শা’রিরিক মি’লন দী’র্ঘা’য়িত করার কিছু প’দ্ধতি

মি’লন দীর্ঘস্থা’য়ী করতে সব পুরু’ষই চায়। প্রত্যেকটি পুরু’ষ চায় প’রিপূর্ণ ভাবে মি’লন করতে। তবে নানান রকম কারণে মানুষের স্বা’স্থ্য এবং মি’লন করার ক্ষ’মতা ন’ষ্ট হয়ে যায়। পৃথিবীতে অধিকাংশ দ’ম্পতি’ই কোনো না কোনো এক সময় এই অ’ভিযোগটা করেন,

 

যে বিয়ের কিছু বছর পরেই প’রস্পরের প্রতি আকর্ষ’ণ হা’রিয়ে যায়।সাধারনত অধিক সময় নিয়েমিল’ন করাটা পুরু’ষের স’ক্ষ’মতার উপরই নির্ভর করে। তথাপি কিছু পদ্ধতি অবল’ম্বন করে পুরু’ষরা তাদের মিল’ন কাল দী’র্ঘায়িত করতে পারেন।

 

তবে কে কতটা দীর্ঘ সময় নিয়ে মিল’ন করবে এটা অনেকটাই তাদের চর্চার উপর নির্ভর করে থাকে। আসুন জেনে সবচাইতে বড় যে ভু’লটি করেন বেশিরভাগ মানুষ, সেটা হলো বিয়ের পর নিজেকে আর আগের মত যত্ন না করা। এবার এক নজরে দেখে নিন মি’লন দীর্ঘস্থা’য়ী করার আরো কিছু কা’র্যকারী উপায় সম্প’র্কে।

 

নিজেকে সাজানো, নিজের সৌন্দর্য রক্ষা করা, শ’রীর সুগঠিত রাখা ইত্যাদি কাজগুলো করেন না। সময়ের সাথে সাথে জীবন থেকে হা’রিয়ে যায় নিজেকে সুন্দর দেখাবার প্রয়াস। স্বভাবতই স’ঙ্গীর চোখেও আপনি হয়ে পড়তে থাকেন সাদামাটা। অনেক ক্ষেত্রে কু’ত্‍সিতও!বিয়ে হয়ে গেলো মানেই ফুরিয়ে গেছে সব? বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তাই হয়।

 

নিই মি’লন দী’র্ঘায়িত করার কিছু পদ্ধতি সম্প’র্কে।মাঝে মাঝে একটু দুরত্ব বজায় রাখু’ন একটি খাবার যদি আপনি প্রতিদিন খান, কেমন লাগবে আপনার? কিংবা এক সিনেমা যদি রোজ দেখেন? সারাক্ষণ পর’স্পরের স’ঙ্গে থাকলেও তাই হয়। কখনো তাঁকে ছাড়াই বেড়াতে যান। বন্ধুদের স’ঙ্গে মিশুন, নিজেকেও সময় দিন। একটু দূরত্ব স’ম্পর্কের জন্য ভালো।

 

কেবল দু’জনে কোথাও বেড়াতে যাওয়া, একটা রোম্যান্টি’ক ডেট, রোম্যান্টি’ক মেসেজ চালাচালি এসব যেন কোথায় হা’রিয়ে যায়। এমনকি দাম্প’ত্য জীবনটাও হয়ে পড়ে একদম একঘেয়ে। অনেকেই মনে করেন, বিয়ে তো হয়েই গেছে! এখন আর এসব করে কী লাভ? আরে, বিয়ের পরই তো এসবের বেশী প্রয়োজন।

 

রো’মান্টিকতার চর্চা করুন মা’নসিক ও শারীরি’ক ভাবে। প্রেম ও দাম্প’ত্য দুনিয়া, দু’টোকেই ভরিয়ে রাখু’ন নতুনত্বে।এদিকে মে’য়েদের যৌ’ন চা*হিদা কত বছর ব’য়স পর্যন্ত থাকে জেনে নিন না’রী পুরু’ষ ব্যাপার সবসময়ই অ’তিরঞ্জিত একটা ব্যাপার।

 

এই ব্যাপারে মতামতও মানুষের ভিন্ন। শা**রীরিক ক্ষেত্রে কখনও এরকমও শোনা যায় যে না’রীদের আকাঙ্খা পুরু’ষদের থেকে অনেক গুণ বেশি। আবার কখনও এটাকে ভু’ল প্রমাণ করেও দেখানো হয়ে থাকে। কিন্তু এসব ছাড়াও ইতিহাস আজ থেকে নয় সেই আদিম থেকেই চলে আসছে এর ধারা। আর এখনও পর্যন্ত সারা বিশ্বব্যাপী চলছে সুস্থ এবং স্বাভাবিক শা**রীরিক চা’হিদা।

 

তবে, একটা কথা মাথায় রাখা দরকার যে সবসময় স্বেচ্ছায় সংঘঠিত মি**লন। এরূপ অন্যথা হলে সেটা আর যাইহোক সুস্থ স’ম্পর্ক একেবারেই নয়। ইচ্ছের বি’রুদ্ধে গিয়ে কোনো না’রী কোনো পুরু’ষের সাথে কিংবা কোনো পুরু’ষ কোনো না’রীর সাথে লি’প্ত হতে পারেননা। আর এর পাশাপাশি এটাও স্বাভাবিক যে সবার বাসনা বা আ’গ্রহ এক হয়না।

 

তবে, একটা কথা মাথায় রাখা দরকার যে সবসময় স্বেচ্ছায় সংঘঠিত মি**লন। এরূপ অন্যথা হলে সেটা আর যাইহোক সুস্থ স’ম্পর্ক একেবারেই নয়। ইচ্ছের বি’রুদ্ধে গিয়ে কোনো না’রী কোনো পুরু’ষের সাথে কিংবা কোনো পুরু’ষ কোনো না’রীর সাথে লি’প্ত হতে পারেননা। আর এর পাশাপাশি এটাও স্বাভাবিক যে সবার বাসনা বা আ’গ্রহ এক হয়না।

 

আবার কোনো কোনো না’রী-পুরু’ষ সুস্থ পক্ষপাতি এবং তারা প্রয়োজন মাফিক মি’লন পছন্দ করে। আবার কিছু কিছু না’রী-পুরু’ষ যৌ’নতাকে খুবই কম মাত্রায় পছন্দ করে। অনেকের এ ব্যাপারে ভীতিও থাকে। যৌ’নতার ব্যাপার বিশেষ করে না’রী, পুরু’ষের যৌ’নতার ব্যাপারে উত্সাহ এবং আ’গ্রহ যদি না থাকে তবে চ’রম পুলক আসতে পারে না।

 

না’রীদের ই’চ্ছার সময়সীমা : মেয়েদের চা’হিদা ছেলেদের ৪ ভাগের এক ভাগ। কি’শোরী এবং টিনেজার মেয়েদের ই’চ্ছা সবচেয়ে বেশী। ১৮ বছরের পর থেকে মেয়েদের চা’হিদা কমতে থাকে, ৩০ এরপরে ভালই কমে যায়।

 

সম্প’র্কগুলো সুন্দর করে শেষ করা যায় না? পেশায় একজন চিকিৎসক। স’ন্তানেরা সব বড় বড়। হঠাৎ করে তাঁর স্ত্রী উ’দ্ধার করলেন এই লোক বিগত ১৯/২০ বছর ধরে একজন নার্সের সাথে শা’রীরিক ও মা’নসিকভাবে জ’ড়িত। লোকের ভাষায় প’রকীয়া, অনেকের ভাষায় ব্যভিচার ইত্যাদি।

 

এই ঘ’টনা জানাজানি হওয়ার পর – ‘সামাজিক ও পারিবারিক স্বীকৃত’ স্ত্রী’র টালমাটাল অবস্থা। মা’নসিকভাবে ভীষণ ভে’ঙে পড়েছেন।

“কার সাথে এতোদিন সংসার করলাম, কার স’ন্তানের মা হলাম, কাকে এতো ভালোবেসে মায়া করে রেঁধে খাওলাম, কার পরিবারের সকল সদস্যকে আপন করে নিয়েছিলাম, কার বাবা-মা’কে মাথায় তুলে সম্মান ও সেবা যত্ন করলাম ইত্যাদি নানা রকম হিসেব।”

 

সাথে আছে সমাজ-সংসারের র’ক্তচক্ষু! “কেমন স্ত্রী – এতোদিন ধরে স্বা’মী অন্য বেটির সাথে থাকে টের পায়নি!” “কেমন স্ত্রী – স্বা’মীকে বশে রাখতে পারেনি” “কেমন স্ত্রী কেমন স্ত্রী কেমন স্ত্রী” – চারদিক থেকে আ’ঙ্গুল তুলা হচ্ছে স্ত্রীর দিকে।

আর, স্ত্রী ভাবছেন শুধুই ভাবছেন – “স্বা’মীকে বিশ্বাস করা কি তবে ভু’ল, অন্যায়?”

 

কেস স্টাডি: দুই

একজন না’রী চিকিৎসক। অসম্ভব সুন্দর ও ভালো মানুষ। পেশায় খুব সফল। বন্ধুদের মধ্যে খুব ভালোবাসার মানুষ। সহকর্মীরা ভীষণ পছন্দ করেন। ঘরের সহকর্মী, ড্রাইভার থেকে শুরু করে সবাই খুব সমীহ- শ্রদ্ধা করে। তিনি স’ন্তানদের মা হিসেবে খুবই কেয়ারিং। স’ন্তানদের পড়াশোনা থেকে শুরু করে রান্নাঘর সামলান। স্বা’মীর সকল প্রকার চা’হিদা গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। তার কাছে -পরিবার খুব গুরুত্বপূর্ণ।

সংশ্লিষ্ট খবর

Leave a Comment