ধান ক্ষেতে ড্রেন করে মাছের অভিনব কায়দায় প্রচুর কই মাছ ধরে নিল যুবক, কই মাছ ধরার এমন পদ্ধতি নেটিজেনদের কাছে ভাইরাল ভিডিও..

ধান ক্ষেতে ড্রেন করে মাছের অভিনব কায়দায় প্রচুর কই মাছ ধরে নিল যুবক, কই মাছ ধরার এমন পদ্ধতি নেটিজেনদের কাছে ভাইরাল ভিডিও..

সেই আদিম যুগ থেকেই মানুষ জেলের কাজ করে আসছে। আদিম যুগে যখন মানুষ জানত না কোন কাজ তখন থেকেই মানুষ মাছ তোরে জীবন নির্বাহ করতো। এখনো যারা গ্রামে বাস করে বেশির ভাগ মানুষ মাছ ধরেই তারা তাদের জীবন নির্ভর করে থাকে। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে সবকিছু যেরকম উন্নত হচ্ছে ঠিক সেরকমই জেলেদের মাছ ধরার বিভিন্ন পদ্ধতির উন্নতি হচ্ছে। আগে মানুষ মাছ ধরার জন্য হাতে তৈরি জাল অথবা বিভিন্ন যন্ত্র ব্যবহার করত।

কিন্তু দিনে দিনে এখন সব কিছুতেই উন্নতি হয়েছে তেমনি মাছ ধরার বিভিন্ন যন্ত্রপাতির মধ্য এখন উন্নত এসেছে। মাছ ধরার জন্য এখন বের হয়েছে বিভিন্ন কৌশল এবং ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি। তাতে করে জেলেদের সময় যেমন সাশ্রয় হচ্ছে তেমন তাদের শক্তির অপচয় কম হচ্ছে। এখন তারা অল্প সময়ে অধিক মাছ ধরতে পারছে এতে করে তাদের জীবনযাত্রার মান এখন উন্নত হচ্ছে। মাছ ধরে এখন তারা তাদের জীবন নির্বাহ করতে সক্ষম হচ্ছে।

সময় ছিল যখন মানুষ অধিক কষ্ট করত কিন্তু মাছ হত অল্প এবং তাদের লাভ কম হতো এতে করে জীবন নির্বাহ করা অনেক কষ্টকর হয়ে যেত। কিন্তু এখন যুগের সাথে তাল মিলিয়ে যন্ত্রপাতির উন্নতি হওয়ায় মানুষ অল্প সময়ে অধিক মাছ ধরে অধিক লাভবান হতে পারে। কথায় আছে বুদ্ধি থাকলে উপায় হয় ঠিক তেমনি বুদ্ধি খাটিয়ে যদি আপনি কোন কাজ করতে পারেন তাহলে সেটাতো সফলতা আসবেই।

যারা বুদ্ধি খাটিয়ে কাজ করে তারা অধিক কাজ করেনা তারা অল্প কাজ করে কিন্তু অর্থ উপার্জন করে অধিক। কিন্তু যাদের বুদ্ধি নেই তারা ঠিকই পরিশ্রম করে তবে পরিশ্রম অনুযায়ী অর্থ উপার্জন করতে পারে না। যেকোনো কাজ আপনি যদি ধৈর্য সহকারে করতে পারেন তাহলে অবশ্যই আপনি সক্ষম হবেন কিন্তু আপনি যদি অল্পতেই ধৈর্য্য হারা হয়ে যান তাহলে আপনার পক্ষে সফলতা অর্জন করা অনেক কষ্টকর হয়ে যাবে।

কই বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের খুব সুস্বাদু মাছগুলোর অন্যতম। বর্তমানে এটি খুব দামী মাছ হিসাবে পরিচিত।বৈজ্ঞানিক নাম Anabas cobojius।

মাছটিকে ইংরেজিতে Gangetic koi বলে। এটি Anabantidae পরিবারের অন্তর্গত। এটি বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের স্থানীয় মাছ।এটি মিষ্টি জলের মাছ।
ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

সাধারণত নদী, খাল এবং বিলে পাওয়া যায়। তবে বর্তমানে পুকুরেও চাষ করা যায়।ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশে কই মাছের প্রচুর চাহিদা রয়েছে এবং সুস্বাদু বটে।কই (Anabas testudineus) আমাদের দেশী প্রজাতির একটি ছোট মাছ।

সবুজাভ-সোনালী বর্ণের এই মাছ আদিকাল থেকে আমাদের বিলে-ঝিলে সহজেই পাওয়া যেত। কই মাছ বাংলাদেশসহ এশিয়ার ১৭ টি দেশে পাওয়া যায়;

তবে প্রজাতি একই হলেও দেশভেদে কই মাছের বর্ণ, স্বাদ, ও বৃদ্ধি হার বিভিন্ন রকম। বাংলাদেশে প্রাকৃতিক জলাভূমির পরিমাণ দিনে দিনে কমে যাওয়ায় দেশী জাতের সুস্বাদু এই মাছটির প্রাপ্যতাও কমে যাচ্ছে। পুকুরে দেশী কই মাছের বৃদ্ধি কম হয়

ভিডিওটি সোস্যাল মিডিয়ায় আসার সাথে সাথে ব্যাপক সাড়া পেয়েছে। ভাইরাল ভিডিওটি টি আপনারা নিচে গেলেই দেখতে পাবেন।

You May Also Like