মোসাদ্দেকের নতুন ইতিহাস জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে বড় জয়ে পেল বাংলাদেশ

প্রথম টি-টোয়েন্টি থেকে হারের শিক্ষা নিয়ে ভিন্ন কৌশলে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে চার বিশেষজ্ঞ বোলার নিয়ে খেলার পরেও জিম্বাবুয়েকে কাঁপিয়ে দেন অফস্পিনিং অলরাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। ক্যারিয়ার সেরা ৫ উইকেট নিয়েছেন। তার ঘূর্ণিতে টস জিতে ব্যাট করতে নামা জিম্বাবুয়ে ৩১ রানে ৫ উইকেট হারিয়েছিল। এরপর অবশ্য স্বাগতিকদের আর বিপদে ফেলতে পারেনি বাংলাদেশ। বরং ধ্বংসস্তূপে লড়াই চালিয়ে দলকে টেনে তুলেছেন সিকান্দার রাজা এবং রায়ান ব্রাল।তাদের ৮০ রানের পার্টনারশিপে ঘুড়ে দাড়ায় জিম্বাবুয়ে।

প্রথম ম্যাচেও বিধ্বংসী ব্যাটিং করেছিলেন সিকান্দার রাজা। বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা তার বেশ পরিচিত। বিপিএল-ডিপিএল খেলে বাংলাদেশের খেলোয়াড়, বিশেষ করে বোলারদের প্রায় মুখস্ত করে ফেলেছেন তিনি। যে কারণে প্রথম ম্যাচের মত দ্বিতীয় ম্যাচেও ব্যাট হাতে লড়াই করছেন তিনি।প্রথম ম্যাচে ২৬ বলে করেছিলেন অপরাজিত ৬৫ রান। দ্বিতীয় ম্যাচে মোসাদ্দেক হোসেন যখন একদিকে ধ্বংসলীলা চালিয়েছেন, অন্যদিকে ব্যাট হাতে ঠায় দাঁড়িয়ে ছিলেন সিকান্দার রাজা। শুধু দাঁড়িয়েছিলেন বললে ভুল বলা হবে। একার হাতে লড়াই চালিয়েছেব তিনি।তার সাথে পূরণ করেন হাফ সেঞ্চুরি।

শেষ দিকে কিছুটা হাত খুলতে থাকা সিকান্দার রাজাও ফিরেছেন তার পর পর। ৫৩ বলে ৬২ রান করা এই ব্যাটারকে বিদায় দয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান। তার ইনিংসে ছিল ৪টি চার ২টি ছয়। ওয়েলিটন মাসাকদজা ৬ রানে রান আউট হলেও শেষ দিকে লক জঙ্গোয়ে ৫ বলে ১১ রান করে শেষ দিকে স্কোরবোর্ড সমৃদ্ধ করতে ভূমিকা রেখেছেন।

শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ করে ১৩৫ রান।টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের সেরা বোলিং ফিগারের দেখা পাওয়া মোসাদ্দেকের পাঁচ উইকেট ছাড়াও মুস্তাফিজ এবং হাসান মাহমুদ একটি করে উইকেট শিকার করেন।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে লিটনের উড়ান্ত সূচনা। এক প্রান্তে একা ব্যাট করে মুনিম শাহরিয়ার সাথে ৩৭রানের পার্টনারশিপ করেন। বিপিএলে ফেয়ালেস ক্রিকেট খেলে দলে সুযোগ পাওয়া মুনিম শাহরিয়ার রিচার্ড এনগারাভারের বাজে বলে সাজ ঘরে ফেরেন। ভয় ডরহীন শর্ট খেলার জন্য দলে সুযোগ পেলেও জাতীয় দলে এসে লং শর্ট খেলতে বড্ড ভয় পাচ্ছেন মুনিম। তাই এদিন ও করেন মাত্র ৭রান।

১৩৬ রানের সহজ লক্ষ তাই দেখে শুনে খেলে ক্যারিয়ারের ষষ্ঠতম অর্ধ শতক তুলে নেয় লিটন করেন ২ ওভার বাউন্ডারি আর ৬ বাউন্ডারিতে ৫৬রান। লিটন বিদায় নেয়ার পর এদিনও ভালো শুরু করে ১৬ রানে থামতে হয় বিজয়কে।৮১ রানে তিন উইকেট হারিয়ে ভলো পজিশনে ছিল টাইগাররা। পরে শান্ত আর আফিফ বিপদ ঘটতে দেননি।তাতেই ৭ উইকেটের জয় নিয়ে সিরিজ সমতায় এনে মাঠ ছাড়ে। এদিন ৫উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। মঙ্গলবার সিরিজের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশ সময় বিকাল ৫টায় হারারেতে মুখোমুখি হবে দুইদল।

You May Also Like

About the Author: