৪৭ বছর আগের রেকর্ড ভাঙ্গলেন আফিফ-মিরাজ

তরুণ দুই ক্রিকেটারের হাতে বাংলাদেশের দুর্দান্ত এক জয়। অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের ভূমিকা ছাড়া এমন জয়ের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশ দলের জন্য বিরল! আজ (বুধবার) চট্টগ্রামের সাগরিকা স্টেডিয়ামে অলৌকিক এক জয় উপহার দিলেন আফিফ-মিরাজ জুটি।

অসম্ভবকে সম্ভব করে দেওয়া দলের জুনিয়র ক্রিকেটারকে প্রশংসায় ভাসাচ্ছে পুরো বাংলাদেশ। তবে খুশিতে আত্মহারা অধিনায়ক তামিম দুই জুনিয়রের ইনিংসের বর্ণনাতে কোনও শব্দ খুঁজে পাচ্ছেন না!

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ২১৬ রানের জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৪৫ রানে ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এমন অবস্থায় ম্যাচ জয় তো দূরে থাক, ১০০ রান পেরোনো কঠিন। কিন্তু এই অসম্ভবকে সম্ভব করতে ১৭৪ রানের জুটি গড়েছেন আফিফ ও মিরাজ।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডে ৪ উইকেটে জয়ের পর তরুণদের নিয়ে অধিনায়ক তামিম বলেছেন, ‘সত্যি বলতে আমি খুবই খুশি। শুধু মাত্র দল জিতেছে বলেই খুশি নই। যেভাবে দুই তরুণ ক্রিকেটার খেলেছে, অবিশ্বাস্য। আমার কোনও শব্দ নেই তাদের ইনিংসের বর্ণনা করার। খুবই খুশি এবং গর্ব করছি।’

আজকের ম্যাচে বাংলাদেশের দুর্দান্ত জয় টাইগারদের আত্নবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে ম্যাচ শেষে অধিনায়ক তামিমের ভাষ্য, এই ম্যাচ জেতাটা তার কাছে অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে।

মিরাজ আফিফের গড়া লম্বা এই ইনিংস ৫ টি রেকর্ড ভেঙ্গেছে আজ। রানতাড়ায় ৪৫ বা কম রানের মধ্যে ৬ উইকেট হারানোর পরও জয়—এমন ম্যাচে এর আগে সর্বোচ্চ জুটিটি ছিল ৫৫ রানের।

সেটিও ১৯৭৫ সালের। বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৯৩ রান তাড়ায় ৩৯ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর অস্ট্রেলিয়া জিতেছিল গ্যারি গিলমোর ও ডগ ওয়াল্টার্সের ৫৫ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে। মিরাজ-আফিফের জুটি আজ ছাড়িয়ে গেল সেটিকেও।

You May Also Like