khelaprotidin.com 2022 08 10T015617.053

ডিম দিয়ে একজন কৃষক অবিনব পদ্ধতিতে আশ্চর্যজনক ভাবে মাছ শিকার করে তাক লাগিয়ে দিল যা দেখে হতবাগ হয়ে গিয়েছেন অনেকে দেখে নিন আপনিও মুহূর্তেই তুমুল ভাইরাল ভিডিও..

মাগুর বাংলাদেশের বহুল প্রচলিত মাছগুলোর মধ্যে একটি যার মূল প্রাপ্তিস্থান দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া।এর স্থানীয় নাম মজগুর, মচকুর বা মাগুর। আন্তর্জাতিকভাবে এটি ওয়াকিং ক্যাটফিস নামে পরিচিত। এই নামের কারণ হলো

jwppfOn
jwppfOn
jwppfOn
jwppfOn
jwppfOn

এটি শুষ্ক মাটির উপর দিয়ে প্রতিকূল পরিবেশ বা খাদ্য সংগ্রহের জন্য হেঁটে যেতে পারে। এই বিশেষ হাঁটার জন্য মাগুর মাছের বুকের কাছে পাখনা থাকে যা ব্যবহার করে এটি সাপের মত চলাচল করতে পারে। এই মাছের অতিরিক্ত শ্বাসযন্ত্র আছে যার মাধ্যমে এটি বাতাস থেকে শ্বাস নিতে পারে।

jwppfOn
jwppfOn
jwppfOn
jwppfOn
jwppfOn

মাগুর মাছ সাধারণত ৩০ সে.মি পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে। এর সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য ৪৭ সে.মি হতে পারে। মাছের গায়ে কোন আঁশ থাকেনা। এরা অস্থিময়, মাথা অবনত এবং দুটি খাঁজ বিদ্যমান৷ পিঠের পাখনা লম্বা এবং চার জোড়া শুড় আছে৷ মাথা চ্যাপ্টা, মুখ প্রশস্ত,

jwppfOn
jwppfOn
jwppfOn
jwppfOn
jwppfOn

গায়ের রং লালচে বাদামী বা ধূসর কালো রংয়ের। কোন কোন ক্ষেত্রে পরিপক্ব স্ত্রী মাছের গায়ের রং ধূসর এবং পুরুষ মাছগুলির গায়ে হালকা বলয় থাকে। স্ত্রী মাছে কোন বলয় থাকে না। মাছের পৃষ্টদেশে ও পায়ুতে বড় বড় পাখনা থাকে।এই মাছ সর্বোচ্চ ১.১ঌ কেজি পর্যন্ত হতে পারে।

মাগুর মাছ বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, মায়ানমার, থাইল্যান্ড, ইন্দোচীন, ফিলিপাইন, হংকং, দক্ষিণ চীন এবং ইন্দোনেশিয়াতে পাওয়া যায়।[২] এটি মূলতঃ গ্রীষ্মমন্ডলীয় মাছ এবং পানির তাপমাত্রা ১০-২৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস এর জন্য উপযুক্ত তাপমাত্রা। মাছ সাধারণত পানির তলদেশে খাল, বিল, নদী-নালা, হাওড়-বাওড়, ধান ক্ষেতের কর্দমাক্ত পানি এমনকি উপকূলীয় এলাকায় ঈষৎ লোনা পানিতে স্বাভাবিকভাবে বিচরণ করে।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন