ক্যারিবীয় সিরিজে আলোচনায় ডিউক বল

মাঠের ক্রিকেটের সঙ্গে সাদা পোশাকে ক্যারিবিয়ান সিরিজে বিশেষ আলোচনায় ডিউক বল। প্রচণ্ড গতি আর সুইংয়ের জন্য যা বিখ্যাত। ওয়েস্ট ইন্ডিজ স্কোয়াডে রোচ, হোল্ডার, ব্রাথওয়েটের মতো অভিজ্ঞরা না থাকলেও ১২ সদস্যের দলে ৫ সিমার নিশ্চিত করছে, টাইগার ব্যাটসম্যানদের সামলাতে হবে তাদের গতি আর বাউন্স।

সেই সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে টপঅর্ডারের মলিন ফর্ম। ক্রিকেট বলের রাজা ডিউকের অভিজ্ঞতা আবারও ফিরছে ক্যারিবিয়ান সফরে। ফিজকে ডিউক নিয়ন্ত্রণের কৌশল শেখাচ্ছেন অ্যালান ডোনাল্ড, যা নিয়ে আলোচনা পেয়েছে ভিন্ন মাত্রা।

আগেই জানা গিয়েছিল এসজি কিংবা কোকাবুরা নয়, দুই ম্যাচের এই টেস্ট হবে ডিউক বলে। যে অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য নতুন না হলেও সুখকর নয়। স্কটিশ গরুর চামড়া দিয়ে বানানো এই বলকে সিরিজের জন্য কেন বেছে নিল ক্যারিবিয়ানরা?

নজর দেয়া যাক বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের জন্য তাদের স্কোয়াডে। ১২ সদস্যের দলে দুজন স্ট্যান্ডবাই। ছয়জন জাত ব্যাটসম্যান। ব্রাথওয়েট-ব্ল্যাকউড-বোনার-জশুয়া ডি সিলভা সবারই অভিজ্ঞতা আছে টাইগারদের বিপক্ষে খেলার। জন ক্যাম্পবেল ডেভন থমাস দুজনেই পরীক্ষিত মুখ। তবে মূল রহস্যটা যে এরপরই।

ঘোষিত স্কোয়াডে পাঁচ পেসার। নতুন বলে সুইংয়ের জন্য আলজারি জোসেফের জুড়ি মেলা ভার। অ্যান্ডারসন ফিলিপের সঙ্গে জোডেন সিলস। কাইল মেয়ার্স আর রেয়মন রেফার পেসে আগুন গোলার সঙ্গে ব্যাটিংটাও করেন জুতসই। স্কোয়াডে একমাত্র স্পিনার অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা গুদাকেশ মোতি।

নজর দেয়া যাক এই পাঁচ পেসারে। রোচ-ব্রাথওয়েটের মতো তুমুল গতি না থাকলেও সুইংয়ে ব্যাটসম্যানদের বিভ্রান্ত করতে সিদ্ধহস্ত সবাই। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তো বটেই, ঘরোয়া লিগের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সও তাই বলে। একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচেও এই ডিউক বলের সুইংয়ে কাবু হয়েছে টাইগার মিডলঅর্ডার।

তবে ইটের জবাবে পাটকেল দেয়ার কতটুকু রসদ আছে বাংলাদেশের, তা তর্কের দাবি রাখে। বিশেষ করে তাসকিন-শরিফুলের অনুপস্থিতি কিছুটা হলেও খর্বশক্তি করেছে বাংলাদেশের সিম ইউনিটকে। খালেদ-এবাদাত সাম্প্রতিক সময়ে ভালো করছে। তাই তো চকচকে ডিউক বল, টাইগার-উইন্জির সিরিজের হতে যাচ্ছে এক্স ফ্যাক্টর।

You May Also Like

About the Author: