কলকাতার নায়ক রাসেলকে কুর্নিশ করলেন উচ্ছ্বসিত শাহরুখ!

20220402 184107

পঞ্জাবের বিরুদ্ধে রাসেলকে ছন্দে ফিরতে দেখে মুগ্ধ নাইটদের অন্যতম কর্ণধার শাহরুখ খান। কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে আবারও ব্যাটে ঝড় আন্দ্রে রাসেলের। ২০১৯-এর পর থেকে যে রূপ খুব একটা দেখা যায়নি নাইট জার্সিতে।

শুক্রবার ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে দল যখন চার উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে গিয়েছিল, সেখান থেকে ৩১ বলে ৭০ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে কেকেআরকে জেতালেন আন্দ্রে রাসেল। চার উইকেট নিয়ে ম্যাচে সেরা যদিও উমেশ যাদব। তবে কমলা ও বেগুনি টুপি আপাতত নাইট শিবিরের দখলে। কমলা টুপি রাসেলের। বেগুনি টুপি পেয়েছেন উমেশ। পঞ্জাবের বিরুদ্ধে রাসেলকে ছন্দে ফিরতে দেখে মুগ্ধ নাইটদের অন্যতম কর্ণধার শাহরুখ খান।

মরসুমে প্রথম বার কেকেআর নিয়ে গণমাধ্যমে মন্তব্য করলেন বলিউডের নায়ক। তিনি লিখেছেন, ‘‘রাসেল! তুমি ফিরে এসেছ বন্ধু। বহু দিন পরে এত উঁচুতে বল উড়তে দেখলাম। তুমি যখন বলটা মারো, দেখে মনে হয় আনন্দের সঙ্গে আকাশে উড়ে যাচ্ছে বলটি।’’ যোগ করেন, ‘‘উমেশও অসাধারণ। শ্রেয়স আয়ার ও তার দলকে অনেক অভিনন্দন। খুব ভাল রাত কাটিয়ো।’’

শাহরুখের এই বার্তা রাসেলের কান পর্যন্ত হয়তো পৌঁছে গিয়েছে। ম্যাচ শেষে ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডারের কাছে জানতে চাওয়া হয়, এত দিন পরে বিধ্বংসী রূপে ফেরার অনুভূতি কী রকম? সম্প্রচারকারী চ্যানেলকে রাসেল বলেছেন, ‘‘এই অনুভূতির জন্যই ক্রিকেটটা খেলি। যে পরিস্থিতিতে ব্যাট করতে নেমেছি, সেখান থেকে ম্যাচ জেতানোর দায়িত্ব নিতেই হত। আমার মধ্যে সে ক্ষমতা যে আছে, সেটা নতুন করে বলার কিছু নেই। নিজের দক্ষতা অনুযায়ী খেলার ফল পেলাম।’’

রাসেলের সঙ্গে ৯০ রানের জুটি গড়েছেন স্যাম বিলিংস। ইংল্যান্ড তারকার মতো ব্যাটারকে পাশে পেয়ে ম্যাচ জেতাতে আরও সুবিধা হয়েছে বলেই মনে করছেন রাসেল। তাঁর কথায়, ‘‘স্যাম খুচরো রান নিয়ে চাপমুক্ত করছিল। ওর মতো কেউ ব্যাট করলে উইকেট হারানোর চিন্তা থাকে না।’’ যোগ করেন, ‘‘আমার গা গরম হয়ে যাওয়ার পরে স্যামকে গিয়ে বলেছিলাম, এ বার আমি শুরু করছি। তুমি নিজের খেলা পাল্টিয়ো না।’’ এখানেই না থেমে রাসেল বলেছেন,

‘‘রাহুল চাহার অসাধারণ বল করছিল। ওর বিরুদ্ধে ঝুঁকি নিতে চাইনি। কিন্তু বাঁ-হাতি স্পিনারের (হরপ্রীত) বল একেবারেই ঘুরছিল না। ওকেই আক্রমণ করার পরিকল্পনা ছিল আমাদের।’’ রাসেলের কাছে জানতে চাওয়া হয়, কেন তিনি পঞ্জাবের বিরুদ্ধে মাত্র এক ওভার বল করতে এসেছিলেন? রাসেলের উত্তর, ‘‘অধিনায়ক যদি চায় শেষের দিকে আমাকে বোলিং করানো হবে, আমি তাতেই খুশি। দলের প্রয়োজন অনুযায়ী সব কিছু করতে রাজি।’’

ম্যাচের সেরা উমেশ যাদব বললেন, ‘‘ভাবতেই পারিনি শুরুতেই মায়াঙ্ক আমাকে আক্রমণ করতে যাবে। তবে আমি আগের চেয়ে প্রস্তুতির মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছি।’’

You May Also Like