বড় হারে বিশ্বকাপ মিশন শুরু বাংলাদেশের

বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের তকমা নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ খেলতে গিয়েছিল বাংলাদেশ যুবারা। অধিনায়কের আর্মব্যান্ডটাও ছিল বিশ্বজয়ী দলের সদস্য রাকিবুল হাসানের হাতে। তবে শুরুটা মোটেও ভালো হলো না লাল-সবুজের। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হেরে আসর শুরু করল রাকিবুল-আইচরা।

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শত রানের গণ্ডিও পেরোতে পারেনি বাংলাদেশ। মাত্র ৯৭ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পর আঁটসাঁট বোলিংয়ে শুরুটা ভালো হলেও এত অল্প পুঁজিতে জয়টা আসেনি। শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেটের বড় হারই সঙ্গী।

বাংলাদেশ প্রথম উইকেট পায় নবম ওভারে। রিপন মণ্ডলের বলে আইচ মোল্লার হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ইংলিশ ওপেনার জর্জ থমাস। সাজঘরে ফেরার আগে করেন ৩২ বলে ১৫ রান। এরপর ১৪তম ওভারে অধিনায়ক রাকিবুল হাসানের শিকার হন টম প্রেস্ট। তিনি ফিরে গেছেন ১৬ বলে ৪ রান করে।
ইংল্যান্ড ১০ ওভার শেষে এক উইকেট হারিয়ে করে ২৫ রান। অন্যদিকে, বাংলাদেশ ১০ ওভার শেষে করেছিল ৪ উইকেট হারিয়ে ১০ রান! ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অনূর্ধ্ব-১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে সবকটি উইকেট হারিয়ে মাত্র ৯৭ রান করতে পেরেছে রাকিবুল হাসান বাহিনী।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেন্ট কিটসের ওয়ার্নার পার্ক স্টেডিয়ামে শুরু থেকে চাপে ছিল বাংলাদেশ। যুবারা যখন তিন উইকেট হারায় তখন স্কোর বোর্ডে রান ছিল মাত্র ৭। দলীয় ৬ রানে বিদায় নেন মাহফিজুল ইসলাম। ব্যক্তিগত ৩ রানে তাকে শিকারে পরিণত করেন জশুয়া বয়ডেন। মাহফিজুল বিদায় নিলে স্কোর বোর্ডে আর এক রান যোগ করে বাংলাদেশ। এর পরের দুটি উইকেট পড়লেও স্কোর বোর্ডে কোনো রান উঠেনি যুবা টাইগারদের। আরিফুল ইসলাম ৪ রানে সাজঘরে ফিরলে প্রান্তিক নওরোজ নাবিল নামের পাশে কোনো রানই যোগ করতে পারেননি।

শেষ দিকে বাংলাদেশ দলকে মোটামুটি একটা ভীত গড়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন রিপন মণ্ডল ও নাইমুর রহমান। দুজনে মিলে গড়ে তুলেন ৪৬ রানের জুটি। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৩ রানই করেন রিপন। এসএম মেহরবের ব্যাট থেকে আসে ১৪ রান। বাকিদের মধ্যে আইচ মোল্লা ১৩, নাইমুর ১১ ও আশিকুর ৯ রান করেন। ইংল্যান্ডের হয়ে ৪ উইকেট নেন জশুয়া বয়ডেন। দুটি উইকেট পান থমাস আসপিনওয়াল। একটি করে উইকেট নেন জেমস সেলস, ফতেহ সিং ও টম প্রেস্ট।

You May Also Like