দিল্লিকে হারিয়ে বেঙ্গালুরুকে প্লে-অফে তুলে দিল মুম্বই!

ইডেন গার্ডেন্স অবশেষে দেখতে চলেছে বিরাট কোহলীকে। সেই সুযোগ করে দিলেন কোহলীর থেকে জাতীয় দলের অধিনায়কত্ব পাওয়া রোহিত শর্মা। শনিবার রোহিতের দল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স পাঁচ উইকেটে হারিয়ে দিল দিল্লি ক্যাপিটালসকে।

ফলে চতুর্থ দল হিসেবে আইপিএলের যোগ্যতা অর্জন করল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। তাদের ১৪ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট। দিল্লি শেষ করল ১৪ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে। মুম্বই আগেই বিদায় নিয়েছিল। ফলে পচা শামুকে পা কাটল ঋষভ পন্থদের। এ দিন প্রথমে ব্যাট করে দিল্লি ১৫৯-৭ তোলে। রভমান পাওয়েল (৪৩) এবং পন্থ (৩৯) বাদে কেউই দাঁড়াতে পারেননি। জবাবে ঈশান কিশন (৪৮) এবং টিম ডেভিডের (৩৪) দাপটে জেতে মুম্বই।

টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল দিল্লি। তবে শুরুটা তাদের খুবই খারাপ হয়। তৃতীয় ওভারেই ফিরে যান ছন্দে থাকা ডেভিড ওয়ার্নার (৫)। চতুর্থ ওভারে দ্বিতীয় বলে ফেরেন মিচেল মার্শ (০)। কিছুক্ষণ পরে ফিরে যান পৃথ্বী শ (২৪) এবং সরফরাজ খান (১০)। ৫০ রানে চার উইকেট হারিয়ে তখন ধুঁকছে দিল্লি। সেই সময়ে দিল্লির হাল ধরেন অধিনায়ক পন্থ এবং রভমান পাওয়েল। দু’জনে মিলে পঞ্চম উইকেটে ৭৫ রান যোগ করেন।

১৬তম ওভারে পন্থ ৩৯ রান করে আউট হন। পাওয়েল অর্ধশতরানের সাত রান দূরে ফিরে যান। তাঁর ৩৪ বলে ৪৩ রানের ইনিংসে রয়েছে একটি চার এবং চারটি ছক্কা। অক্ষর পটেলের অপরাজিত ১৯ রানের সৌজন্যে নির্ধারিত ওভারে ১৫৯/৭ স্কোরে পৌঁছয় দিল্লি। মুম্বইয়েরও শুরুটা ভাল হয়নি। পরের পর বল খেললেও রান পাচ্ছিলেন না রোহিত শর্মা। শেষ পর্যন্ত ১৩ বলে দু’রানে ফিরে যান তিনি। সেখান থেকে দলের হাল ধরেন ঈশান কিশন এবং ডেওয়ল্ড ব্রেভিস।

ঈশান বেশি আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে ছিলেন। তিনটি চার এবং চারটি ছয়ের সাহায্যে ৩৫ বলে ৪৮ করে তিনি আউট হন। কিছুক্ষণ পরে ফিরে যান ব্রেভিসও। তিনি ৩৭ রান করেন। স্বভাবোচিত ভঙ্গিতে এ দিনও খেলেন টিম ডেভিড। শুরু থেকে মারকুটে মেজাজ। ১১ বলে দু’টি চার এবং চারটি ছক্কার সাহায্যে ৩৪ রান করে দেন। ওখানেই কার্যত ম্যাচ পকেটে চলে আসে মুম্বইয়ের।

You May Also Like

About the Author: