প্রধান কোচ ছাড়াই চলছে নারী ক্রিকেট

প্রধান কোচ না থাকলেও, নারী ক্রিকেটারদের ক্যাম্পের অনুশীলনে কোনো অসুবিধা হচ্ছে না বলে জানালেন পেসার জাহানারা আলম। স্কিল ডেভেলপমেন্টের জন্য সব ডিপার্টমেন্টে আলাদা কোচ থাকায়, নিজেদের প্রস্তুতি নিয়ে বেশ সন্তুষ্ট এ ক্রিকেটার। তবে, শিষ্যদের স্কিল ওয়ার্ক নিয়ে খুশি নন স্পিন কোচ ওয়াহিদুল গণি। যদিও, সময় দিলে উন্নতি সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।

কোভিডের এক বছর কেটেছে ঘরের ভেতর। ছিল না অনুশীলনের কোন সুযোগ। টুকটাক ফিটনেস নিয়ে যা হয়েছে, তাতে সন্তুষ্ট ছিলেন না খোদ ক্রিকেটাররাই। এমনিতেই নারী ক্রিকেটে ম্যাচ হয় না খুব একটা। কালে ভদ্রে যে সুযোগ আসে, তারও বেশিরভাগটাই নষ্ট হয়ে গেছে করোনার আক্রমণে। এ অবস্থায় নিজেদের নিয়ে শঙ্কায় ছিলেন সালমা-পিংকিরা।

তবে, মাঠে ফেরার আগে সিলেটের ক্যাম্প নিয়ে উচ্ছ্বসিত সবাই। পুরো দস্তুর অনুশীলনের পাশাপাশি ১০টির মতো ম্যাচ খেলতে পারায় নিজেদের ফিটনেস আগের চেয়ে অনেক ভালো হয়েছে বলেও মনে করেন ক্রিকেটাররা।

জাহানারা আলম বলেন, সিলেটে আমাদের ক্যাম্প খুব ভালো হয়েছে। আমরা পুরো স্টেডিয়াম ব্যবহার করেছি। জিম, ইনডোর সব ব্যবহার করার সুযোগ পেয়েছি। আমাদের ফিটনেস আগের চেয়ে খুব ভালো হয়েছে। ট্রেনার বেশ খুশি আমাদের ওপর। ১০টার মতো ম্যাচ খেলেছি, স্কিলেও উন্নতি এসেছে
অনুশীলন চলছে পুরোদমে। কিন্তু এখনো দেখা নেই প্রধান কোচের। বোর্ড কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও, কোভিড পরিস্থিতির কারণে এখনো পাওয়া যায়নি কাউকেই। তবে, সেটা নিয়ে ভাবনা নেই ক্রিকেটারদের।

জাহানারা আলম বলেন, প্রধান কোচ না থাকায় আমাদের খুব একটা সমস্যা হচ্ছে না। এখানে স্কিল ওয়াইজ আলাদা কোচ আছে। সবাই খুব ভালো কাজ করছে।
ক্রিকেটাররা সন্তুষ্ট নিজেদের নিয়ে। তবে, অসন্তোষ আছে কোচদের মধ্যে। স্কিল ডেভেলাপমেন্টের গতি আরো বাড়ানোর পরামর্শ ওয়াহিদুল গণির।

নারী দলের স্পিন কোচ ওয়াহিদুল গণি বলেন, ‘আমাদের দলের অবস্থা বেশ ভালো। স্পিনাররা অনেক ভালো। কিন্তু তাদের নিয়ে আরো কাজ করতে হবে। টি-টোয়েন্টির কারণে ব্যাটসম্যানদের মধ্যে অতিরিক্ত হিট করার প্রবণতা চলে এসেছে। এটা কমাতে হবে।’

আসন্ন বাংলাদেশ গেমসে পদ্মা, মেঘনা, যমুনা তিন দলে ভাগ হয়ে খেলবেন নারী ক্রিকেটাররা।

সংশ্লিষ্ট খবর

Leave a Comment