জয়ের খুব কাছে গিয়েও হেরে সরাসরি যাকে দায়ি করলেন অধিনায়ক সোহান

জিম্বাবুয়ের ছুঁড়ে দেওয়া ২০৬ রানের জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেটে ১৮৮ রান তুলতে পারে বাংলাদেশ। এতেই প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে ১৭ রানের জয় পেল স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে।

জিম্বাবুয়ের ছুঁড়ে দেওয়া ২০৬ রানের রানের পাহাড় টপকাতে নেমে শুরুতেই ওপেনার মুনিম শাহরিয়ারকে হারায় বাংলাদেশ। এরপর লিটন দাস দুর্দান্ত শুরুর পরেও শেষ পর্যন্ত ভুতুড়ে এক আউট হয়ে ফিরলেন প্যাভিলিয়নে। বাংলাদেশ ৬৩ রানে হারাল দ্বিতীয় উইকেট।

ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে দলীয় মাত্র ৫ রানের মাথায় মুনিম শাহরিয়ার ৮ বলে ৪ রান করে ফেরেন মাদসাকাদজার শিকার হয়ে। এরপর এনামুল হক বিজয়কে সঙ্গে নিয়ে ৫৮ রানের ঝড়ো জুটি গড়েন লিটন দাস। তবে শেষ পর্যন্ত ভুতুড়ে ভাবে আউট হয়ে লিটন ফিরলে ভাঙে এই জুটি।

ইনিংসের তখন ৭ম ওভারের শেষ বল। লিটন দাস শর্ট ফাইন লেগের ওপর দিয়ে বল মারতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন। তবে শরট ফাইন লেগে থাকা গ্রাভা বল প্রথমে ধরলেও পরে তার পায়ের সঙ্গে হাত লেগে বল পড়ে যায়। তবে বল তুলে তা বোলার শন উইলিয়ামসের দিকে ছুঁড়ে মারেন গ্রাভা। এদিকে গ্রাভা ক্যাচ লুফে নিয়েছেন ভেবে লিটন দাস উইকেটের মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকেন। আর বল পেয়েই উইলিয়ামস দৌড়ে গিয়ে স্ট্যাম্প ভেঙে দেন।

এরপর মাঠের দুই আম্পায়ার টিভি আম্পায়ারের দ্বারস্ত হন। পরবর্তীতে টিভি আম্পায়ার লিটনকে রান আউট ঘোষণা করেন। ৭ম ওভার শেষে দলীয় ৬৩ রানে লিটন দাস ফেরেন ১৯ বলে ৩২ রান করে। দুর্দান্ত ইনিংসটি ৬টি চারে সাজান লিটন দাস।

লিটন ফেরার পর বেশি সময় টিকতে পারেননি এনামুল হক বিজয়ও। ১০ ওভারে ২৭ বলে ২৬ রান করে বিজয় ফেরেন দলীয় ৮৫ রানের মাথায়। এরপর আফিফ হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে ১৯ রানের জুটি গড়েন নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে আফিফ ৮ বলে ১০ রান করে ফাইল চতুর্থ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

পঞ্চম উইকেটে অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান এবং শান্ত মিলে গড়েন ৪০ রানের জুটি। এই জুটিতেই বাংলাদেশ জয়ের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিল। তবে সে স্বপ্ন বেশি সময় স্থায়ী হয়নি। শান্ত ২৫ বলে ৩৭ রান করে ফেরেন দলীয় ১৪৬ রানের মাথায়। এরপর মোসাদ্দেককে সঙ্গে নিয়ে লড়াই চালিয়ে যান সোহান। তবে মোসাদ্দেক ১৯তম ওভারের শেষ বলে ১০ বলে ১৩ রান করে ফেরেন। শেষ পর্যন্ত সোহান ২৬ বলে ৪২ রানে অপরাজিত থাকেন। আর বাংলাদেশ নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে বাংলাদেশ থামে ১৮৮ রানে।

ম্যাচ শেষে অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান বলেন, ” পরের ম্যাচে আমাদের কিছু ওভারে ইম্প্রুভ করতে হবে , ১০-১৫ রান কম হলে আমাদের জন্য সহজ হতো। ভেবছিলাম আমরা রান তাড়া করতে পারবা, আশা করি আমরা পরের ম্যাচে আমরা শক্তিশালী ভাবে কামব্যাক করব।”

You May Also Like

About the Author: