
jwppfOn
jwppfOn

এটি শুষ্ক মাটির উপর দিয়ে প্রতিকূল পরিবেশ বা খাদ্য সংগ্রহের জন্য হেঁটে যেতে পারে। এই বিশেষ হাঁটার জন্য মাগুর মাছের বুকের কাছে পাখনা থাকে যা ব্যবহার করে এটি সাপের মত চলাচল করতে পারে। এই মাছের অতিরিক্ত শ্বাসযন্ত্র আছে যার মাধ্যমে এটি বাতাস থেকে শ্বাস নিতে পারে।

jwppfOn
jwppfOn
jwppfOn
jwppfOn
jwppfOn

মাগুর মাছ সাধারণত ৩০ সে.মি পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে। এর সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য ৪৭ সে.মি হতে পারে। মাছের গায়ে কোন আঁশ থাকেনা। এরা অস্থিময়, মাথা অবনত এবং দুটি খাঁজ বিদ্যমান৷ পিঠের পাখনা লম্বা এবং চার জোড়া শুড় আছে৷ মাথা চ্যাপ্টা, মুখ প্রশস্ত,
গায়ের রং লালচে বাদামী বা ধূসর কালো রংয়ের। কোন কোন ক্ষেত্রে পরিপক্ব স্ত্রী মাছের গায়ের রং ধূসর এবং পুরুষ মাছগুলির গায়ে হালকা বলয় থাকে। স্ত্রী মাছে কোন বলয় থাকে না। মাছের পৃষ্টদেশে ও পায়ুতে বড় বড় পাখনা থাকে।এই মাছ সর্বোচ্চ ১.১ঌ কেজি পর্যন্ত হতে পারে।

jwppfOn
jwppfOn
jwppfOn
jwppfOn
jwppfOn

বাইন, বাইম, বান। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, নেপাল, মায়ানমার, থাইল্যান্ড ও দক্ষিণ চীনে এই মাছ পাওয়া যায়। বাংলাদেশের সকল সব জলাশয়ে কমবেশি পাওয়া যায়।

এদের দেহ সাপের মতো দীর্ঘাকার ও প্রায় নলাকার। এদের দেহ আঁইশবিহীন। এই মাছের পৃষ্ঠদেশের রঙ বাদামী। এর ভিতরে কালো বর্ণের আঁকাবাঁকা দাগ দেখতে পাওয়া যায়। অঙ্কীয়ভাগ হলুদাভাব বাদামী। মুখ ছোট আর উভয় চোয়ালে তীক্ষ্ণ দাঁত রয়েছে।

jwppfOn
jwppfOn
jwppfOn
jwppfOn
jwppfOn

পৃষ্ঠপাখনার প্রথম ৩২-৪০টি। পাখনারশ্মি কাঁটায় রূপান্তরিত হয়েছে। এই পাখনারশ্মি মাথার পর থেকে শুরু করে দেহের অর্ধেকেরও পর পর্যন্ত বিস্তৃত। অবশিষ্ট পাখারশ্মির গোড়ায় এক সারি কালো বৃত্তাকার দাগ দেখতে পাওয়া যায়।
ভিডিও দেখতে এখানে ক্লিক করুন

jwppfOn
jwppfOn
jwppfOn
jwppfOn
jwppfOn

বক্ষ ও পুচ্ছ পাখনায় যথাক্রমে ২১-২৭ ও ১৪-১৭টি পাখনারশ্মি রয়েছে। পায়ুপাখনার প্রথম তিনটি পাখনারশ্মি কাঁটায় রূপান্তরিত হয়েছে। অবশিষ্ট পাখনারশ্মির সংখ্যা ৬৪-৯০টি। শ্রোণী পাখনা অনুপস্থিত। পৃষ্ঠ ও পায়ু পাখনা পুচ্ছপাখনার সাথে সংযুক্ত।

এবার অনলাইনে এক যুবকের বাইন মাছ ধরার ভিডিওটি ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।