যেভাবে ৪০ কোটি টাকা আয় করলো বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা

পুরো ক্রিকেট বিশ্বকে চমকে দিয়েছে আইপিএল। এই লীগটি সর্বপ্রথম চালু হয়েছিলো২০০৮ সালে। এরপর থেকেই ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক এই আসরটির প্রতি বছরই বেড়েছে জনপ্রিয়তা। ব্যবসা সফল এই আসরের ১৪তম সংস্করণ মাঠে গড়াবে আগামী এপ্রিলে।

ক’দিন আগে হয়ে গেল চতুর্দশ আসরের নিলাম। অংশগ্রহণকারী ৮ দলই তাদের দল গঠন সম্পন্ন করেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে,

এবারের আসরের জন্য নিলাম থেকে ক্রিকেটারদের কিনতে ৮ ফ্র্যাঞ্চাইজি খরচ করেছে ১৪৫ কোটি ৩৪ লাখ রুপি। আগের ১৩ আসর এবং আসন্ন আইপিএলের জন্য ক্রিকেটার কেনায় দলগুলোর খরচ ৬ হাজার ১৪৪ কোটি রুপি।

স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি ৩ হাজার ৪৩৩ কোটি রুপি খরচ হয়েছে ভারতীয় ক্রিকেটারদের পেছনে। যা মোট খরচের অর্ধেক (৫৬.৭০ শতাংশ)। এরপরই রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটাররা। আইপিএলে সুযোগ পাওয়া বাংলাদেশি ক্রিকেটারের সংখ্যা ৬। মাশরাফি বিন মুর্তজা, মোহাম্মদ আশরাফুল,

আব্দুর রাজ্জাক, সাকিব আল হাসান, মোস্তাফিজুর রহমান ও তামিম ইকবালরা আইপিএল থেকে পারিশ্রমিক পেয়েছেন মোট ৩৪ কোটি ৭৮ লাখ রুপি। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৪০ কোটি টাকার সমান। আইপিএলে মাত্র ৪ আফগান ক্রিকেটার খেললেও আয়ে তারা ছাড়িয়ে গেছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের। রশিদ খান-মোহাম্মদ নবীরা আয় করেছেন ৫৮ কোটি ৪০ লাখ রুপি।

ক্রিকেটার আইপিএল খেলে পকেটে পুরেছেন ২৫৮ কোটি ৯৬ লাখ রুপি। নিউজিল্যান্ডের ৩১ জন খেলেছেন আইপিএল। তাদের আয় ২১১ কোটি ৬০ লাখ রুপি। আইপিএলে শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণ প্রতি বছরই কমেছে। ১৪তম আসরে সুযোগ পাননি কোন লঙ্কান ক্রিকেটার।

এর আগে খেলা ২৭ ক্রিকেটারের আয় ১৯৫ কোটি ৯৪ লাখ রুপি। পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা আইপিএলে খেলার সুযোগই পেয়েছেন মাত্র একবার। প্রথম আসরে খেলা ১১ পাকিস্তানি ক্রিকেটারের আয়ের অঙ্কটা ১২ কোটি ৩৪ লাখ রুপি।

সংশ্লিষ্ট খবর

Leave a Comment