মাহমুদউল্লাহর অলরাউন্ড নৈপুণ্য ছাপিয়ে তামিমদের জয়

ব্যাটে-বলে দারুণ একটি দিন গেলো মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের। কিন্তু মুখে হাসি নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারলেন না। তার দল নর্থ জোন যে হেরে গেছে তামিম-ইমরুলদের ইস্ট জোনের কাছে।

ইন্ডিপেন্ডেন্স কাপে আজ (বৃহস্পতিবার) নর্থ জোনকে ৪ উইকেট আর ৭৩ বল হাতে রেখে হারিয়েছে ইস্ট জোন। এই জয়ে ফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখলো ইমরুল কায়েসের দল।

সিলেট একাডেমি মাঠে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের এক বল বাকি থাকতে ২১৬ রানে গুটিয়ে যায় নর্থ জোন। ২৫ রানে ৩ উইকেট হারানো দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেছিলেন মাহমুদউল্লাহ।

চতুর্থ উইকেটে মার্শাল আইয়ুবকে নিয়ে ১২০ রানের জুটিতে বিপর্যয় কাটিয়ে উঠেছিলেন জাতীয় দলের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক। কিন্তু মাহমুদউল্লাহ রানআউট দুর্ভাগ্যে পরার পরই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে নর্থ জোন। ঘুরে দাঁড়ানোর আর সুযোগই পায়নি।

৮৭ বলে ৪ বাউন্ডারিতে ৬৬ রান করেন মাহমুদউল্লাহ। ৭৪ বলে ৫৪ রান আসে মার্শাল আইয়ুবের ব্যাট থেকে। শেষদিকে আমিনুল ইসলাম ২৭ বল খেলে অপরাজিত থাকেন ২০ রানে।

৪৭ রানে ৩টি উইকেট নেন নাইম হাসান। ২টি উইকেট শিকার তানভীর ইসলামের। রুবেল হোসেন মাত্র এক উইকেট পেলেও ৯ ওভারে খরচ করেন মাত্র ৩১ রান।

জবাবে শুরুতেই প্রীতম হাসানকে (০) হারালেও তামিম ইকবাল আর ইমরুল কায়েসের ব্যাটে বিপদ সামলে নেয় ইস্ট জোন। ৩৮ বলে ৩ বাউন্ডারি আর ১ ছক্কায় ৩৫ করে মাহমুদউল্লাহর বলে বোল্ড হন তামিম।

তবে ইমরুল খেলেছেন দায়িত্বশীল অধিনায়কের মতোই। মিডল অর্ডারের আফিফ হোসেনকে নিয়ে ৫০ আর শাহাদাত হোসেনকে নিয়ে ৫৫ রানের জুটিতে দলকে জয়ের একদম কাছাকাছি নিয়ে আসেন ইমরুল। আফিফ-শাহাদাত দুজনই আউট হন সমান ২৬ রান করে। ইমরুল খেলেন ৮১ বলে ৮ বাউন্ডারিতে ৭১ রানের দারুণ এক ইনিংস। ব্যাটিংয়ে হাফসেঞ্চুরির পর বল হাতেও ৫৬ রান খরচায় ৩টি উইকেট নেন মাহমুদউল্লাহ। তবে ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলে ম্যাচসেরা হয়েছেন ইমরুল কায়েসই।

You May Also Like