ঘটনাবহুল ম্যাচটি স্মরণীয় করে রাখলো পিএসজি

২৩তম মিনিটে ডি মারিয়ার শট ঝাঁপিয়ে ব‍্যর্থ করে দেন গোলরক্ষক। ফিরতি বলে প্রেসনেল কিম্পেম্বের শট ঠেকান এক খেলোয়াড়। পরের মিনিটেই এগিয়ে যায় পিএসজি।

ডি মারিয়ার চমৎকার পাস ডি-বক্সে ধরে এগিয়ে আসা গোলরক্ষককে এড়ান এমবাপে। দুই জন খেলোয়াড় চেষ্টা করেন গোললাইনের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়াতে, সফল হননি। তাদের একজনের দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে জাল খুঁজে নেন ফরাসি তারকা।

চার মিনিট পর ব‍্যবধান দ্বিগুণ করেন এমবাপে। মেসির রক্ষণচেরা পাস ডি-বক্সের মাথায় পেয়ে যান তরুণ ফরোয়ার্ড। এবারও এগিয়ে আসেন গোলরক্ষক, তাকে আবার পরাস্ত করে কাছের পোস্ট দিয়ে জাল খুঁজে নেন এমবাপে।

৩২তম মিনিটে ব‍্যবধান ৩-০ করেন নেইমার। নিজেদের অর্ধে মেস বল হারালে পেয়ে যান মেসি। তার পাস খুঁজে পায় আর্জেন্টাইন সতীর্থ ডি মারিয়াকে। আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডারের সামনে একাই ছিলেন গোলরক্ষক। পেছন থেকে বুবাকার কুইয়াত স্লাইড করলে পেয়ে যান নেইমার। চমৎকার ফিনিশিংয়ে বাকিটা সারেন তিনি।

৫০তম মিনিটে ডি-বক্সে ঢোকার সময় কুইয়াতের কাছে বল হারিয়ে ফেলেন তিনি। দ্রুত শট না নিয়ে দেরি করে ফেলেন মেসের ডিফেন্ডার। বল পুনরুদ্ধার করে তৃতীয়বারের মতো গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন এমবাপে। আসরে এটি তার ২৮তম গোল।

দুই মিনিট পর চতুর্থ গোলও পেতে পারতেন এমবাপে। মেসির পাস পেয়ে গোলরক্ষককে এড়াতে পারেননি তিনি। ফিরতি বলে শট না নিয়ে খুঁজে নেন অরক্ষিত নেইমারকে। ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের শট গোললাইন থেকে ফেরান দিলান ব্রন।

৫৮তম মিনিটে নেইমারকে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন বুবাকার ত্রাওরে। বাকি সময়ে মেস খেলে ১০ জন নিয়ে। তিন মিনিট পর এমবাপের শট ব্যর্থ হয় পোস্ট লেগে।
৬৭তম মিনিটে ফের পোস্টে লাগে বল। এমবাপের বাড়ানো বল বুক দিয়ে নামিয়ে বুলেট গতির শট নেন মেসি। পোস্ট কাঁপিয়ে ফেরা বল পেয়ে যান ডি মারিয়া। ফাঁকা জালে বল পাঠাতে তার স্রেফ একটা টোকা দরকার ছিল।

২৬ জয় ও আট ড্রয়ে ৮৬ পয়েন্ট নিয়ে লিগ শেষ করল পিএসজি।

You May Also Like

About the Author: