আইপিএল ফাইনাল ম্যাচে মাঠে নামার আগেই চরম দুঃসংবাদ পেল রাজস্থান রয়্যালস

শুক্রবার আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে একপেশে ম্যাচে এলিমিনেটরে জিতে আসা রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে উড়িয়ে ফাইনালের টিকিট পেলো রাজস্থান রয়্যালস। ২৯শে মে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে গুজরাট টাইটান্সের মুখোমুখি হবে তারা।

জট বাটলারের চতুর্থ শতরানে ভর করে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে ৭ উইকেটে উড়িয়ে দিলো সঞ্জু স্যামসনের দল। তবে একা বাটলার নন, দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছেন রাজস্থান রয়্যালসের বোলাররা।

তার মধ্যে একজনকে বিশেষ কৃতিত্ব দিলেন রাজস্থান রয়্যালস দলের পরামর্শদাতা শ্রীলঙ্কান কিংবদন্তি কুমার সাঙ্গাকারা। সাঙ্গাকারা জানিয়েছেন ব্যক্তিগত জীবনে প্রবল প্রতিকূলতার মধ্যেও দলের জন্য ওয়েস্ট ইন্ডিজের আন্তর্জাতিক ওবেদ ম্যাকয় দুরন্ত পারফরম্যান্স করেছেন।

শুক্রবার আহমেদাবাদে আরসিবি প্রথমে ব্যাট করে বড় রান তুলতে ব্যর্থ হয় যার মূল কারণ এই বাঁহাতি পেসার। তিনি তার ৪ ওভারে মাত্র ২৩ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়েছিলেন।

আপনার চেহারা থেকে কিভাবে 15 বছর কমিয়ে ফেলবেন তার গোপন সূত্র
আরও জানুন
খেলা শেষের পরে, সাঙ্গাকারা প্রকাশ করেছিলেন যে ম্যাকয়ের মা ওয়েস্ট ইন্ডিজে নিজের বাড়িতে গুরুতর অসুস্থ ছিলেন এবং সেই মানসিক প্রতিকূলতা সত্ত্বেও ক্যারিবিয়ান তারকা আরসিবির বিরুদ্ধে দুর্দান্ত বোলিং করেছেন।

কিন্তু সাঙ্গাকারা এটাও জানিয়েছে যে সে ফাইনালে নাও খেলতে পারে। আর সে না খেললে ফাইনালে বড় ক্ষতির মুখে পরবে আরআর। বলিং দুরর্বল হলে তাধের কাপ জয়ের আশা ক্ষিন হয়ে পরবে।

কীভাবে আমি মাত্র ২ মাসে ৮৫ কেজি থেকে ৫৪ কেজিতে নেমেছিলাম
আরও জানুন
কাল অবশ্য গোটা দল হিসাবেই ব্যর্থ হয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। আরসিবির ব্যাটিং লাইন আপে লড়াই করলেন শুধু এলিমিনেটরের নায়ক রজত পতিদার। এই ম্যাচেও তিনিই আরসিবির ব্যাটিংকে টানলেন।

৪২ বলে ৪টি চার ও ৩টি ছয় সহযোগে ৫৮ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। ১৩ বলে ২৪ রানের ইনিংস খেলে তাকে কিছুটা সাহায্য করেছিলেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। কিন্তু তা যথেষ্ট ছিল না।

নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট খুইয়ে ১৫৭ রানের বেশি করতে পারেনি আরসিবি। ৩টি করে করে উইকেট নেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা এবং ওবেদ ম্যাকয়। রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই নিজেদের মনোভাব পরিষ্কার করে দেন রাজস্থান রয়্যালসের দুই ওপেনার যশস্বী জয়সওয়াল এবং জস বাটলার।

প্রথম ওভার থেকেই তারা কড়া আক্রমণের রাস্তা বেছে নেন। যশস্বী ১৩ বলে ২১ রানের ইনিংস খেলে আউট হলেও বাটলার নিজের স্বাভাবিক খেলা খেলতে থাকেন।

প্রথম দশ ওভারের মধ্যেই পরিষ্কার হয়ে যায় ম্যাচের ভবিষ্যৎ। অসাধারণ ব্যাটিং করেন বাটলার। পেস হোক বা স্পিন, দুইয়ের বিরুদ্ধেই সমানভাবে সাবলীল ছিলেন তিনি। মরশুমের চতুর্থ শতরান করেন তিনি।

৬০ বলে ৬টি ছক্কা ও ১০টি চার সহ ১০৬ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন তিনি। ১১ বল বাকি থাকতেই শেষ হয়ে যায় ম্যাচ

You May Also Like

About the Author: