Untitled design 2022 04 25T003959.324

জেনেনিন ব্রাজিলের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার খেলতে না চাওয়ার কারণ!

কনমেবল অঞ্চল থেকে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে পণ্ড হওয়া ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার ম্যাচটি আগামী সেপ্টেম্বরে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আন্তর্জাতিক ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। তবে লিওনেল মেসিরা ব্রাজিলের বিপক্ষে পরিত্যক্ত ম্যাচটি পুনরায় খেলতে চান না।

এছাড়া আগামী জুনে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে অনুষ্ঠেয় প্রীতি ম্যাচেও অংশ নিতে চায় না আর্জেন্টিনা। এর পেছনে অবশ্য আর্জেন্টাইনদের যুক্তি, ম্যাচ বাতিলের পেছনে তাদের কোনো দোষ না থাকা ও দলকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম দেওয়া। পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্রীড়া ইভেন্ট ফুটবল, আর সবচেয়ে আকর্ষণীয় ম্যাচ ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা মহারণ।

দক্ষিণ আমেরিকার এই দুই দেশের লড়াই দেখার জন্য পৃথিবীর মানুষ দুই ভাগে ভাগ হয়ে পড়ে। এ দুই দেশের ম্যাচের জন্য অধীর আগ্রহে বসে থাকে ফুটবলপ্রেমীরা। তবে গত বছরের সেপ্টেম্বরে মাঠে নামার পাঁচ মিনিট পরই সমর্থকদের হতাশ করে ম্যাচটি পণ্ড করে দেয় ব্রাজিলের স্বাস্থ্যকর্মীরা।

এ নিয়ে অনেক জল ঘোলা করার পরে করোনা স্বাস্থবিধি না মানায় ৪ আর্জেন্টাইন ফুটবলারকে অভিযুক্ত করে শাস্তি দেয় ফিফা। এছাড়া পণ্ড হওয়া ম্যাচটি আগামী ২২ সেপ্টেম্বরে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। এদিকে ওই ম্যাচে নিজেদের কোনো অপরাধকে অস্বীকার করে ম্যাচটি খেলতে চায় না আর্জেন্টিনা।

দেশটির ফুটবল সংস্থার (এফএ) উপদেষ্টা আন্দ্রেস উরিচ আর্জেন্টিনার একটি গণমাধ্যমকে জানান, যেহেতু তাদের কারণে ম্যাচটি বাতিল হয়নি, কাজেই এই ম্যাচ আবার খেলতে তারা বাধ্য নন। তিনি বলেন, ‘সিদ্ধান্তটি ন্যায্য হয়নি। আর্জেন্টিনার কারণে তো ম্যাচ বাতিল হয়নি। বিষয়টি নিয়ে আদালতে যাওয়ার অধিকার আমাদের আছে।’

এদিকে আগামী ১১ জুন অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে প্রীতি ম্যাচে মাঠে নামার কথা দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার। কিন্তু সে ম্যাচে অংশ নিতেও অনাগ্রহ মেসিদের। ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলতে না চাওয়ার পেছনে আর্জেন্টাইন কোচ লিওনেল স্কালোনি বেশ কিছু যুক্তি দেখিয়েছেন।

জুন মাসের ১ তারিখ লন্ডনে ইতালির বিপক্ষে ইউরোপ-আমেরিকা মহাদেশের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা। এরপর নিজ দলের খেলোয়াড়দের কিছুদিনের জন্য ছুটি দিতে চাইছেন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি।

কিন্তু অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলতে হলে ছুটি পাওয়া যাবে না। শুধু তাই নয়, লন্ডন থেকে দীর্ঘ ভ্রমণের ক্লান্তিও সঙ্গী হবে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের। এ কারণেই মূলত অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে প্রীতি ম্যাচটি খেলতে চাইছে না আর্জেন্টিনা।