জমে উঠেছে প্লে-অফের লড়াই, কলকাতা-দিল্লির প্লে-অফের কঠিন হিসাব নিকাশ দেখেনিন

৬১তম লিগ ম্যাচের পরে আইপিএল ২০২২-এর প্লে-অফে যোগ্যতা অর্জনের লড়াইটায় চোখ রাখা যাক।
গুজরাট টাইটানস: ১২ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে ইতিমধ্যেই প্লে-অফের যোগ্যতা অর্জন করেছে গুজরাট। শেষ ২টি ম্যাচ তাদের লড়াই প্রথম দুইয়ে থেকে লিগ শেষ করার। প্রথম দুইয়ে থাকা নিশ্চিত হার্দিক পান্ডিয়াদের। তাদের ম্যাচ বাকি চেন্নাই ও আরসিবির বিরুদ্ধে।

লখনউ সুপার জায়ান্টস: ১২ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে প্লে-অফের দোরগোড়ায় লখনউ। ১টি ম্যাচ জিতলেই শেষ চারের টিকিট নিশ্চিত। তাদের ম্যাচ বাকি রাজস্থান ও কলকাতার সঙ্গে। রাজস্থানকে হারালে প্রথম দুইয়ে থাকা নিশ্চিত। কোনও ম্যাচ না জিতেও প্লে-অফে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে লখনউয়ের।

রাজস্থান রয়্যালস: ১২ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে প্লে-অফের লড়াইয়ে সুবিধাজনক জায়গায় রয়েছে রাজস্থান। তাদের ম্যাচ বাকি লখনউ ও চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে। ২টি ম্যাচ জিতলে প্রথম দুইয়ে থাকার দাবিদার হয়ে উঠবে রাজস্থান। একটি ম্যাচ জিতলে নেট রান-রেটের অঙ্ক কষতে হতে পারে রয়্যালসকে।

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর: ১৩ ম্যাচে ১৪ রয়েন্ট রয়েছে আরসিবির। তারা শেষ ম্যাচ খেলবে গুজরাটের বিরুদ্ধে। জিতলে ১৬ পয়েন্ট সংগ্রহ করবে তারা। সেক্ষেত্রে নেট রান-রেটের অঙ্ক কষতে হতে পারে কোহলিদের। রান-রেট নিতান্ত খারাপ হওয়ায় হারলে ছিটকে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল ব্যাঙ্গালোরের।

দিল্লি ক্যাপিটালস: ১২ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট রয়েছে দিল্লির। তাদের ম্যাচ বাকি পঞ্জাব ও মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে। ২টি ম্যাচ জিতলে ১৬ পয়েন্টে পৌঁছে যাবেন পন্তরা। সেক্ষেত্রে পঞ্জাবের নাগাল এড়িয়ে প্লে-অফের দাবি পেশ করবে দিল্লি। তবে ১টি ম্যাচে হারলেই ১৪ পয়েন্টের আটকে যেতে হবে তাদের। সেক্ষেত্রে অত্যন্ত জটিল অঙ্কের উপর নির্ভর করবে তাদের ভবিষ্যত।

কলকাতা নাইট রাইডার্স: ১৩ ম্যাচে কেকেআরের সংগ্রহে রয়েছে ১২ পয়েন্ট। ১৪ পয়েন্টে পৌঁছে হিসাবের মধ্যে বিবেচিত হওয়ার জন্য শেষ ম্যাচে লখনউকে হারাতেই হবে। নাহলে সরাসরি বিদায় কলকাতার। জিতলে চতুর্থ দল হিসেবে প্লে-অফে যাওয়ার জন্য রান-রেটের লড়াইয়ে নামার সম্ভাবনা জিইয়ে থাকবে। কলকাতাকে রান-রেটের নিরিখে প্লে-অফে যেতে হলে আরসিবিকে শেষ ম্যাচে হারতে হবে অথবা রাজস্থানকে ২টি ম্যাচেই হারতে হবে। সেই সঙ্গে দিল্লি ও পঞ্জাবকে ১টি করে ম্যাচে হারতে হবে।

পঞ্জাব কিংস: ১২ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট রয়েছে পঞ্জাবের। শেষ ২টি ম্যাচ জিতে ১৬ পয়েন্টে পৌঁছলে তাদের প্লে-অফে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। কেননা পঞ্জাবের ম্যাচ বাকি দিল্লি ও হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে। দু’টি ম্যাচ জেতা মানে দুই প্রতিদ্বন্দ্বীকে পিছনে ফেলে দেবে পঞ্জাব। তবে ১টি ম্যাচ হারলে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে জটিল রান-রেটের অঙ্কের দিকে তাকিয়ে থাকতে হতে পারে মায়াঙ্কদের।

সানরাইজার্স হায়দরাবাদ: কলকাতার কাছে হেরে হিসাব জটিল করে ফেলে হায়দরাবাদ। ১২ ম্যাচে তাদের সংগ্রহ ১০ পয়েন্ট। সুতরাং ১৪ পয়েন্টের বেশি এগনোর সুযোগ নেই সানরাইজার্সের সামনে। তাদের ম্যাচ বাকি মুম্বই ও পঞ্জাবের বিরুদ্ধে। ভেসে থাকতে ২টি ম্যাচ জিততেই হবে। একটি হারলেই বিদায় নিশ্চিত। ২টি ম্যাচ জিতেও তাদের প্লে-অফের লড়াইয়ে থাকা মুশকিল। কেননা নেট রান-রেট নিতান্ত খারাপ হায়দরাবাদের।

চেন্নাই ও মুম্বই ইতিমধ্যেই বিদায় নিশ্চিত করে ফেলেছে। বাকিদের রাস্তা কঠিন করা ছাড়া আর কোনও কাজ নেই ধোনি ও রোহিতদের।

You May Also Like

About the Author: