অল আউট হওয়ার পরও অনেক রানের লিড পেল ওয়েস্ট ইন্ডিজ

বৃষ্টি শেষে দ্বিতীয় সেশনে খেলা শুরু হওয়ার তৃতীয় ওভারেই উইকেটের দেখা পায় বাংলাদেশ। দারুণ ব্যাটিংয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের লিড বাড়ানো কাইল মেয়ার্সকে ফেরান খালেদ। ডানহাতি এই পেসারের ফুলার লেংথের স্লোয়ার ডেলিভারিতে বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন মেয়ার্স। খালেদের স্লোয়ার বুঝতে না পেরে ফ্লিক করতে গিয়ে শরিফুল ইসলামের হাতে ক্যাচ তুলে দেন ১৪৬ রান করা বাঁহাতি এই ব্যাটার।

মেয়ার্স ফেরার পর কেমার রোচ ও অ্যান্ডারসন ফিলিপ মিলে বাংলাদেশের বোলারদের ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করেন। তবে সেটি বেশিক্ষণ বজায় রাখতে দেননি শরিফুল। বাঁহাতি এই পেসারের অফ স্টাম্পের বাইরের গুড লেংথ ডেলিভারিতে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন ফিলিপ। যদিও শুরুতে আউট দেননি আম্পায়ার উইলসন। তবে তৎক্ষণাৎ রিভিউ নেন সাকিব আল হাসান।

রিপ্লেতে দেখা যায় বল নুরুল হাসান সোহানের গ্লাভস বন্দি হওয়ার আগে তা ব্যাট স্পর্শ করে। তাতে ৯ রানে ফিরে যেতে হয় ফিলিপকে। এরপর গুড লেংথ ডেলিভারিতে জেডেন সিলসকে ফেরার খালেদ। তাতে ক্যারিয়ারে প্রথমবার ৫ উইকেট নেয়ার স্বাদ পান ডানহাতি এই পেসার। এর আগে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নিয়েছিলেন সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে।

থেমেছে বৃষ্টি, শুরু বাংলাদেশের খেলা

দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনে দাপট দেখালেও বাকি দুই সেশনে একেবারে ধারহীন ছিলেন বাংলাদেশের বোলাররা। তবে তৃতীয় দিনের শুরুটা ভালো হয়েছে সফরকারীদের। দিনের দ্বিতীয় ওভারেই বাংলাদেশকে উইকেট এনে দেন মেহেদি হাসান মিরাজ। ডানহাতি এই অফ স্পিনারের ফুলার ইন লাইন ডেলিভারিতে সুইপ করতে গিয়ে লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে পড়েন জশুয়া ডি সিলভা।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই উইকেটকিপার ব্যাটার ফিরেছেন ২৯ রানে। মিরাজের পর বাংলাদেশকে উইকেট এনে দেন খালেদ আহমেদ। ডানহাতি এই পেসারের অফ স্টাম্পের বাইরের শর্ট ডেলিভারিতে পুল করতে চেয়েছিলেন আলজারি জোসেফ। তবে ব্যাটে-বলে ঠিকঠাক টাইমিং না হওয়ায় মিড উইকেট থাকা লিটন দাসের হাতে ক্যাচ তুলে দেন। তাতে মাত্র ৬ রানে সাজঘরে ফিরতে হয় জোসেফকে।

প্রথম সেশনের প্রায় ৪৫ মিনিট খেলা হওয়ার পরই হানা দেয় বৃষ্টি। খেলা শুরুর আগেও সেন্ট লুসিয়াতে বৃষ্টি হয়েছে। অনবরত বৃষ্টি হওয়ায় ১০ মিনিট আগেই লাঞ্চের ঘোষণা দেন আম্পায়াররা। এরপর অবশ্য বৃষ্টি থামে। তাতে প্রায় ২ ঘণ্টা পর আবারও শুরু হয় খেলা।

সংক্ষিপ্ত স্কোর (তৃতীয় দিন)-

বাংলাদেশ (প্রথম ইনিংস) – ২৩৪/৯ (৬৪.২ ওভার) (তামিম ৪৬, জয় ১০, শান্ত ২৬, বিজয় ২৩, লিটন ৫৩, সাকিব ৮, সোহান ৭, মিরাজ ৯, শরিফুল ২৬, এবাদত ২১*, ফিলিপ ২/৩০, জোসেফ ৩/৫০, সিলস ৩/৫৩)

ওয়েস্ট ইন্ডিজ (প্রথম ইনিংস) – ৪০৮/১০ (১২৬.৩ ওভার) (ক্যাম্পবেল ৪৫, ব্র্যাথওয়েট ৫১, রেইফার ২২, মেয়ার্স ১৪৬, ব্ল্যাকউড ৪০, জশুয়া ২৯, খালেদ ৫/১০৬, মিরাজ ৩/৯১, শরিফুল ২/৭৬)

x

You May Also Like