টেস্ট ইতিহাসের শীর্ষ দশ স্পিনারের তালিকায় সাকিব

InCollage 20220526 203628239

টেস্টে এ নিয়ে ১৯ বার ইনিংসে ৫ উইকেট নিলেন সাকিব। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে যা সর্বোচ্চ। ১০ বার ৫ উইকেট নিয়ে দুইয়ে তাইজুল ইসলাম। ৮ বার নিয়ে তিনে মেহেদী হাসান মিরাজ এবং ৭ বার তা করে দেখিয়ে চারে মোহাম্মদ রফিক।

অর্থাৎ বাংলাদেশের এ তালিকায় শীর্ষ চারে কোনো পেসার নেই। ৪ বার ৫ উইকেট নেওয়া পেসার শাহাদত হোসেন পাঁচে। টেস্টে সর্বোচ্চসংখ্যক বার ৫ উইকেট নেওয়া বোলারদের তালিকায় সাকিব মাঝামাঝি অবস্থানে। তার চেয়ে বেশিবার ইনিংসে ৫ উইকেট নিয়েছেন ২৫ জন বোলার।

অবিশ্বাস্যভাবে ৬৭ বার ৫ উইকেট নিয়ে শীর্ষে শ্রীলঙ্কার কিংবদন্তি স্পিনার মুত্তিয়া মুরালিধরন। দুইয়ে থাকা অস্ট্রেলিয়ান কিংবদন্তি শেন ওয়ার্ন ৩৭ বার নিয়েছেন ৫ উইকেট।

শুধু স্পিনারদের হিসাব করলে সাকিব উঠে আসবেন শীর্ষ দশে। রিচি বেনো, আবদুল কাদির, ভগবৎ চন্দ্রশেখর, সাকলায়েন মুশতাক, বিল ও’রিলির মতো কিংবদন্তিদের চেয়েও টেস্টে বেশি সংখ্যকবার ইনিংসে ৫ উইকেট নিয়েছেন সাকিব। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক অফ স্পিনার ল্যান্স গিবসকে আজ পেছনে ফেলে স্পিনারদের এ তালিকায় সাকিব উঠে এসেছেন ১০ নম্বরে।

৯ ও ৮ নম্বরে থাকা দুজন-নিউজিল্যান্ডের বাঁহাতি স্পিনার ড্যানিয়েল ভেট্টোরি (২০ বার) ও অস্ট্রেলিয়ান লেগ স্পিনার ক্ল্যারি গ্রিমেট (২১ বার) সামান্য ব্যবধানেই এগিয়ে তার চেয়ে।

টেস্ট ক্রিকেটে সাকিবের প্রথম ৫ উইকেট অভিষেকের বছর দেড়েকের মধ্যে। ২০০৮ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে চট্টগ্রামে ৩৬ রানে ৭ উইকেট এখনো তার ক্যারিয়ার–সেরা বোলিং হয়ে আছে।

নভেম্বরে ব্লুমফন্টেইন ও সেঞ্চুরিয়নে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে পরপর দুই ইনিংসে ৫ ও ৬ উইকেট নিয়েছিলেন, এরপর এই মিরপুরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পরের টেস্টেই আবার ইনিংসে ৫ উইকেট। এরপর টানা দুই ইনিংসে ৫ উইকেট নিয়েছেন আরও তিনবার।

২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ভারতের বিপক্ষে টেস্টে, এর পাঁচ বছর পর ২০১৪ সালে খুলনায় জিম্বাবুয়ের দুই ইনিংসে এবং সর্বশেষ ২০১৭ সালে মিরপুর টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার দুই ইনিংসে।

এরপর ৭ টেস্ট খেললেও ঘরের মাঠে পাঁচ উইকেট ছিল না তার।পাঁচ বছর পর সাকিবের অপেক্ষা ফুরাল। জয়াবিক্রমাকে উইকেটের পেছনে তালুবন্দি করিয়ে ফাইফারের স্বাদ পেলেন। সাকিবের বোলিং ফিগার ৪০.১–১১–৯৬–৫।

You May Also Like