ছয় বলে ৪ ছক্কার তান্ডবে সবার উপরে পাকিস্তান!

resize 16355304721582353532p43

পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৪৭ রানের পুঁজি নিয়ে বল করেছে আফগানিস্তান। জয়ের জন্য শেষ ১০ ওভারে ৭৬ রান দরকার ছিল পাকিস্তানের। হাতে ৯ উইকেট। এ অবস্থায় রশিদ খানকে প্রথম বোলিংয়ে আনেন আফগানিস্তান অধিনায়ক মোহাম্মদ নবী।

GLeZpht
GLeZpht
GLeZpht
GLeZpht
GLeZpht

ওয়ানডে কিংবা টি–টোয়েন্টি—সংস্করণ যেটাই হোক শেষ ১০ ওভারে পাকিস্তান বরাবরই দ্রুত রান তুলতে অভ্যস্ত। এই মুহূর্তে বিশ্বের অন্যতম সেরা লেগ স্পিনারকে ব্যবহার করতে দেরি করায় কি ম্যাচটা হারল আফগানিস্তান? পাকিস্তানের সেরা দুই ব্যাটসম্যান নামেন ওপেন করতে—বাবর আজম ও মোহাম্মদ রিজওয়ান।

তাঁদের থামাতে ৭ ওভারের মধ্যে আরেক তারকা স্পিনার মুজিব উর রহমানের ৪ ওভারের কোটা শেষ করেন নবী।

GLeZpht
GLeZpht
GLeZpht
GLeZpht
GLeZpht

মুজিব ৪ ওভারে ১৪ রানে রিজওয়ানকে ফিরিয়ে আস্থার ভালোই প্রতিদান দেন। প্রথম ১০ ওভারের মধ্যে রশিদকে দুই–এক ওভার ব্যবহার করলে পাকিস্তান হয়তো আরেকটু চাপে পড়ত। আফগানিস্তানের পেস বিভাগে ‘ডেথ ওভার’–এ বিশেষজ্ঞ পেসার না থাকায় দলের দুই সেরা বোলারকে ইনিংসের দুই ভাগে ব্যবহার করতে বাধ্য হন নবী। তাতে মাঝে–মধ্যে বিপদের শঙ্কা ছড়িয়েও ম্যাচটা শেষ পর্যন্ত ৫ উইকেটে জিতেছে পাকিস্তান।

GLeZpht
GLeZpht
GLeZpht
GLeZpht
GLeZpht

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এ নিয়ে টানা তিন ম্যাচ জিতল বাবর আজমের দল। রশিদ শেষ ১০ ওভারে হতাশ করেননি আফগান সমর্থকদের। ৪ ওভারে ২৬ রানে ২ উইকেট নেন তিনি। কিন্তু ‘পথের কাঁটা’ হয়ে থাকা বাবর শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানের জন্য ম্যাচটা সহজ করেছেন।

যদিও তিনি আউট হওয়ার পরও বিপদে পড়েছিল পাকিস্তান। ৪৭ বলে ৫১ রানের ইনিংসে পাকিস্তানের ৬ বল হাতে রাখা এই জয়ে ‘নিউক্লিয়াস’ বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সেরা এ ব্যাটসম্যান।

GLeZpht
GLeZpht
GLeZpht
GLeZpht
GLeZpht

তবে ম্যাচের খুব গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বাবরকে আউট করার সুযোগ পেয়েছিল আফগানিস্তান। পাকিস্তান ২১ বলে ২৭ রানের দূরত্বে থাকতে তাঁর বলে ক্যাচ তুলেছিলেন বাবর। ক্যাচটা নিতে পারেননি নাভিন–উল–হক। ওই ওভারেই গুগলিতে বাবরকে বোল্ড করেন রশিদ, ততক্ষণে কি দেরি হয়ে গিয়েছিল? আফগানিস্তানের খেলোয়াড়দের শরীরী ভাষা দেখে কিন্তু তা মনে হয়নি। তাঁরা শেষ পর্যন্ত লড়েছেন।

You May Also Like