মোসাদ্দেককে বোলিং এ না দেওয়ার কারণ জানালেন রিয়াদ

বৃষ্টিবিঘ্নিত প্রথম টি-টোয়েন্টিতে তিন স্পিনারের সঙ্গে দুই পেসার নিয়ে একাদশ সাজিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে উইকেট ভালো দেখে বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদকে বসিয়ে ডানহাতি পেসার তাসকিন আহমেদকে মূল একাদশে নিয়ে খেলতে নামে টাইগাররা।

পেসার বাড়িয়ে একাদশ সাজানোর এ পরিকল্পনায় সফল হয়নি সফরকারিরা। ডমিনিকার উইন্ডসর পার্কে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৯৩ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তিন পেসার মোস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ইসলাম ১১ ওভারে খরচ করেন ১১ ওভারে ১২৩ রান।

শেখ মেহেদি হাসান ও সাকিব আল হাসানের ৮ ওভার থেকে আসে ৭০ রান। পেসারদের বাকি থাকা একটি ওভার করানো হয় খণ্ডকালীন স্পিনার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতকে দিয়ে। ইনিংসের ১৩তম ওভারে সেই ওভারটি করে ক্যারিবীয় অধিনায়ক নিকোলাস পুরানকে আউট করেন মোসাদ্দেক, তুলে নেন মেইডেন ওভার।

তবু মোসাদ্দেককে দিয়ে আর দ্বিতীয় ওভার করাননি বাংলাদেশ অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। শেষ সাত ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজ তুলে নেয় ৯৩ রান। এর মধ্যে ছিল সাকিবের ২৩ রানের ওভার, তাসকিনের ২১ রানের ওভার। তবু এক ওভারের বেশি আর পাননি মোসাদ্দেক।

ম্যাচ শেষে এর ব্যাখ্যা দিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ। তার যুক্তি হলো, যেহেতু তখন উইকেটে ছিলেন দুই ডানহাতি ব্যাটার রভম্যান পাওয়েল ও ব্র্যান্ডন কিং। তাই ডানহাতি অফস্পিনার মোসাদ্দেককে আনেননি তিনি। একইভাবে বাঁহাতি ব্যাটার পুরান উইকেটে থাকায় মাঝে বাঁহাতি স্পিনার সাকিবকেও বোলিং করাননি।

সংবাদ সম্মেলনে মাহমুদউল্লাহ বলেছেন, ‘মোসাদ্দেককে আমি অবশ্যই বোলিং করাতাম। কিন্তু রভম্যান পাওয়েল তখন ব্যাটিংয়ে ছিলো। যেহেতু দুজনই ডানহাতি ব্যাটার, ঐ পাশের বাউন্ডারিটা একটু ছোটও ছিল। তো এজন্য আমি আর ঝুঁকি নেইনি। তাসকিনকে ঐ সময় বোলিংয়ে আনি।

তিনি আরও যোগ করেন, ‘ঐ পাশ থেকে সাকিব বোলিং করছিল। আপনারা দেখে থাকবেন, সাকিবকে আমি কিছুটা পরে বোলিংয়ে আনি। যেহেতু পুরান (বাঁহাতি) ব্যাটিং করছিল। তবে আমার মনে হয় রভম্যান পাওয়েল অসাধারণ ব্যাটিং করেছে। সে আমাদের থেকে ম্যাচটা ছিনিয়ে নিয়েছে।’

You May Also Like